Blog

  • মোবাইল গরম হওয়ার কারন, গরম হলে করনীয় – ajkerfact.com

    মোবাইল গরম হওয়ার কারন, গরম হলে করনীয়। Android Tips

    মোবাইল গরম হওয়ার কারন
    মোবাইল গরম হওয়ার কারন

    হেলো বন্ধুরা, মোবাইল অতিরিক্ত গরম কেন হয় এবং মোবাইল গরম হলে কি করবনে পোষ্টে আপনাকে স্বাগত্বম। যদি আপনার স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় তবে আপনি পুরু লেখাটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে আপনি একটু হলেও উপকৃত হবেন।

    Android tips: আজকাল বেশির ভাগ মানুষই মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। যারা এন্ডয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে অনেকেই একটি সমস্যা সম্মুখীন হয়ে থাকেন। সেটা হচ্ছে মোবাইল ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া। মোবাইল গরম হওয়ার বেশ কিছু কারণ আছে। তবে মোবাইল অতিরিক্ত গরম বিপদের কারণও হতে পারে। তাই আমাদের মোবাইল অতিরিক্ত গরম হবার কারণ এবং সমাধান জানা দরকার। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কেন মোবাইল অতিরিক্ত গরম হয় আর গরম হলে কি কি করবেন।

    মোবাইল গরম হওয়ার কারন ও গরম হলে করনীয়

    বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন তাড়াতাড়ি গরম হয়ে যায়। আপনার মোবাইল গরম হয়ে যাওয়ার পিছনে একাধিক কারণও থাকতে পারে, কীভাবে তা থেকে ফোনটিকে বাঁচাবেন? তাহলে প্রথমে জেনে নেওয়া যাক কি কি কারনে স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়।

    এন্ড্রয়েড মোবাইল গরম হওয়ার কারন: 

    why android phone gets hot: বেশি সময় ধরে মোবাইলের প্রসেসরে চাপ পড়ার ফলে, যেকোনো স্মার্টফোন কিছুটা পরিমানে গরম হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া তা বিপদের করনও হতে পারে। যে যে কারনে ফোন তাড়াতাড়ি গরম হয়ে যায তা হলো:

    1. ডিসপ্লের ব্রাইটনেস বেশি রাখা।
    2. বেশি সময় ধরে ওয়াই ফাই কানেক্ট করে রাখা।
    3. হেব্বি গেইম বা এপ ব্যবহার করাভ
    4. ব্যাগরাউন্ডে এপ বা গেইম চালু থাকা।
    5. মেমোরিতে ম্যালওয়ার বা ভাইরাস থাকা।
    6. ব্যাটারি ডাউন বা মোবাইল ব্যাটারি দুর্বল।

    মোবাইল গরম হলে করনীয়:

    মোবাইল কেন গরম হয় তা উপরে জানতে পারলেন। মোবাইল ফোন অতিরিক্ত গরম হয় কারন এর প্রসেসরে বেশি চাপ পড়ে। প্রথমে অাপনাকে ভাবেতে হবে মোবাইলের প্রসেসরে চাপের উপর। প্রসেসরে বেশি চাপ যাতে না পড়ে সে ব্যাপারে লক্ষ রাখতে হবে। নিন্মে বিস্তারিত আলোচনা করার হলো:

    ধাপ ১ঃ বেশিরভাগ সময় দেখা যায যে, আপনার মোবাইল ফোনের ডিসপ্লের ব্রাইটনেস অনেক বেশি থাকার কারনে, আপনার মোবাইলের ওপরের ভাগ গরম হয়ে পরে। তবে, এটি অপনার ফোনের কোনো সমস্যা নয়। তবে, এতে আপনার চোখ এবং মোবাইলের ব্যাটারিতে চাপ পরার সুযোগ আছে। তাই, মোবাইলের ডিসপ্লে ব্রাইটনেস সব সময় অটো ব্রাইটনেস এ রাখার পরামর্শ দিবো।

    ধাপ ২ঃ আপনার ফোনে যত বেশি এপস বা গেইমস ইনস্টল করা থাকবে, ততই ব্যাটারির চার্জ শেষ হবে এবং তার একইসাথে নটিফিকেশন, রানিং এপ এর ব্যবহার এর ওপরেও প্রভাব ফেলবে। তাই যতটা সম্ভব মোবাইলে অপ্রয়োজনীয় এপ বা গেইম যেগুলো আপনি ব্যবহার করেন না সেগুলো আনইনস্টল করে দিন।

    ধাপ ৩ঃ মোবাইলের ব্যাগরাউন্ডে রানিং এপস। আমাদের স্মার্টফোনে আমরা বিভিন্ন ধরণের এপস এবং গেইম ডাউনলোড করে ব্যবহার করি। তারমধ্যে, অনেক ধরণের এপ আমাদের অনুমতি ছাড়া, মোবাইলে সবসময় সময় চলতে থাকে। কিন্তু, ৫৫% স্মার্টফোন গরম হওয়ার কারণ, কিছু ত্ররুটিপূর্ণ  মোবাইল সফটওয়ার, যেগুলি আপনার মোবাইলের ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে। যা সবসময় অপনার ফোনে চলতে থেকে ফোনের চার্জ শেষ করে দেয়। তাই আপনাকে ব্যাকরাউন্ডে রানিং এপগুলো ব্যাকরাউন্ডে চলার আনুমতি না দেওয়া।

    ধাপ ৪ঃ যদি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে ম্যালওয়্যার  থাকে, তাবে আপনার মোবাইলে বেশি গরম হয়ে যাওয়ার জন্য এই ম্যালওয়ার দায়ী। তাই অাপনাকে এন্টি ভাইরাস সওফটওয়্যার ডাউনলোড করে রাখতে হবে।

    ধাপ ৫ঃ অটো আপডেট এপস। অনেক সময় দেখা যায় ইন্টারনেট কানেকশন দিতেই মোবাইলের এপসগুলো অাপডেট হতে শুরু করে। এত অাপনার ফোন হ্যাং বা স্লো হয়ে যায়। ফলে প্রসেসর বা জিপিইউ তে প্রচুর চাপ পড়ে। ফলে ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়।

    আরও দেখুন – ফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার উপাায়

    তাহলে বন্ধুরা, মোবাইল গরম হওয়ার কারনমোবাইল অতিরিক্ত গরম হলে করনীয়, সেটা আপনারা মনেহয় ভালো করে জেনে বুঝে গেছেন। আপনাদের দির্ঘায়ু কামনা করছি।

  • ফোনের লক ভুলে গেলে কিভাবে ফোনের লক খোলা যায় – ajkerfact

    ফোনের লক ভুলে গেলে কিভাবে ফোনের লক খোলা যায়। android tips

    কিভাবে ফোনের লক খোলা যায়
    কিভাবে ফোনের লক খোলা যায়

    পাসওয়ার্ড ভূলে গেলে ফোনের লক খোলার উপায়: হ্যালো বন্ধুরা, আশা করি তোমরা সবাই ভালো আছে। তোমরা নিশ্চই তোমাদের ফোনের লক ভুলে গেছ অথবা পাসওয়ার্ড বা পিন ভুলে গেছ। তোমরা হয়তো ভাবেছো যে ভুলে যাওয়া লক বা পাসওয়ার্ড কিভাবে খুলব। এন্ড্রয়েড ফোনের পাসওয়াড বা পিন যদি ভুলে যাও তাহলে চিন্তা করো না। লক খোলার অনেক পদ্ধতি আছে। সে পদ্ধতিটিগুলো নিয়ে আজ আলোচনা করব।

    আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই আজকাল এন্ড্রোয়েড ফোনের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে । কোনো কোনো মানুষ শখে আবার কোনো মানুষ বিলাসসিতা করে। অনেকে এই ধরনের এন্ড্রয়েড সেট চালাতে পারদর্শি না হওয়া সত্ত্বেও ব্যাবহার করে এবং নিজেদের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য লক করে রাখে । এই লক যদি আপনি ভুলে যান তবে ‍তুমি কি করবে? যদি পাসওয়ার্ড বা পিন ভুয়ে যাও তাহলে চিন্তার কোনও কারন নেই। সহজেই খুলে নিতে পারবে সেই লক।

    আরও দেখুন – মোবাইলোর ব্যাটারি ভালো রাখার টিপস

    মোবাইলের পাসওয়ার্ড কিংবা প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে কিভাবে খুলবো ?

    Android Tips: অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের  প্রাইভেসির জন্য আমরা অনেকেই পাসওয়ার্ড বা লক ব্যবহার করি। কিন্তু এই লক কোন কারনে ভুলে গেলে আফসোসের শেষ থাকে না। তবে একটু জানা থাকলে ভুলে যাওয়া পাসওয়ার্ড বা লকের বিষয়টি আপনি নিজেই সমাধান করতে পারবেন। লকের সমস্যা সমাধানের জন্য স্মার্টফোনটি রিসেট করতে হয়। এখন তবে দেখে নেওয়া যাক কিভাবে ভুলে যাওয়া লক খোলবেন।

    Android phone unlock

    ফোন লক খোলার ১ম পদ্ধত:

    আপনি যদি স্যামসাং বা সেম্পনি বা অন্যন্য ফোনের লক ভুলে যান তবে এই পদ্ধতিটি অবলম্বন করতে পারেন। এই পদ্ধতিটি বেশিরভাগ এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

    প্রথমেই ফোনের ব্যাটারি খোলে মেমরি কার্ড এবং সিম কার্ড বের করে সেটটি সুইচঅফ করে নিন, আবার ব্যাটারি লাগিয়ে একসঙ্গে ‘আফ ভলিয়ম বাটন + পাওয়ার বাটন একসাথে চেপে ধরতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত Recovery Mode Screen আসে।

    এরপর ভলিউম বাটনে ক্লিক করে করে কার্সর নিচে নামিয়ে ‘wipe data/factory reset’ অপশনে নিয়ে আনুন এবং সিলেক্ট করার জন্য হোমে বাটনে ক্লিক করুন। তারপর কনফার্ম করার জন্য আরেকটি স্ক্রিন আসবে সেখানে ‘Yes’ সিলেক্ট করবেন। এখন কিছুসময় অপেক্ষা করুন রিসেট হওয়ার পর আপনার মোবাইল অটোমেটিক চালু হবে।

    ফোন লক খোলার ২য় পদ্ধতি:

    এন্ড্রয়েড মোবাইলের লক খোলার ক্ষেত্রে আপনার জিমেইল মুখ্য ভুমিকা পালন করবে । আমরা সাধারণত এন্ড্রোয়েড ফোস চালানোর সময় ইমেইলের একটি একাউন্টের সাথে নিজের সেটটি যুক্ত কিংবা ইন্টিগ্রেড করে থাকি ।ঐ ইমেইল আপনাকে ভবিষ্যতে অনেক সমস্যা থেকে বের হতে হেল্প করবে।

    ভুৃলে যাওয়া লক খোলার ক্ষেত্রে আপনি পাসওয়ার্ড বা প্যাটার্ন ভুলে গেলেন তখন আপনি আপনার ফোনে তিনবার লক দেওয়ার পার ৩০ সেকেন্ড সময় চাইবে। তখন আপনি একটু নিচের দিকে স্ক্রিনের নিচের এক কোনায় দেখতে পাবেন “Forgot Pattern” বা “Forgot Password” । ঐ খানে আপনাকে প্রেস করতে হবে। সেখানে যদি আপনার ফোনটি টি আপনার ইমেইল দ্বারা ইন্টিগ্রেড করা থাকে তবেআপনার সেই প্যাটার্ন কিংবা পাসওয়ার্ড ঐ জিমেইলে পাঠিয়ে দিওয়া হবে।

    মোবাইল অতিরিক্ত গরম হলে করনীয়

    ট্যাগ: ফোনের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে করনীয়, ফোন লক, বাটন মোবাইল পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে, যে কোন ভুলে যাওয়া লক, নোকিয়া ফোনের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে, যে কোন মোবাইলের লক খুলুন, মোবাইলের সিকিউরিটি কোড ভুলে গেছেন, স্কিন লক, জিও ফোনের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কিভাবে খুলবো, যে কোন মোবাইলের লক খুলুন, বাটন মোবাইল পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে, ফোনের লক খোলার পদ্ধতি, ফোনের লক খোলার নিয়ম, ফোনের লক ভুলে গেলে খোলার উপায়, জিও ফোনের লক খোলা, যে কোন ফোনের লক খোলা, কিভাবে ফোনের লক খোলা যায়, আই ফোনের লক খোলা, এন্ড্রয়েড ফোনের লক খোলা, বাটন ফোনের লক খোলা, স্কিন টাচ ফোনের লক খোলা, how to unlock android phone password, how to unlock android phone with google account, how to unlock android phone password without factory reset, how to unlock android phone pattern lock if forgotten, how to unlock android phone pattern lock, how to unlock android phone pattern lock, how to unlock android phone password without factory reset, how to unlock android phone pattern lock without losing data, steps to unlock android phone, how to reset andriod phone, factory reset android phone.

  • Instagram মানে কী এবং ইনস্টাগ্রাম কিভাবে ব্যবহার করতে হয় – ajkerfact.com

    Instagram মানে কী এবং ইনস্টাগ্রাম কিভাবে ব্যবহার করতে হয়

    Instagram মানে কী
    Instagram মানে কী এবং ইনস্টাগ্রাম কিভাবে ব্যবহার করতে হয় 


    ইনস্টাগ্রাম
    : Instagram মানে কী এবং ইনস্টাগ্রাম কিভাবে ব্যবহার করতে হয় পোষ্টে আপনাদের স্বাগত্বম। আপনারা নিশ্চই ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের নিয়ম নিয়ে আজরের পোষ্টে বিস্তারিত আলোচনা করব।

    ইনস্টাগ্রাম সম্পর্কে আপনারা সকলেই জানবেন, এটি একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যেখানে লোকেরা ফটো, ভিডিও ইত্যাদি শেয়ার করে। সাম্প্রতিক সময়ে Instagram user সংখ্যা অনেক বেড়েছে। হাজার হাজার মানুষ এবং সেলিব্রিটি এই সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তাদের অনুগামীদের সাথে তাদের জীবনের সাথে সম্পর্কিত মুহূর্তগুলি ভাগ করে দেয়। সুতরাং আমরা ভেবেছিলাম, কেন আমাদের পাঠকরাও জানেন না যে Instagram মানে কী এবং ইনস্টাগ্রাম কিভাবে ব্যবহার করতে হয়?

    ইনস্টাগ্রামে (Instagram) আপনি আপনার প্রিয় শিল্পী, রাজনীতিবিদ, ক্রীড়াবিদ এবং আপনার বন্ধু এবং পরিবারের লোকদের অনুসরণ করতে পারেন। আমরা যদি অনলাইনে ফটো শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মগুলি নিয়ে কথা বলি তবে সেরা হলো ইনস্টাগ্রাম।

    ইনস্টাগ্রাম (Instagram) কেবল কোনও ব্যক্তির জন্য নয়, আপনি এটি থেকে আপনার ব্যবসায়ের প্রচারও করতে পারেন। আপনি এটি আপনার গ্রাহকদেরকে পছন্দ করতে এবং তাদের মধ্যে আপনার পণ্য সরবরাহ করতে ব্যবহার করতে পারেন।

    আপনার মনের এক পর্যায়ে এই প্রশ্নগুলি অবশ্যই উঠে এসেছে, ইনস্টাগ্রাম কী (Instagram ki)। সম্ভবত হ্যাঁ, কারণ যদি আপনার মনে এই প্রশ্নটি না থাকে তবে আপনি এখনই এই পোষ্টটি পড়বেন না।

    জানুন – পিটিসি সাইট ojooo wad থেকে মোবাইল দিয়ে আয়

    Instagram মানে কী এবং ইনস্টাগ্রাম কিভাবে ব্যবহার করতে হয়

    এই পোষ্টে আপনি ইনস্টাগ্রামের সম্পূর্ণ তথ্য পাবেন। যেমন: Instagram মানে কী এবং ইনস্টাগ্রাম কিভাবে ব্যবহার করতে হয়, ইনস্টাগ্রাম মানে কি, ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের নিয়ম, কে ইনস্টাগ্রাম তৈরি করেছে, ইনস্টাগ্রাম কখন শুরু হয়েছে, ইনস্টাগ্রামের বৈশিষ্ট্য, ইনস্টাগ্রামের মালিক কে, ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার, ইনস্টাগ্রাম অটো ফলোয়ার, ইনস্টাগ্রাম থেকে আয়, ইনস্টাগ্রাম আইডি হ্যাক হওয়ার হাত থেকে কীভাবে রক্ষা করা যায় ইত্যাদি ইত্যাদি

    তবে এই পোষ্টে প্রথম তথ্যটি হলো ইনস্টাগ্রামটি কী (What Is Instagram)? আর ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার বাড়াবেন কীভাবে? ইনস্টাগ্রাম কী এবং ইনস্টাগ্রাম কিভাবে ব্যবহার করতে হয়।

    ইনস্টাগ্রাম মানে কী (What Is Instagram)

    ইনস্টাগ্রাম মানে কী: ইনস্টাগ্রাম (Instagram) একটি Free photo এবং ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন, যা অ্যাপল আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড এবং উইন্ডোজ ফোনের জন্য তৈরী। আপনি আপনার ফটোগুলি বা ভিডিওগুলি ইস্ট্রাগ্রামে আপলোড করতে পারেন এবং সেগুলি আপনার অনুগামী বা চয়নকারী বন্ধুদের সাথে ভাগ করে নিতে পারেন।

    সহজ কথায় বলতে গেলে, ইনস্টাগ্রামটি একটি সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি নিজের ফটো এবং ভিডিওগুলি ভাগ করতে পারেন। অনলাইন ফটো শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মগুলিতে ইনস্টাগ্রাম সর্বাধিক প্রশংসা অর্জন করেছে।

    কখন এবং কে ইনস্টাগ্রাম তৈরি করেছেন?

    ২০১০ সালে সান ফ্রান্সিসকোতে ইনস্টাগ্রাম চালু হয়েছিল। ইনস্টাগ্রামটি কেবল ফটো শেয়ার করার অভিপ্রায় নিয়ে কেভিন সিস্ট্রোম এবং মাইক ক্রিগার সহ-নির্মিত হয়েছিল।

    তবে আজ আপনি ইনস্টাগ্রামে ভিডিওগুলি শেয়ার করতে এবং ডাইরেক্ট ম্যাসেজিংয়ের সুবিধাও সরবরাহ করতে পারেন। ২০১২ সালে ফেসবুক পুরোপুরি ইনস্টাগ্রাম কিনেছিল।

    ইনস্টাগ্রাম Direct Message কি?

    • আপনার ফেসবুক আইডির সাহায্যে ইনস্টাগ্রাম লগইন করুন।
    • এখন আপনার পছন্দের ফটোতে ডাবল ট্যাপ করুন, আপনি এটি পছন্দ করবেন।
    • ছবির নীচে আপনি লাইক কাউন্ট দেখতে পারবেন।

    আগে এই ফিচারগুলো ইনস্টাগ্রামে পাওয়া যায়নি, পরে Instagram ব্যবহারকারীদের জন্য এই ফিচারগুলো উপলব্ধ করেছিল। আপনি ইনস্টাগ্রামের সাহায্যে আপনার বন্ধুদের সাথে চ্যাট করতে পারেন।

    কিভাবে Instagram stories করবেন?

    Instagram stories একটি খুব আশ্চর্যজনক বৈশিষ্ট্য, এই বৈশিষ্ট্যের সাহায্যে, আপনি আপনার প্রোফাইলে আপনার জীবনধারা সম্পর্কিত ছবিগুলি ভাগ করতে পারেন।

    Instagram stories যুক্ত করা আপনার ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার বাড়িয়ে তোলে। এর পরে আপনি জানবেন কেন Instagram stories শেয়ার করা উচিত।

    আরও জানুন – ৫ পদ্ধতিতে ব্লগ সাইট থেকে ইনকাম

    ইনস্টাগ্রাম কিভাবে ব্যবহার করতে হয়

    এতক্ষন জানলেন ইনস্টাগ্রাম কি এবং কখন কে ইনস্টাগ্রাম তৈরী করেছে। এখন আমরা জানব ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের নিয়ম ও ইনস্টাগ্রাম কিভাবে ব্যবহার করতে হয়

    অন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে স্টোর এবং আইওএস ব্যবহারকারী অ্যাপ স্টোর থেকে ইনস্টাগ্রাম অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করতে পারেন। ইনস্টাগ্রাম.কম এ গিয়ে আপনি ইনস্টাগ্রামও চালাতে পারেন।

    আপনার Android মোবাইলে ইনস্টাগ্রাম অ্যাপটি ডাউনলোড করার পরে, আপনি অপেন করুন এবং ফেসবুক, আপনার ইমেল আইডি দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। এর পরে আপনি এটি ব্যবহার শুরু করতে পারেন।

    এটি চালানো খুব সহজ, কেবলমাত্র এর জন্য আপনাকে তার অ্যাপটি খুলতে হবে এবং তার ওয়েবসাইটে যেতে হবে এবং প্লাস আইকনে ক্লিক করে আপনার ফটো বা ভিডিও আপলোড করতে হবে।

    ইনস্টাগ্রামে কীভাবে লাইক এবং ফলোয়ার বাড়ানো যায়?

    ইনস্টাগ্রাম একটি খুব জনপ্রিয় সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ এটিতে সক্রিয় থাকে। যদি আমরা একা বাংলাদেশের কথা বলি তবে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে Instagram ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি।

    এই প্ল্যাটফর্মে, বিশ্বে 1 বিলিয়ন মানুষ মাসিক সক্রিয়, তাই আপনি এটি কতটা জনপ্রিয় তা অনুমান করতে পারেন।
    প্রত্যেকেই চায় তাদের প্রোফাইল প্রচুর ফলোয়ার হোক। তবে ইনস্টাগ্রামে কীভাবে আপনার ফলোয়ার বাড়ানো যায় তা আপনি জানেন না। এই কারণেই এই নিবন্ধে আমরা আপনাকে বলব কীভাবে আপনি আপনার অনুগামীদের বৃদ্ধি করবেন।

    জানুন – ফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার উপায়

    কীভাবে ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার বাড়ানো যায়?

    প্রত্যেকেই ইনস্টাগ্রামে আরও বেশি ফলোয়ার থাকতে চায় তবে এটি এত সহজ নয়। এই নিবন্ধে, আমরা আপনাকে আপনার ইনস্টাগ্রাম অনুসারীদের বাড়াতে কিছু উপায় বলছি, যাতে আপনি আপনার অনুগামীদের প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন।

    আমরা আপনাকে আপনার Instagram Follower বাড়ানোর জন্য অনেকগুলি উপায় বলব । আপনার এই সমস্ত পদ্ধতি একবার ব্যবহার করে দেখুন এবং কোনও সমস্যা আছে কিনা তা নীচে মন্তব্য করুন এবং জিজ্ঞাসা করুন।

    1. Unique content পোস্ট করুন

    বিভিন্ন সামগ্রী পোস্ট করুন, যা সর্বোত্তম, লোকেরা যদি তা দেখেন তবে বাহ! আপনি যদি নিজের Photo আপলোড করতে যাচ্ছেন, তবে আপনার ছবিটি ভাল, আপনি কীভাবে সেই ফটোতে পোশাক পেলেন, ব্যাকগ্রাউন্ড, ক্যামেরা কীভাবে ভালো হবে ইত্যাদি বিশেষ যত্ন নিন এটি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।

    ২. Hashtag ব্যবহার করুন

    Hashtag সঠিক ব্যবহার আপনার ফটোগুলি এবং ভিডিওগুলিকে প্রচুর পাবলিক ব্যস্ততা দেয়। হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করার আগে এই বিষয়গুলি মনে রাখবেন।

    দীর্ঘ কীওয়ার্ড সহ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। উদাহরণস্বরূপ: # প্রাকৃতিক চিত্রগ্রাহক যেমন হ্যাশট্যাগগুলির পরিবর্তে # Nature # Photograpy এই জাতীয় hashtag ব্যবহার করেন।
    হ্যাশট্যাগগুলির সঠিক সংখ্যাটি ব্যবহার করুন। জনপ্রিয় হ্যাশট্যাগগুলি ব্যবহার করুন। যত বেশি জনপ্রিয় হ্যাশট্যাগ আপনার পছন্দ তত বেশি।

    ৩. আপনার Story গুলিতে Hashtag ব্যবহার করুন

    গল্পগুলিতে Hashtag গুলির পাশাপাশি আপনার বায়োতে ​​হ্যাশট্যাগগুলি ব্যবহার করুন। যদিও গল্প বা বায়োতে ​​হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে অনেকে আসে নি তবে এখনও এর কিছু সুবিধা রয়েছে।

    ৪. Caption লিখুন

    আপনি যত ভাল Caption লিখবেন তত বেশি লোক আপনাকে পছন্দ করবে। ক্যাপশন আপনার মতামত প্রকাশ করে, আপনার মতামত যদি সঠিক হয় তবে লোকেরা আপনার ভক্ত হয়ে উঠবে। ক্যাপশন এবং যে ছবি বা ভিডিও আপলোড করা হয়েছে তার মধ্যে সম্পর্ক থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। আপনি পার্টির ফটো আপলোড করে ক্যাপশনে স্বামী বিবেকানন্দের জিয়ার চিন্তাভাবনা লিখেছেন তা নয়।

    5. Location Geotag

    ফটো আপলোড করার সময় লোকেশনটি Tag করার বিষয়টি নিশ্চিত করুন, এটি অনেক সাহায্য করে, বলুন যে আপনি লাদাখ দেখতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে Photo তোলেন এবং যখন আপনি এই ফটোটি আপলোড করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে এটিতে অবস্থান যুক্ত করতে হবে, যখন কোনও ব্যক্তি তা ঘটবে আপনি যদি Instagram লাদাখ লিখে লিখে অনুসন্ধান করেন তবে আপনার ছবিটি পোস্টের ফলাফলগুলিতেও দেখা যাবে, লোকেরা এটি দেখতে পাবে এবং যদি তারা এটি Like করে তবে তারা এটি Like করতে পারে।

    6. নিয়মিত ছবি / ভিডিও শেয়ার করুন

    আপনি যদি নিজের দ্বারা ভাগ করা ফটোগুলির ভিডিওগুলিতে পছন্দগুলি বাড়াতে চান তবে একটি নিয়মিত ছবি বা ভিডিও পোস্ট করুন, এটি আপনার পোস্টগুলির সর্বজনীন ব্যস্ততা বাড়িয়ে তুলবে এবং প্রচুর পছন্দও পাবে।

    কোনও ফটো বা ভিডিও ভাগ করার সময়, আপনার ফটো বা ভিডিওতে আপনি কখন সবচেয়ে বেশি পছন্দ পাবেন তাও মনে রাখবেন। সাধারণত সবাই সন্ধ্যার সময় সবচেয়ে বেশি পছন্দ পান likes

    7. অন্যের পোস্টে লাইক ও কমেন্ট করুন

    অন্যান্য পোস্টে লাইক এবং কমেন্টআমাদের পোস্টগুলিতে পছন্দগুলি বৃদ্ধি পায় এবং Follower বৃদ্ধি পায়। আপনি অন্যের পোস্টগুলিতে যত বেশি পছন্দ এবং মতামত করবেন আপনার অনুগামী এবং পছন্দগুলি তত বাড়বে, কারণ আপনি যখন কারও ফটোতে মন্তব্য করবেন বা পছন্দ করবেন তখন বিজ্ঞপ্তিটি সেই সহকর্মীর কাছে চলে যায় এবং অবশ্যই তিনি আপনার প্রোফাইলটি খুলবেন এবং এটি দেখতে পাবেন (আমি এখানে সেলিব্রিটিদের সম্পর্কে কথা বলছি না) এবং আপনার Photo গুলিও তিনি পছন্দ করবেন এমন অনেক সম্ভাবনা রয়েছে।

    প্রো টিপস: আপনি চেনেন এমন কোনও ব্যক্তির প্রোফাইল খুলুন এবং এর 10-12 ফটোগুলি পছন্দ করুন, আপনি নিজেই ফলাফলটি দেখতে পাবেন, আমাকে বলার দরকার নেই।

    ৮. আপনার ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ারদের মাইন্ডসেট পোস্ট করুন

    আপনার ফলোয়ারদের পোস্টগুলি ভাগ করুন যা আপনার অনুসরণকারীরা ফটো বা ভিডিও লাইক করুন। এবং আপনাকে এই পোস্টে মন্তব্য করা, এই কাজে আপনাকে সহায়তা করবে। সামগ্রীগুলি আপনার পছন্দগুলি বাড়ানোর জন্য আপনার অনুসরণকারীদের পছন্দটিকে একদম পছন্দ করুন।

    9. আপনার ফলোয়ারদের প্রোফাইল খুলুন এবং দেখুন
    আমি কেন আপনার ফলোয়ারদের প্রোফাইল দেখতে বলছি কারণ আপনার অনুসরণকারীদের সম্পর্কে আপনার সহজে উপলব্ধি হবে এবং আপনার অনুসারীরা কী ধরণের উপকরণ ভাগ করে তা আপনি জানতে পারবেন, সুতরাং এইভাবে আপনি আপনার অনুসারীদের অনুসরণ করতে সক্ষম হবেন এবং আমরা ভাল সামগ্রী সরবরাহ করতে সক্ষম হব।

    10. বিঙ্গাপন ব্যবহার করা

    আপনি আপনার প্রোফাইলের জন্য বিজ্ঞাপন চালাতে পারেন, এটি আপনার প্রোফাইলে প্রচুর সংখ্যক লোককে নিয়ে আসবে এবং আপনার প্রোফাইল অনুসরণ করবে।

    জানুন – মোবাইল অতিরিক্ত গরম হওয়ার কারণ

    ইনস্টাগ্রামে কীভাবে লাইক বাড়ানো যায়

    Instagram মানে কী এবং ইনস্টাগ্রাম কিভাবে ব্যবহার করতে হয় আশা করি আপনারা বোঝতে পেরেছেন। এখানে আমরা আপনাকে Instagram আপনার পোস্টে লাইক বাড়ানোর কিছু উপায় বলব। যা দিয়ে আপনি সহজেই আপনার ফটোতে লাইকের সংখ্যা বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

    ব্যক্তি যত বেশি পোস্ট পছন্দ করেন, তত বেশি ইনস্টাগ্রামে জনপ্রিয় হন। সুতরাং কে তাদের আপত্তি করবে না যে তাদের পোস্টগুলিতে পছন্দগুলি গণনা করা উচিত। আমরা উপরে উল্লিখিত সমস্ত উপায়ে পছন্দগুলি বাড়িয়ে তোলে তবে আপনার পোস্টগুলিতে পছন্দগুলি বাড়ানোর কিছু উপায় রয়েছে।

    1. হাই কোয়ালিটি ছবিতে ক্লিক করুন

    হ্যাঁ, ইনস্টাগ্রাম এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে প্রত্যেকে ফটো Share করে নেবে, এমন পরিস্থিতিতে আপনার ফটোতে সেরা ক্লিক করতে হবে, এর জন্য উচ্চ মানের ফটোগুলি থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ, তবেই লোকেরা আপনার ফটোগুলি দেখতে এবং পছন্দ করতে পারে।

    2. Consistent Filter use ব্যবহার করুন

    আপনি নিজের জন্য Like করেন এমন একটি বা দুটি Filter সর্বদা ব্যবহার করুন, এটি আপনার অনুগামীদের মধ্যে একটি ব্র্যান্ডিং তৈরি করবে এবং যখনই তারা তাদের ফিড স্ক্রোল করছে, তারা আপনার পোস্টটি দেখামাত্রই এটি সনাক্ত করবে এবং আপনার ফটোতে Like গুলি পাবে।

    3. ইনস্টাগের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করুন

    আপনার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সাথে লিঙ্ক করুন এবং ছবিটি ইনস্টাগ্রামে share করার সময়, এটি ফেসবুকে শেয়ার করুন, এটি আপনার ফেসবুক বন্ধুদের জানাতে দেবে যে আপনি ইনস্টাগ্রামে রয়েছেন এবং তারা ইনস্টাগ্রামে আপনার ছবি পছন্দ করবে এবং অনুসরণ করবে।

    4. জনপ্রিয় হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন

    আমি উপরের হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের সুবিধাগুলি উল্লেখ করেছি এবং হ্যাশট্যাগগুলি কীভাবে ব্যবহার করতে হয় তাও ব্যাখ্যা করেছি, ঠিক যেমন হ্যাশট্যাগের ব্যবহার অনুসারী বৃদ্ধি করে ঠিক তেমনি আপনার পোস্টে লাইকগুলিও বৃদ্ধি করে increase

    5. ট্যাগ লোকেশন ব্যবহার করুন

    ট্যাগ লোকেশন করতে ভুলবেন না। ফটো আপলোড করার সময় লোকেশনটি ট্যাগ করা আপনার ফটোতে পছন্দগুলি বাড়িয়ে তোলে। আপনার একটি ছবি আপলোড করেছেন, যেখানে আপনি নিজের মুম্বাইয়ের অবস্থানটি রেখেছেন এবং এখন যখন অন্য কেউ তাদের ইনস্টাগ্রামে মুম্বই অনুসন্ধান করবেন, তখন আপনার ছবিও অনুসন্ধানের ফলাফলগুলিতে উপস্থিত হবে।

    কীভাবে Instagram account হ্যাক হওয়া থেকে রোধ করা যায়

    ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের নিয়ম অবশ্যই আপনারা বুঝতে পেরেছেনঅ আপনার Instagram account সুরক্ষিত রাখা সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তবে আপনি যদি আগে থেকে সতর্ক হন তবে ভাল। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে ‘প্রতিকারের চেয়ে ভাল প্রতিরোধ’ এর অর্থ হ’ল আপনি যদি ইতিমধ্যে সতর্ক হন তবে কেউ আপনার ‍account hack করতে সক্ষম হবে না এবং আপনাকে বারবার চিন্তা করতে হবে না।

    1. Two Step Verification ব্যবহার করুন
    নিজেকে সুরক্ষিত রাখার সেরা উপায় হ’ল দ্বি-পদক্ষেপ যাচাইকরণ, সুতরাং কেউ যদি আপনার ব্যবহারকারী নাম এবং পাসওয়ার্ড জানেন তবেও তারা লগইন করতে পারবেন না। আপনি নিজের ইনস্টাগ্রাম সেটিংসে গিয়ে দ্বি-পদক্ষেপ যাচাইকরণ সক্ষম করতে পারেন।

    2. সর্বদা আপনার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন

    সর্বদা আপনার ইনস্টাগ্রাম আইডির password পরিবর্তন করে, কেউ আপনার প্রোফাইল হ্যাক করতে সক্ষম হবে না। পাসওয়ার্ড কয়েক মাসের মধ্যে পরিবর্তন করা আবশ্যক।

    3. ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড একটু থেকে আলাদা রাখুন

    ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের (Instagram account) পাসওয়ার্ড সকল social মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে আলাদা রাখুন।লোকেদের অভ্যাসটি প্রায়শই সর্বত্র একই পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হয়, আপনি যদি তাদের মধ্যেও থাকেন তবে এইভাবে কাজ বন্ধ করুন।

    কারণ যদি কেউ আপনার একটি password দেখে থাকে তবে সে আপনার সমস্ত সামাজিক মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হ্যাক করবে এবং আপনার ইনস্টাগ্রামটিও হ্যাক হয়ে যাবে এবং তারপরে সে আপনার ইনস্টা আইডিটির অপব্যবহার করতে পারে।

    4. কোন অজানা লিঙ্ক ক্লিক করবেন না

    কোনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম account হ্যাক হলে এটি সর্বাধিক। হ্যাকাররা জাল লিঙ্ক তৈরি করে আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে। সুতরাং মনে রাখবেন যে কোনও অজানা লিঙ্কটি কখনই ক্লিক করবেন না এবং ক্লিক করা সত্ত্বেও আপনাকে লগইন করতে বললে লগইন করবেন না। আপনি যদি তাদের সাথে একবারে লগইন করেন তবে আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হতে পারে।

    5. সর্বদা লগআউট

    অনেকেরই অভ্যাস থাকে যে তারা সর্বত্র তাদের অ্যাকাউন্টগুলি লগইন করে তবে লগআউট করতে ভুলে যায়। আপনি যদি এটি করেন তবে আপনার অভ্যাসটি পরিবর্তন করা উচিত কারণ আপনার অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত নেই, কেউ পারবেন না

    Instagram মানে কী এবং ইনস্টাগ্রাম কিভাবে ব্যবহার করতে হয় পোষ্টটি কেমন লাগলো তা কমেন্ড করে আমাদের জানান। আপনাদের দিঘায়ৃ কামনা করছি।

  • করোনা থেকে বাঁচার ১০ টি উপায় কি – ‍ajkerfact.com

    করোনা থেকে বাঁচার ১০ টি উপায় কি

    করোনা থেকে বাঁচার ১০ টি উপায়
    করোনা থেকে বাঁচার ১০ টি উপায়

    COVID-19: করোনা থেকে বাঁচার ১০ টি উপায় কি আপনাকে স্বাগত্বম। বিশ্বজুড়ে দেশগুলি করোনোভাইরাস কোভিড-১৯ (COVID-19) এর প্রকোপ পর্যবেক্ষণ করছে এবং এটি এড়ানোর উপায়গুলি পালন করার পরামর্শ  দিচ্ছে। যেহেতু করোনা ভাইরাস (coronavirus) এর ব্যাকসিন এখনও আবিষ্কৃত হয়নি তাই কোভিড ১৯ বা করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের সকলের সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। আজ আমরা আপনাকে করোন ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে ১০ টি টিপস দিব। করোনাকে এড়ানোর জন্য এখানে উল্লিখিত সুরক্ষা টিপসটি সাবধানতার সাথে পড়ুন এবং আপনার পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবকে এ সম্পর্কে জানান যাতে তারাও এটি সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।

    আমরা জানি এটি একটি আমাদের সকলের জন্য খুবই খারাপ সময়। লোকজন নিজের এবং তাদের পরিবারকে রক্ষা করতে তারা এখনই কী করতে পারে তা জানতে চায়। এই কারণেই আমরা আপনার সাথে করোনাকে থেকে মুুক্তির উপায় শেয়ার করে নিচ্ছি।

    এটি সত্য যে করোনার ভাইরাস দূরীকরণের সঠিক ওষুধটি এখনও তৈরি হয়নি এবং এটি বিশ্বব্যাপী দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তবে সাধারণ মানুষ যদি কিছু সচেতনতা (করোন ভাইরাস টিপস) যত্ন নেয় তবে করোনা প্রতিরোধ করা যেতে পারে। নিচে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

    আরও পড়ুন – coronavirus নভেল করোনা ভাইরাস কি, সর্তকতা, লক্ষন, বাচার উপায়

    আসুন এখন আমাদের করোনাভাইরাস টিপস সম্পর্কে জেনে নিন, যা এটিকে গ্রহণ করে আপনি কোভিড ১৯ বা করোনাভাইরাস থেকে বচতে পারবেন। তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে চলে যাওয়া যাক করোনা থেকে বাঁচার ১০ টি উপায় কি কি?

    করোনা থেকে বাঁচার ১০ টি উপায় কি – করোনা টিপস

    নভেল করোনাভাইরাস একটি মারাত্নক ব্যাধি। করোনা থেকে বাঁচার ঘরোয়া উপায় আগে আপনি জেনে নিন। সবার আগে আমরা আপনাকে আপনার নিজের এলাকার মধ্যে কী ঘটছে সে সম্পর্কে অবহিত থাকার এবং সর্বদা আপনার দেশ, জেলা এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশাবলী অনুসরণ করার পরামর্শ দেব।

    1. ঘন ঘন হাত ধোয়া

    করোনার ভাইরাস এড়ানোর সর্বোত্তম উপায় হ’ল আপনার হাত ঘন ঘন ধুয়ে ফেলা। আপনি যদি এমন কোনও অঞ্চল থেকে এসে থাকেন যেখানে করোনার ঝুঁকি বেশি থাকে, আপনার প্রতিদিন 5-10 বার আপনার হাত ধোয়া উচিত।

    কোনও বাহিরের মানুষের মানুষের সংস্পর্শে এলে, বাহির থেকে আসার পরে, বা দৌড়ানোর পরে, কাশি বা আপনার নাকে হাঁচি দেওয়ার পরে কমপক্ষে 20 সেকেন্ডের জন্য সাবান এবং জল দিয়ে আপনার হাত ঘন ঘন ধুয়ে নিন।

    যদি সাবান এবং জল সহজেই না পাওয়া যায় তবে কমপক্ষে 60% অ্যালকোহল সহ একটি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

    2. মুখ স্পর্শ করবেন না

    আপনার মুখটি বারবার হাত দিয়ে স্পর্শ করবেন না। প্রায়ই কিছু লোক এটি করেন যা বার বার মুখের উপর হাত রেখে থাকে। আপনার যদি এরকম অভ্যাস থেকে থাকে তবে আপনাকে এটি অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

    শুধু এটিই নয়, আপনাকে নিজের মুখ অন্যের হাত থেকে বাঁচাতে হবে। এটির জন্য আপনার চোখ, নাক বা মুখ অযাচিত হাতে স্পর্শ করা থেকে রক্ষা করুন।

    3. মাক্স ব্যবহার করুন

    যদি আপনার অঞ্চলে আরও করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় তবে আপনার একটি মুখোশ ব্যবহার করা উচিত। মাক্স বা মুখোশ ব্যবহার করার ফলে বিভিন্ন জীবাণু মুখ এবং নাকের মধ্যে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়।

    অসুস্থ হলে ফেসমাস্ক পরুন। আপনি যখন অন্য লোকের আশেপাশে থাকেন (যেমন কোনও ঘর বা যানবাহন) এবং কোনও স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহকারীর অফিসে প্রবেশের আগে আপনাকে অবশ্যই একটি ফেসমাস্ক পরতে হবে।

    4. নিরাপদ দূরত্ব রাখুন (সোসাল ডিসস্টেনসিং)

    যখনই আপনি কারও সাথে মুখোমুখি কথা বলুন, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। সম্ভব হলে মুখোমুখি কথা বলা এড়িয়ে চলুন। আপনি এটি না করে ফোনে কথা বলতে পারেন।

    আপনি যদি প্রকাশ্যে যেতে চান, তবে অন্যের থেকে প্রায় ছয় ফুট দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করুন। বা সম্ভব হলে বাইরে যাবেন না।

    5. বেশি জনবহুল স্থান এড়ানো উচিত

    যদি আপনি 10 বা ততোধিক লোকের সমাবেশকে এড়িয়ে যান তবে এটি খুব ভাল জিনিস। যদি সম্ভব হয় এবং প্রয়োজনীয় না হয় তবে বাড়িতেই থাকুন। বন্ধু বা আপনি রিলেটিভের সাথে যোগাযোগ করতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারেন।

    6. অসুস্থ ব্যক্তিদের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এড়িয়ে চলুন।

    কারও কারওর ধৈর্য থাকলে তার খুব কাছাকাছি যাওয়া এড়িয়ে চলুন, সম্ভব হলে মুখোশ এবং অন্যান্য সুরক্ষামূলক পোশাক ব্যবহার করুন এবং অসুস্থ হলে ঘরেই থাকুন এবং চিকিত্সা বিভাগে যোগাযোগ করুন।

    7. কাশির সময় জন্য কনুই ব্যবহার করুন

    আপনি যখন কাশি বা হাঁচি ফেলেন, আপনার নাক এবং মুখটি টিস্যু দিয়ে coverেকে রাখুন, ব্যবহৃত টিস্যুগুলি আবর্জনায় ফেলে দিন। আপনার যদি কোনও টিস্যু পেপার না পাওয়া যায় তবে আপনার হাতটি নয় কনুই বা হাতা।

    8. পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার যত্ন নিন

    পৃষ্ঠতল যদি নোংরা হয় তবে এগুলি পরিষ্কার করুন। জীবাণুমুক্ত করার আগে ডিটারজেন্ট বা সাবান এবং জল ব্যবহার করুন। ঘরের দেয়াল, মেঝেটি সঠিকভাবে পরিষ্কার করুন।

    সময়মতো গোসুল করুন, আপনার কাপড় পরিষ্কারের দিকেও খেয়াল রাখুন।

    9. আপনি অসুস্থ বোধ করলে বাড়িতেই থাকুন

    আপনি যদি মনে করেন আপনার এই রোগ আছে তবে ঘরে বসে চিকিসা বিভাগকে অবহিত করুন। আপনি যদি মনে করেন যে এই রোগটি আপনার অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে, তবে বাড়িতেও থাকুন।

    বাড়িতে থাকা বিরক্তিকর হতে পারে তবে আপনার পরিবারকে করোনার ভাইরাস থেকে রক্ষা করতে আপনাকে নিরাপদে থাকতে হবে।

    10. ডাক্তারের সাহায্য নিন

    সিডিসির মতে, COVID-19 এর লক্ষনগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং কাশি। এর লক্ষণগুলি এক্সপোজারের 2-14 দিন পরে প্রদর্শিত হতে পারে। করোনার লক্ষন গুলোর মধ্যে বিশেষ লক্ষন হচ্ছে নিউমুনয়া।

    আপনি যদি মনে করেন যে আপনি COVID-19 এর সংস্পর্শে এসেছেন এবং লক্ষণগুলি আপনার আছে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শের জন্য ডাকুন।

    করোনা আপডেট বাংলাদেশ জানতে বা করোনা নিউজ জানতে ভিজিট করুন – https://corona.gov.bd/

    দ্রষ্টব্য: – করোনার বিষয়ে সচেতন থাকুন এবং এর থেকে ভয় পাবেন না, যে কোনও ক্ষেত্রেই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন, নিজে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। করোনা থেকে বাঁচার ঘরোয়া উপায় গুলো আশা করি আপনাদের অনেক ভালো লাগলো। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের উপায় গুলো যদি আপনারা মেনে চলেন তবে আমাদের সকলেই কোভিড-১৯ (COVID-19) বা নভেল করোনাভাইরাস সহজেই প্রতিরোধ করতে পারব।

    করোনা থেকে বাঁচার ১০ টি উপায় কি পোষ্টটি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের সচেতন করে তুলুন। 

  • করোনা ভাইরাস কিভাবে পরীক্ষা করা হয় – ajkerfact.com

    করোনা ভাইরাস কিভাবে পরীক্ষা করা হয়

    করোনা ভাইরাস কিভাবে পরীক্ষা করা হয়
    করোনা ভাইরাস কিভাবে পরীক্ষা করা হয়

    কোভিড-১৯
    : *করোনাভাইরাস*করোনা ভাইরাস কিভাবে পরীক্ষা করা হয়পোষ্টে আপনাদের স্বাগত্বম। করোনার ভাইরাস কেবল বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্ব জুড়ে ব্যাপক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে। এই ভাইরাসের কারণে বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ কোয়ারান্টাইন হয়ে গেছে, মানে একজনের কাছ থেকে অন্যজন অলাদা জীবনযাপন করেছে। চীনের এই ভাইরাস পুরো পৃথিবী জুড়ে সমস্যার সৃষ্টি করেছে এখন বাংলাদেশেও এর প্রভাব বিস্তার করেছে। করোনাভাইরাস পরীক্ষা সর্বত্র চলছে, আপনি কি জানেন এই করোনা ভাইরাস কিভাবে পরীক্ষা করা হয়? যদি তা না হয় তবে আসুন জেনে নিই করোনা ভাইরাস কিভাবে পরীক্ষা করে
    COVID-19 বা করোনা ভাইরাস (coronavirus) একটি মারাত্বক ব্যাধি। কেবল করোনার বিষয় নয়, সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার। আজ এই পোষ্টে আমরা আপনাকে করোনার সাথে সম্পর্কিত অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। কোভিড-১৯ বা করোনার লক্ষণগুলি কি এবং কিভাবে এর সংক্রমণ পরীক্ষা করা হয়। করোন ভাইরাস লক্ষণ এবং পরীক্ষা / coronavirus symptoms and test নিয়েও আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব।

    নভেল করোনা ভাইরাস  / coronavirus

    আসুন আগে জেনে নেওয়া যাক নভের করোনাভাইরাস কি (What is Novel coronavirus)? এবং করোনা ভাইরাস কিভাবে পরীক্ষা করা হয়

    করোনার ভাইরাস কী?

    করোনা একটি বিপজ্জনক ভাইরাস। করোনার আরেকটি নাম এনসিওভি । এর অর্থ লাথিন ভাষায় মুকুট। আসলে, করোনা নামের এই ভাইরাসের কাঠামোর নখের মতো একটি মুকুট রয়েছে, তাই *করোনা* নাম দেওয়া হয়েছিল। আসলে দেখতে এটিকে কদম ফুলের মতো মনে হয়।
    এই করোনা একট ভাইরাসজনিত পরিবারের অন্তর্ভুক্ত যা খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সর্দি, কাশি এবং শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা রয়েছে। এর প্রধান লক্ষনের মধ্যে রয়েছে নিউমুনিয়ার লক্ষন। আপনি যদি করোনা সর্ম্পকে আরও তথ্য জানতে চান, তবে আমাদের নিম্নলিখিত পোষ্টটি পড়ুন,

    করোনাভাইরাসের লক্ষণগুলি:

    করোনার লক্ষন গুলোর সম্পর্কে আগে একনজর পড়ে নিন

    1. মাথা ব্যাথা
    2. নিউমুনিয়ার মতো লক্ষন।
    3. সর্দি ও কাশি
    4. গলা ব্যথা
    5. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া।
    6. শ্বাসযন্ত্রের মর্মপীড়া
    7. পেশীতে ব্যাথা হওয়া।
    8. জ্বর এবং ক্লান্তি

    করোনার লক্ষণগুলি কীভাবে প্রদর্শিত হবে:

    কোভিড- ১৯ বা করোনার ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর প্রথমে জ্বর হয়, তারপরে শুকনো কাশি হয়। ১ সপ্তাহ পরে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। ক্রমাগত পেশীতে ব্যাথা আসে। coronavirus নিউমোনিয়াজনিত কারণে এর জ্বর কিডনিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

    করোনা ভাইরাস কিভাবে পরীক্ষা করা হয়? (করোনা টেস্ট)

    এখন আমি আপনাকে খুব সহজ বাংলা ভাষায় ব্যাখ্যা করব করোনা টেষ্ট কিভাবে করে। এটি আপনার পক্ষে বোঝা খুব জরুরি, যাতে আপনার যখন এই পরীক্ষাটি করতে হয়, তখন আপনার কোনও সমস্যা হয় না। করোনা সর্ম্পকে সিঠিক জ্ঞান আমাদের সকলের থাকলে আমরা সহজেই এর থেকে প্ররিত্রাণ পেতে পারি।

    আসলে, করোনার পরীক্ষা বা করোনা টেষ্ট দুটি পর্যায়ে করা হয়:

    1. প্রিলিমস পর্যায়।
    2. চূড়ান্ত পর্যায়।

    প্রথম পর্যায়ে বা প্রিলিমস পর্যায়ে লক্ষণগুলি দেখে, অনুমান করা হয় যে এই ব্যক্তি সংক্রমণের জন্য সংবেদনশীল। ২য় পর্যায়ে শনাক্ত করা হয় করোনা পজেটিভ।

    আমাদের বাংলাদেশের লোকেদের ডায়াগনস্টিক টেস্ট করার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করছে এবং এই সংযোগে, সারাদেশে কোরোনা টেষ্ট করা হচ্ছে।

    প্রিলিমস পরীক্ষা কেমন হয়?

    করোনা সন্দেহে প্রত্যেককে প্রিলিমস পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয় না। যাদের মধ্যে লক্ষণ রয়েছে কেবল তাদেরই এই পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। যেমন জ্বর, গলা ব্যথা, কাশি ও সর্দি, শুকনো কাশি, শরীরে ব্যথা ইত্যাদি

    সংক্রামিত দেশে ভ্রমণ করে ফিরে আসা লোকেদেরকে এখানে পাঠানো হয়। চীন, ইতালি, ইরান, জাপান ইত্যাদি সংক্রামিত দেশগুলি তাদের স্ক্রিনিং সম্পন্ন হয়েছে।

    এছাড়াও, যদি কোনও করোনা পজেটিভ ব্যক্তির আশেপাশের লোকদের পরীক্ষা করা হয়, তবে এই লোকগুলির পরীক্ষার পরে, নমুনাগুলি নিকটতম ল্যাবগুলিতে প্রেরণ করা হয়।

    করোনা ভাইরাস কিভাবে পরীক্ষা করে?

    যাইহোক, এই করোনা সংক্রমণটি পরীক্ষা (corona test) করার জন্য এখনও কোনও শক্ত পরীক্ষার কিট এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। তবে চিকিৎসকরা শ্লেষ্মা বা রক্ত ​​পরীক্ষার মাধ্যমে এই সংক্রমণটি সনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।

    করোনাপরীক্ষাগুলিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে,

    সোয়াব টেস্ট: এই পরীক্ষায় তুলার টুকরোটি গলা বা নাকের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয় এবং তা থেকে শ্লেষ্মার নমুনা নেওয়া হয়।

    নউজ অ্যাসপিরেট:২ম পরীক্ষাটি নাকের অ্যাসপিরেট, যার মধ্যে একটি স্যালাইনের দ্রবণ প্রস্তুত করে নাকে দেওয়া হয়। এরপরে নমুনাটি ল্যাবে প্রেরণ করা হয়।

    ট্র্যাচিয়াল অ্যাসপিরেট: ৩য় পরীক্ষাটি হ’ল ট্র্যাচিয়াল অ্যাসপিরেট, যার মধ্যে ব্রঙ্কোস্কোপ (একটি পদ্ধতি যা ফুসফুসের শ্বাসনালীর অভ্যন্তরে দেখা যায়) ফুসফুসে প্রবেশ করানো হয়।

    কত দিন করোনা টেষ্টের ফলাফল আসে?

    এই সকল পরীক্ষাগুলোর ফলাফল দিতে কিছুটা সময় নেয়। অনেক ল্যাবগুলি ১০ ঘন্টার মধ্যে প্রতিবেদন তৈরি করে।

    এই করোনা টেষ্টগুলো কি সঠিকভাবে নির্নয় করতে পারে?

    যেহেতু আমাদের কোনও টেস্ট কিট নেই। যে কারণে এই পরীক্ষাগুলি সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাস করা যায় না। তবে এই পরীক্ষাগুলি ব্যাপক পরিমানে ব্যবহ্রত হচ্ছে।

    PCR পরীক্ষা কী?

    পলিমারগুলি হ’ল এনজাইমগুলি যা আমাদের DNA পরীক্ষা করে অনুলিপি তৈরি করে। এই চেইন বিক্রিয়ায়, ডিএনএ অংশগুলি খুব দ্রুত অনুলিপি করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি এভাবে চলে। SARS-COV-2 ভাইরাসটি RNA নয়, আরএনএ দ্বারা তৈরি।

    এজন্য পরীক্ষার সময় এটি প্রথমে DNA তে রূপান্তরিত হয়। আরএনএকে ডিএনএতে রূপান্তর করার কৌশলটিকে বিপরীত ট্রান্সক্রিপশন বলা হয়। যদি কোনও রোগীর নমুনায় ভাইরাসটির ডিএনএ বা আরএনএর সাথে সাদৃশ্য থাকে তবে Corrona Positive হিসাবে বিবেচিত হয়।

    অর্থাৎ, করোনার জিনগত উপাদানগুলি প্রথমে পরীক্ষা করা হয়, ডিএনএতে রূপান্তরিত হয়, তারপরে রোগীর নমুনার সাথে মিলিয়ে দেখা হয়।

    করোনার ফাইনাল টেষ্ট কিভাবে করা হয়:

    করোনা ভাইরাস কিভাবে পরীক্ষা করে তা আপনারা কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন। প্রিলিমসগুলিতে এটি নির্ধারিত হয় যে রোগী করোনা পজিটিভ কিনা। এখন, এটি নিশ্চিত করতে, রোগীর নমুনা চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়।

    এই নমুনা পরীক্ষাটি করোনার SARS-COV-2এর জিন সিকোয়েন্সের সাথে মিলিত হয়েছে। যদি এখানে টেস্ট পজিটিভ পাওয়া যায় তবে করোনা পজিটিভ রোগীর বিষয়টি শনাক্ত করে

    এই প্রক্রিয়া কতক্ষণ লাগবে?

    এই প্রক্রিয়া আগে ৫ ঘন্টা সময় লাগত তবে এখন রিয়েল টাইম পিসিআর নমুনাগুলি পরীক্ষা করতে নেওয়া সময়কে ২৪ ঘন্টা কমিয়েছে।

    করোনভাইরাসকে এভাবেই পরীক্ষা করা হয়। যদি আপনার মধ্যে করোনার কোন লক্ষন থাকে তবে হেল্পলাইনটি  কল সেন্টারে কল সেন্টারে কল করুন। বাংলাদেশে যেকোনো স্থান থেকে করেনার তথ্য জানতে ৩৩৩ নাম্বারে কল করুন।

    • করোনা আপডেট বাংলাদেশ বা করোনা নিউজ জানতে ভিজিট করুন – https://corona.gov.bd/

    করোনা প্রতিরোধে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলুন:

    • পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। 
    • বেশি প্রয়োজন না হলে ঘর থেকে বের হবেন না।
    • হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।
    • সংক্রামিত ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকুন।
    • হাসপাতালে যাওয়ার আগে হ্যাল্প সেন্টারে কল করুন বা কথা বলুন।
    • বাহিরে বের হলে মাক্স ব্যাবহার করুন।

    এখানে আমরা করোনভাইরাস পরীক্ষা বা করোনা টেষ্ট (corona test) সম্পর্কে কথা বলছি, সুতরাং আপনি যদি এর সাথে সম্পর্কিত আরও কিছু জানতে চান তবে আমাদের পোষ্টটি পড়ুন, করোনা থেকে বাচঁতে ১০ টি টিপস।

    শেষ কথা:

    বন্ধুরা, এই পোষ্টে আমরা আপনাকে করোনার ভাইরাস পরীক্ষা সম্পর্কিত তথ্য দিয়েছি। করোনভাইরাস পরীক্ষার পাশাপাশি কিভাবে করোন প্রতিরোধ করা যায় সে সর্ম্পকে আলোচনা করেছি। করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর লক্ষনগুলো আপনাদের বলেছি। এই পোষ্টের মাধ্যমে, আমরা আপনারা সবাইকে যতটা সম্ভব নিজেকে সোসাল ডিসটেনসিং এবং সকলকে সচেতন হবার জন্য আবেদন করছি।

    আশা করি, করোনা ভাইরাস সর্ম্পকিতকরোনা ভাইরাস কিভাবে পরীক্ষা করা হয় পোষ্টটি আপনাদের ভালো লাগলো। এই পোষ্টটি আপনার বন্ধুরা, পরিবার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন যাতে অন্যান্য লোকেরাও এটি সম্পর্কে সচেতন হতে পারে। আপনাদের দির্ঘায়ু কামনা করছি।

  • পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায় – ajkerfact

    পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায়

    পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায়
    পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায়

    how to lose belly fat : পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায় পোষ্টে আপনাদের স্বাগতম। আপনার পেটে অতিরিক্ত চর্বি বলে আপনি কি সমস্যায় ভোগছেন? আপনি কি অনেক পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন? আপনি বিভিন্ন ধরণের ওষুধও ব্যবহার করেছেন তবে উপকার পাননি! তাই আমাদের আজকের Post আপনার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। যাতে আমরা আপনার পেটের চর্বি কমানোর সহজ উপায় বলব। তাহলে আসুন জেনে নিই পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায় কি কি?

    প্রায়ই দেখা যায় যে মানুষের খাবার বা পানীয় সরাসরি তাদের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত তৈলাক্ত বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে পেটের চর্বি বা মেদ বেড়ে যাওয়ার সমস্যাটি সাধারণ হয়ে উঠেছে। আজ যে Tips টি আপনাদের সাথে Share করব তা যদি ঠিক ভাবে পালন করেন তবে ৭ দিনে মেদ কমানোর উপায় পেয়ে যাবেন।

    পেটের মেদ বৃদ্ধি সমস্যাগুলি সেই ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বেশি, যারা প্রায়ই চেয়ারে বসে অফিসে কাজ করেন। এ জাতীয় বেশিরভাগ লোককে অসুস্থ দেখা যায় কারণ বসার কারণে তাদের খাবার হজম হয় না। যার কারণে বুড়ি বেরিয়ে আসে।
    লোকজন আজকের যুগে অলস হয়ে উঠছে যার কারণে পেটের মেদ সমস্যা বাড়ছে। কোমরের চর্বি সমস্যা কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক মেশিনও পাওয়া যায়। অনেকে আবার মেদ কমানোর ওষুধ খেয়েও চেষ্টা করেছেন। কিন্তু মেদ কমানোর ওষুধ খেয়েও ভালো হচ্ছে না ।

    তবে এই বৈদ্যুতিন মেশিন ব্যবহার করে খুব কম লোক উপকৃত হন। আপনার সুন্দর শরীরের মেদ পুরো চেহারাটি নষ্ট করে দেয়। তাই আমদের ব্লগ সাইট আজকে আপনাদের জন্য পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায় নিয়ে হাজির হয়েছে।

    পেটের চর্বি কমানোর সহজ উপায়

    আপনি যদি পুরু , আপনি আপনার ওজন এবং পেটের মেদ কমাতে পারেন। আপনি যদি এই সমস্যা থেকেও সমস্যায় পড়ে থাকেন তবে এই পোষ্টে উল্লিখিত টিপস এবং পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করুন। ৭ দিনে আপনার মেদ বা ভুড়ি কমে যাবে

    পেটের চর্বি বা মেদ বাড়ার কারণগুলি

    সবার আগে জেনে নিন পেটের মেদ এবং শরীরের ওজন বাড়ানোর কারণ কী। কারণ যখন সমস্যার মূল জানা যায় তখন এটি সমাধান করা সহজ। পেটের চর্বি কমানোর সহজ উপায় কি কি নিয়ে আজ বিস্তারিত আলোচনা করব

    • সঠিক সময়ে খাবেন না
    • অতিরিক্ত খাওয়া
    • ঘুম না হওয়া।
    • ধূমপান এবং অ্যালকোহল সেবন
    • ফাস্টফুড খাওয়া
    • রাত জেগে থাকা
    • সর্বদা কিছু খাওয়া
    • পরিশ্রম ছাড়া কাজ করা

    এই কারণগুলির জন্য, মেদ বের হয়, যা প্রাথমিকভাবে লোকেরা এড়িয়ে যায়, তবে ধীরে ধীরে এটি একটি সমস্যা হয়ে ওঠে। সুতরাং আসুন এখন এটি কীভাবে হ্রাস করা যায় তা জেনে নেওয়া যাক –

    পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায়

    ফ্যাট কোনওভাবেই আমাদের দেহের পক্ষে উপকারী নয়, ফ্যাট হ্রাস করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ফ্যাট অভাব আপনাকে অন্যান্য রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতেও সহায়তা করতে পারে। এখন আমরা ৭ দিনে মেদ কমানোর উপায় গুলো শেয়ার করব। এই টিপসগুলো এপ্লাই করলে ১ সপ্তাহে আপনার পেট কমে যাবে

    পেটের মেদ বাড়ার কারণে আমাদের শরীরে কিছু হরমোন দুর্বল হয়ে যায় যা হাড়কে দুর্বল করে তোলে এবং হার্টের সমস্যাও বাড়িয়ে তোলে।

    এখানে আমরা আপনাকে কিছু মেদ বা ভুড় কমানোর ঘরোয়া টিপস দিব, যার মাধ্যমে আপনি নিজের মেদ কমাতে পারেন। বাংলায় ৭ দিনে মেদ কমানোর উপায় ৯ টি টিপস

    1. ব্যায়াম করুন

    পেটের চর্বি হ্রাস করা সহজ নয় তবে এটিও কঠিন নয়। ব্যায়াম করার মাধ্যমে আমরা সহজেই আমাদের পেটের মেদ দূর করতে পারি।

    এটি সহজ যখন আপনি ব্যায়াম করবেন, আপনি ঘামবেন। এর অর্থ আপনার শরীর গরম থাকবে। ঘাম খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি নিশ্চয়ই দেখেছেন যে যে ব্যক্তি অতিরিক্ত মাত্রায় ঘাম হয় তার শরীরের ফ্যাট খুব কম থাকে।
    শরীরের ফিটনেস এবং শরীরকে আকর্ষণীয় দেখাবার জন্য ব্যায়াম বা এক্সারসাইজ হলো হ’ল সর্বোত্তম উপায়। ব্যায়াম বা এক্সারসাইজ ছাড়া আপনার মোটেই উপকৃত হবে না। কিন্তু আমি দাবি করি যে আপনি যদি প্রতিদিন নিন্মোক্ত ব্যয়ামগুলো সঠিকভাবে করেন তবে আপনি অবশ্যই সময়মতো ফল দেখতে পাবেন।

    পেটের মেদ কমাতে আপনি এই ব্যায়ামগুলো করতে পারেন,

    1. স্কিপিং (Towing)
    2. প্রতিদিন কিছুক্ষন দৈড়ানো।
    3. জিম করা ইত্যাদি।

    আপনি যদি বৃদ্ধ হন, তবে আপনার এই সব ধরনের ব্যায়াম করা উচিত নয়। আপনি প্রতিদিন সকালে এবং সন্ধ্যায় অল্প কিছুক্ষন হাটাগোটি করেন। তার মানে সন্ধ্যা ও সকালে প্রতিদিন হাঁটতে যাওয়া অবশ্যই আপনাকে উপকৃত হবেন। ওজন ও মেদ কমাতে সাঁতার কাটতেও পারেন।

    2. করলার রস পান করুন

    পেটের চর্বি ও ভুড়ি কমাতে করলার রস খুব বিখ্যাত। তেতুলের রস খুব তেতো যা পান করা খুব শক্ত।

    তবে আপনি যদি সকালে করলার রস পান করেন এবং খালিপেটে প্রতিদিন এক গ্লাস পান করেন, তবে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে আপনি আপনার পেটের মেদ কমতে থাকবে। মনে রাখবেন যে কোনও কিছু খাওয়ার আগে আপনাকে প্রতিদিন করলার রস খেতে হবে।

    3. পেপেঁ খান:

    ওজন কমাতে কাঁচা পেঁপেও বেশি উপকারী। কাঁচা পেঁপে খেতেও তিক্ত, তবে কাঁচা পেঁপে খেতে সাহস করতে হবে।

    আপনি যদি প্রতিদিন খাবার খেয়ে পেঁপে খেতে চান তবে নিজের মতো করে পেঁপে খেতে পারেন। তবে যতটুকু মানানসই ততটুকুই খাবেন। ফ্যাট কমাতে পেঁপে বেশি কার্যকর।

    4.  রোজা রাখুন

    ওজন কমাতে করার রোজা রাখা খুব সহজ উপায়। এই জন্য, আপনাকে প্রতি সপ্তাহে 1-2 দিন রোজা রাখতে হবে। আপনি যদি সপ্তাহে 1 দিন রোজা রাখেন তবে আপনি আপনার চর্বি অনেকাংশে হ্রাস করতে পারবেন।

    রোজা মানে কিছু না খেয়ে সারাদিন ক্ষুধার্ত থাকা। আমি বলব এটি অত্যন্ত কঠিন তবে আপনি যদি আপনার চর্বি হ্রাস করতে চান তবে আপনাকে এটি করতে হবে। আপনি যদি অতিরিক্ত ক্ষুধায় ভুগেন তবে লেবুর জল খান, বা মিস্টি আলো খান। তবে আমাদের মুসলিম ভাইরা ১ মাস রোজা রাখেন। যারা একটু মোটা তারা যদি ১ মাস রোজা পালন করে তবে সহজেই মেদ বা ভুড়ি কমাতে পারে। আমাদের সকলকে মহান আল্লাহ তায়ালা রোজার রাখার তৈফিক দান করুক। আমিন।

    5. ভাজা খাবার খাবেন না

    ভাজা খাবার খাওয়া আমাদের শরীরের ওজন বাড়ায় এবং একই সাথে এটি আমাদের শরীরে অতিরিক্ত চর্বি বাড়ায়। আপনি যদি অফিসে কাজ করেন তবে ভাজা জিনিস একেবারেই খাবেন না। তাছাড়া ভাজা জিনিস স্বাস্থ্যকর খাবার না।

    ভাজা খাবার খেলে অন্যথায় আপনার গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। ভাজা খাবারকে বলা হয় যা বেশি তেলে তৈরি বা রান্না করা হয়। ভাজা খাবার হজম করতে সময় লাগে। যার কারণে গ্যাস, পাকস্থলীতে ব্যথা, বদহজম, ফ্যাট লাভের মতো রোগ দেখা দিতে পারে।

    6. সবুজ শাকসবজি খান

    সবুজ শাকসবজি খাওয়া আমাদের শরীরকে সর্বদা ফিট এবং শক্তশালী রাখে। সবুজ শাকসবজির এমন কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আমাদের দেহের জন্য উপকারী। পায়খানা নরম রাখে, যাদের পাইলসের সমস্যা আছে তাদের সবুজ শাকসবজি খাওয়া প্রয়োজন।
    আপনি কি অতিরিক্ত চর্বিতে ভুগছেন? তাহলে আপনাকে সবুজ শাকসবজি বেশি পরিমানে খেতে হবে। কারণ সবুজ শাকসবজি খেলে চর্বি হ্রাস হয়। সবুজ শাকসব্জের অতিরিক্ত সেবন রক্ত ​​বৃদ্ধি করে।

    7. পুষ্টিকর খাবার খান:

    যদি আপনার খাওয়া-দাওয়া ঠিক থাকে তবে আপনার কখনও পেটের কোনও রোগ হবে না। আপনার খাবারে কেবলমাত্র প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।
    যেমন মটর, কাঁচা বাঁধাকপি, সয়াবিন, সবুজ শাকসবজি, রাজমা ডাল, পুষ্টিকর ফল ইত্যাদি এই জিনিসগুলি খেয়ে আমরা শীঘ্রই ক্ষুধা অনুভব করি না। যা আমাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং চর্বি বাড়ায় না।

    8. লেবুর রস:

    আসলে আমাদের শরীরের জন্য লেবুর রস কতটা উপকারী তা বিশ্লেষন করা যাবে না। আপনি যদি নিয়মিত লেবুর রস পান করেন তবে আপনার মেদ বা ভুড়ি নিমিষেই কমে যাবে।

    9. স্বাভাবিক জীবন-যাপন করুন:

    মেদ বা ভুড়ি কমাতে স্বাভাবিক জীবন যাপনের কোন বিকল্প নাই । স্বাভাবিক জীবন-যাপন করলে আপনার মন ও শরীর ভালো থাকবে। ধূমপান করা থেকে বিরত থাকুন। সময়মত খাবার গ্রহন করুন। বাহিরের খোলা খাবার খাবেন না। অতিরিক্ত খাবার খাবেন না। নিয়মিত হাটাগুটি করুন। পরিশ্রম করুন। আশা করি আপনাদের সকল সমস্যা ভালো হয়ে যাবে। 

    শেষ কথা:

    পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায় পোষ্টের মাধ্যমে আমরা শিখেছি পেটের মেদ বাড়ার কারণগুলি, পেটের চর্বি কমানোর জন্য কিছু নিয়মিত ব্যায়াম এবং ৭ দিনে পেটের চর্বি কমানোর সহজ উপায় গুলো কি কি? আশা করি আপনদের পোষ্টটি ভালো লেগেছে। 
    পেটের চর্বি কমানোর ঔষধ থেকে বিরত থাকুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন আর মহান আল্লাহ্ তায়ালার উপর ভরসা রাখুন তবেই আপনার সব রোগ থেকে মুক্তি পেতে পরেন। আপনাদের জন্য দোয়া করি, আপনারে ভালো থাকেন আর আপনারও আমার জন্য দোয়া করবেন। ভালো থাকবেন সুস্থ্য থাকবেন আপনাদের ‍দির্ঘায়ু কামনা করছি। 
  • Google Assistant কি এবং কিভাবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করবেন – ajkerfact

    Google Assistant কি এবং কিভাবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করবেন

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট
    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট Google Assistant কি এবং কিভাবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করবেন আপানাদের সুস্বাগতম। আজ আমরা গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট কী এবং কিভাবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করব? সম্পর্কে এবং সম্পর্কে। আপনি কি কখনো এটা ব্যবহার করেছেন? আপনি গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট(Google Assistant) সম্পর্কে জানেন? যদি তা না হয় তবে এই Post পড়ার পরে আপনি গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের সম্পূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন।

    যদি আপনি গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট সম্পর্কে জানতে চান তবে আপনি সঠিক পোষ্টটি পড়ছেন। কারণ এখানে আমি আপনাকে জানাব গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট কি, এটি কীভাবে কাজ করে এবং আমরা কীভাবে এটি ব্যবহার করতে পারি।

    আপনার বুঝতেই পারছেন পৃথিবীতে প্রযুক্তি এগিয়ে গেছে। এখন আমরা বাড়িতে বসে অফিসের অনেকগুলি কাজ করতে পারি। যা আগে কখনও ভাবিনি, যেমন ঘরে বসে আবহাওয়া জেনে রাখা, বিশ্বে কী ঘটছে ইত্যাদি জানা যায়।

    আগে মোবাইলে আঙুলের সাহায্যে কোনোকিছু লিখতে হতো, তবে এখন আপনি কেবল আপনার ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে এই সমস্ত করতে পারি।

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট / Google Assistant

    ভয়েস ভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিটি কেবলমাত্র ইংরেজি চলচ্চিত্রগুলিতে দেখা গিয়েছিল, তবে এখন আমরা আমাদের ঘরে এই কৃত্রিম আনেক কিছু ব্যবহার করতে পারি।
    আজকের পোষ্টে আমরা Google Assistant কি এবং কিভাবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করবেন সে সর্ম্পকে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই পুরু পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আশা করি গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট সর্ম্পকে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট কী করতে পারে সব ডিটেল নিয়ে আজ আলোচনা করব

    গুগল অ্যাসিস্ট্যন্ট কি? (what is Google Assistant)

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট হ’ল Google দ্বারা নির্মিত একটি ভয়েস সহকারী যা আপনার ভয়েস শুনে কাজ করে।এটি মূলত মোবাইল এবং স্মার্ট ফোন ডিভাইসে পাওয়া যায়।

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের সাহায্যে আপনি অনেকগুলি কাজ খুব সহজেই করতে পারেন। যেমন আবহাওয়া সম্পর্কে জানতে, গুগলে কিছু সার্চ করতে, সংবাদ জানতে, অ্যালার্ম সেট করা, রাশিফল ​​দেখা ইত্যাদি। 
    এখন আপনি ভাবছেন যে এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন? তবে Google Assistant কোনও অ্যাপ্লিকেশন নয় বরং গুগল দ্বারা নির্মিত একটি বৈশিষ্ট্য যা প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড ফোনে পাওয়া যায়।
    এটি ২০১৬ সালে গুগলের সিইও সিই.ও “মিঃসুন্দর পিচাই” চালু করেছে। এর আগেও Google Voice এবং Google Now মতো Google এই জাতীয় অনেকগুলি ভয়েস অ্যাপস তৈরি করেছিল, তবে এটি আমাদের দেশে খুব বেশি বিখ্যাত হয়নি, কারণ এগুলি ব্যবহার করা খুব কঠিন ছিল না।
    এ কারণেই গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট (Google Assistant) বাংলা ভাষা এবং এখানে কথ্য ইংরেজি ভাষার কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছিল যাতে এখানকার লোকেরা সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারে এবং তারা এটি ব্যবহারে কোনও সমস্যায় পড়তে না পারে।
    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ভয়েস কমান্ডের পাশাপাশি পাঠ্য কমান্ডও গ্রহণ করে, তাই আপনি এটি উভয় কাজের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। আপনাকে কোন পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে হবে তা আপনার পছন্দের উপর নির্ভর করে।

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট কী করতে পারে?

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনার ভয়েস কমান্ড ভয়েস কমান্ড (Voice Command) শুনে এবং আপনার বলা কাজটি সম্পাদন করে। আপনি “ওকে গুগল” বা “হ্যালো গুগল” বা *হাই গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট* বলার সাথে সাথে এটি একটি উপায়ে একটিভ হয় এবং আপনার নির্দিষ্ট করা কাজটি সমাদা করে।
    এটি আপনার জন্য অনেক কাজ সহজ করে দেয়

    • Google Assistant বিশ্বের খবর আপনাকে বলতে পারে।
    • আবহাওয়া সম্পর্কে আপনাকে তথ্য দেয়।
    • ফোনের মিউজিক পরিবর্তন করতে এটি ব্যবহার করতে পারবেন।
    • Google সার্চ করতে গুগল অ্যাসিস্টেন্ট ব্যপক ব্যবহ্রত হয়
    • আপনাকে অনলাইন ভিডিও ইত্যাদি দেখাতে পারে
    • আপনি অনলাইনে প্রচুর জিনিস সম্পর্কে তথ্য সার্চ করতে পারেন, যেমন আপনি যদি দিকনির্দেশনা, আবহাওয়া, আবহাওয়া বা সংবাদ ইত্যাদি।
    • আপনি এটি দিয়ে আপনার ক্যালেন্ডার সম্পর্কে জানতে পারেন।
    • এটি আপনার ডিভাইস এবং স্মার্ট হোম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
    • আপনি আপনার মোবাইলে টাইপ করে যা কিছু করুন না কেন আপনি গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের সাথে কথা বলে সমস্ত কাজ করতে পারেন।

    Google Assistant কি এবং কিভাবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করবেন

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের কোন ডিভাইস রয়েছে?

    এমন অনেকগুলি ডিভাইস রয়েছে যার মধ্যে Google Assistant সুবিধা দেওয়া হয়। গুগলের অ্যাসিস্টেন্ট গুগলের পিক্সেল ফোনে প্রথম চালু হয়েছিল। তবে এখন এটি সমস্ত ডিভাইসে এটি পাওয়া যায়। 

    আপনার মোবাইল গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আছে কিনা তা কীভাবে জানবেন?

    এখন আপনি বুঝতে পেরেছেন যে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট এমন একটি প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ। তবে আপনি যদি আপনার ফোনে Google এই সেবাটি সরবরাহ করেছেন কিনা তা আপনি যদি না জানেন তবে আপনি সহজেই এটি পরীক্ষা করতে পারেন।
    আপনাকে যা করতে হবে তা হ’ল প্রথমে ডাটা কানেকশান নিতে হবে। তারপর ‘‘হ্যালো গুগল” বা ” ওকে গুগল” বা *হাই গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট* কয়েক সেকেন্ডের জন্য আপনার ফোনের হোম বোতাম টিপুন এবং ধরে রাখুন। আপনি আপনার ফোনের হোম বোতাম টিপানোর সাথে সাথে Google Assistant খুলবে, এর পরে আপনি এটি ব্যবহার করতে পারবেন। এর পরে, আপনি নিজের থেকে এটি সহজেই সেটআপ করতে পারেন।
    যাইহোক, গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলির কেবলমাত্র দুটি ভারশন এলো, Android Mrshmallow v6.0.0 এবং Android Nougat v7.0.0.

    আপনার যদি এই উভয় ভারশনে মোবাইল ফোন থাকে তবে আপনি সহজেই কোনও সমস্যা ছাড়াই গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করতে পারেন।

    আসুন আমরা দেখি গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট কোন ডিভাইসে Google Assistant ব্যবহার করা যায়,  যেসব ডিভাইসে Google Assistant ব্যবহার করা যায়।

    কিভাবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করবেন

    মোবাইল ফোনে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট (Google Assistant) সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় মোবাইল ফোনে। আপনি হযতো ভাবেছেন এটি শুধু অ্যান্ড্রয়েড ফোনে কাজ করে। তবে আপনারা ভুল করেছেন এটি আইফোনেও কাজ করে।

    গুগোল অ্যাসিস্ট্যান্ট আই লাভ ইউ:

    Google Assistant আসলে খুবই মজার একটি প্রোগ্রাম। যদি গুগল অ্যাসিস্ট্যোন্টকে আই লাভ ইউ বলেন তবে এটি আপনাকে রিপ্লে করবে। আই হ্যাট ইউ গুল লিখেন তবেও আপনাকে এটি রিপ্লে করবে।

    গুগল ম্যাপস অ্যাপ

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনাকে দিকনির্দেশও বলতে পারে এবং আপনি এই বৈশিষ্ট্যটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের পাশাপাশি আইওএস ডিভাইসেও পাবেন।

    আপনি আপনার ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে আপনার ইটিএ টি পরিবার বা আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

    গুগল হোম ডিভাইস

    আমরা Google হোমকে অ্যামাজন ইকো-এর প্রত্যক্ষ প্রতিযোগী হিসাবে বিবেচনা করতে পারি। এটি একটি ক্রোম কাস্ট স্পিকার যা ভয়েস নিয়ন্ত্রণ সহায়ক হিসাবে কাজ করে।

    অ্যান্ড্রয়েড টিভি

    আজকাল এমন অনেক অ্যান্ড্রয়েড টিভি রয়েছে যার মধ্যে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাস্টম করতে পারে। এছাড়াও অনেকগুলি নতুন নতুন সেট-টপ বক্স রয়েছে যা আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন।

    যদি আপনার টিভিতে গুগল Assistant সুবিধা থাকে তবে আপনি এটি আপনার ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে টিভিটি চালু / বন্ধ করতে, পাশাপাশি টিভির ভলিউম, চ্যানেল পরিবর্তন ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।

    এমন অনেক টিভি সংস্থা রয়েছে যা এই সুবিধা দিয়েছে যেমন সনি, ফিলিপস, টিসিএল, স্কাইওয়ার্থ, জিয়াওমি, তোশিবা ইত্যাদি

    হেডফোন বা ইয়ারফোন এ গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট:

    আজকাল, এই জাতীয় অনেক ওয়্যারলেস হেডফোন বা কানের ফোন বাজারে এসেছে, যেখানে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের সুবিধা দেওয়া হয়। এর জন্য, আপনাকে কেবল আপনার হেডফোনগুলিতে একটি বোতাম টিপতে হবে, তারপরে আপনি গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের মাধ্যমে আপনার কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন।

    আজকাল এমন অনেক কম্পানি রয়েছে যা এই জাতীয় হেডফোন তৈরি করছে যার মধ্যে গুগল সহকারী জেবিএল, সনি ইত্যাদি।

    গাড়িতে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট 

    আজকাল, আমরা এই ধরণের অনেক কম্পানির গাড়ি দেখতে পাব যেখানে এই Google সহকারী সরবরাহ করা হয়েছে। যেমন Volvo এবং Audi কম্পানির যানবাহন।

    এর সাহায্যে আপনি ট্রেনগুলিতে গান শুনতে পারেন, দিকটি জানতে পারেন, এটি আপনার মোবাইল ফোনে সংযুক্ত করতে পারেন এবং কাউকে ফোন করতে পারেন এবং অনেকগুলি কাজ করা যেতে পারে।

    Volvo বা Audi পাশাপাশি অনেক নতুন যানবাহন কম্পানি চালু হতে চলেছে।

    স্মার্ট হোম ডিভাইস এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে

    যেমনটি আমরা বলেছি যে আজকাল, এই গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট (Google Assistant) সরবরাহ করা হয়েছে এমন অনেকগুলি ডিভাইস রয়েছে যা এটি ব্যবহার করে আমাদের জীবনকে কিছুটা সহজ বা আরও কিছুটা সহজ করে তুলেছে।

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের সুবিধাটি আমাদের প্রতিদিনের কাজে ব্যবহৃত এমন অনেকগুলি ডিভাইসে দেওয়া হয়েছে, যা ব্যবহার করে আমরা আমাদের সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি এগুলি সহজেই ব্যবহার করতে পারি।

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের সুবিধাটি আমাদের ঘরে থাকা অনেক স্মার্ট ডিভাইসেও দেওয়া হয়। যেমন স্মার্ট লাইট বাল্ব, স্মার্ট স্পিকার, স্মার্ট লকস, ফ্রিজ, স্মার্ট টিভি ইত্যাদি

    আপনি যেমন দেখেছেন যে এটি একটি আলো থেকে শুরু করে একটি ফ্রিজ পর্যন্ত সমস্ত কিছুতে কাজ করে, সেখানে অনেকগুলি কম্পানি রয়েছে যেগুলি ভার্পুল, এলর্জি, ফিলিপস হিউ, স্যামসুং প্রভৃতি ডিভাইস তৈরি করছে

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট এই সমস্ত ডিভাইসে কাজ করে, যেমন আপনার যদি বাল্ব চালু করতে হয় বা বন্ধ করতে হয় অথবা আপনি নিজের ফ্রিজের তাপমাত্রা বাড়াতে বা কমাতে চান।

    কিভাবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করবেন

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট শুরু করতে বা ব্যবহার করতে আপনাকে ভয়েস কমান্ড বা “ওকে গুগল” বা “হ্যালো গুগল” এর মতো পাঠ্য কমান্ড ব্যবহার করতে হবে।

    গুগল সহকারীতে আপনি “হাই গুগল” বা “ওকে গুগল” এর মতো ভয়েস কমান্ড বা পাঠ্য কমান্ডগুলি ব্যবহার করার সাথে সাথে এটি শুরু হবে এবং তারপরে আপনি এটি ব্যবহার শুরু করতে পারেন।

    Google Assistant সক্ষম করার পরে, আপনি এটি আপনার ভাষাতে বা ইংরাজী ভাষা ব্যবহার করতে পারেন। তবে আপনাকে সমস্ত কিছুর জন্য এই ভয়েস কমান্ডটি ব্যবহার করতে হবে না। গুগুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট শুরু করতে এটি একবার ব্যবহার করতে হবে।

    এর পরে, আপনার যে কমান্ড রয়েছে তা ব্যবহার করবেন। আপনি গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট একই সাথে প্রচুর কাজ করতে বলতে পারেন। আপনি যদি নিজের মোবাইল ফোন থেকে কারও কাছে ফোন কল করতে চান তবে আপনি এটির মাধ্যমে এটিও করতে পারেন।

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনার জন্য একটি পাঠ্য বার্তা সহ আপনাকে একটি ফোন কল করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি রুমিকে কল করতে চান তবে নিম্নলিখিত কমান্ডটি ব্যবহার করবেন। — রুমিকে ফোন করুন

    আপনি যখনই গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট খুলতে চান, আপনাকে যা করতে হবে তা হ’ল আপনার মোবাইলের হোম কী বোতামটি টিপুন।

    আপনি যদি আপনার বাড়ি বা লোকেশন বের করতে চান তবে আপনাকে নিচের কমেন্টটি ব্যবহার করতে হবে।
    গুগোল অ্যাসিস্ট্যান্ট তোমার বাড়ি কোথায়

    সুতরাং আপনি যদি আপনার ফোনের কীবোর্ড বা কীপ্যাড টিপতে ক্লান্ত হয়ে থাকেন তবে আপনি সহজেই Google asscistant সহায়তা নিতে পারেন এবং সহজেই আপনার কাজটি করতে পারেন।

    শেষ কথা

    বন্ধুরা, Google Assistant কি এবং কিভাবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করবেন পোষ্টটি আপনারে কেমন লাগলো অবশ্য অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট কি? এবং কিভাবে এটি ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া, গুগোল অ্যাসিস্ট্যান্ট তোমার বাড়ি কোথায় কমেন্ট করে জানতে পারবেণ আপনার লোক

  • সেরা ৫ টি জনপ্রিয় মোবাইল গেম – ajkerfact.com

    সেরা ৫ টি জনপ্রিয় মোবাইল গেম

    সেরা ৫ টি জনপ্রিয় মোবাইল গেম
    সেরা ৫ টি জনপ্রিয় মোবাইল গেম

    মোবাইল গেম: হ্যালো বন্ধুরা, সেরা ৫ টি জনপ্রিয় মোবাইল গেম পোষ্টে আপনাদের সুস্বাগত্বম। আজকের সময়ে, মোবাইল ফোনগুলো খুব শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। যে কাজগুলি আগে কম্পিউটারের মাধ্যমে করা হত, আজ সেই সমস্ত কাজ স্মার্টফোন বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হ’ল এইচডি গেমিং এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোনেও খেলা যায়। বাজারে কম দামে পাওয়া যায় অনেকগুলি আধুনিক প্রযুক্তির স্মার্টফোন রয়েছে, যাতে আপনি আপনার প্রিয় এইচডি গেমস গেম খেলতে পারেন। এখানে আমরা আপনাকে বিশ্বের সেরা ৫ টি জনপ্রিয় মোবাইল গেম এবং জনপ্রিয় এন্ড্রয়েড গেম নিয়ে আলোচনা করব। 
    এখানে আমরা সেই মোবাইল গেম এবং অ্যান্ড্রয়েড গেম গুলির কথা বলতে যাচ্ছি যা সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করেছে। মানুষ দিন দিন তাদের সম্পর্কে আসক্ত হয়ে উঠছে। আপনারা জানেন, সেরা গেম ২০২০ হলো পাবজি গেম। পাবজি গেম (PUBG) ছাড়াও আজ অনেক এন্ড্রয়েড গেম নিয়ে আলোচনা করব। 
    আজেরে পোষ্টে আমরা আপনাদের এমন কয়েটটি মোবাইল গেমে নিয়ে কথা বলব সেগুলো বিশ্বের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় গেম। আপনি অবশ্যই এগুলি একবার খেলতে চাইবেন, কারণ তাদের কাছে সমস্ত বিশ্বের কোটি কোটি, লক্ষ লক্ষ লোক রয়েছে। আপনি অবশ্যই পিইউবিজি সম্পর্কে জানেন।

    সেরা ৫ টি জনপ্রিয় মোবাইল গেম

    আমরা এখন যে ৫ টি জনপ্রিয় মোবাইল গেম নিয়ে কথা বলব সে গেমগুলো মোবাইল দিয়েও খেলা যায়। তাছাড়া সেগুলো এন্ড্রয়েম মোবাইল ফোনেও খেলতে পারবেন। আজ বিশ্বের সেরা গেম যেগুলো সেগুলো আপনাদের মাঝে তুলে ধরব। 

    1. NOVA

    Nova
    Nova

    নভা (NOVA) একটি খুব বিখ্যাত এবং সেরা গ্রাফিক্স অ্যাকশন এবং স্টোরিলাইন ভিত্তিক গেম, যা অ্যান্ড্রয়েড স্টোরে 50 মিলিয়নেরও বেশি ডাউনলোড পেয়েছে।
    এই গেমের APK ফাইলটি প্রায় 35MB এর বেশি। যখন এর পরে অতিরিক্ত ডেটা ডাউনলোড করতে হয়। এটির এন্ড্রয়েড স্টোরটিতে রেটিং প্রায় ৪.৫।

    2. PUBG

    PUBG
    PUBG Game

    পাবজি (PUBG) অর্থাৎ Player Unknown’s Battlegrounds Game। এটি বেস্ট এন্ড্রয়েড গেমস পাবজি গেম এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে এবং এটি বাংলাদেশে বহুল লোক ব্যবহার করে থাকে। এটি উইন্ডোজ এ তেও খেলা যায়।
    100 জনের মধ্যে খেলা এবং তার মধ্যে বেঁচে থাকা এই পাবজি খেলাটিকে আকর্ষণীয় করে তোলে। এটির অ্যান্ড্রয়েড স্টোরে 100 মিলিয়নেরও বেশি ডাউনলোড রয়েছে, যখন এর রেটিং ৪.৩ রয়েছে।

    3. Ludo King

    Ludo King
    Ludo King

    Ludo King গেমটি খুবই জনপ্রিয় বাংলাদেশে। এটি খুবই জনপ্রিয় মোবাইল গেম। লুডো কিং (Ludo King) একটি ক্লাসিক বোর্ড গেম যা বিশ্বের জনপ্রিয় বোর্ড গেমগুলিতে প্রথম স্থানে রয়েছে। লোকেরা এটি সম্পর্কে এতটাই পাগল যে তারা সারা দিন এটি খেলে।
    এতে আপনি আপনার সঙ্গীকে পরাজিত করে পুরষ্কারটি অর্জন করতে পারেন। এটি এ পর্যন্ত গুগল প্লে স্টোর থেকে ১০০+ মিলিয়নেরও বেশি লোক ডাউনলোড এবং ইনস্টল করেছে এবং প্লে স্টোরে ৪.২ রেটিং পেয়েছে।

    4. Garena Free Fire:

    Garena Free Fire
    Free Fire

    Free Fire বর্তমান যোগে সবথেকে জনপ্রিয় একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল গেম (Android Game)। এটি এখন পাবজির (PUBG) থেকেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এটি একটি একশন গেম। ফ্রি ফায়ার মোবাইল গেমটি খেলতে ডাটা কানেকশনের প্রয়োজন হয়।

    Free Fire এনড্রয়েড গেমটি সাইজ হলো ৪৫ এমবি। প্লে স্টোরে ফ্রি ফায়ার গেমটি ৫০০ মিলিয়ন এরও বেশি ইনস্টল হয়েছে। 

    5. Asphalt 9

    Asphalt 9
    Asphalt 9

    আপনি যদি রেসিং গেমগুলি খেলতে ভালোবাসেন তবে আপনি অবশ্যই এই গেমটি সম্পর্কে শুনেছেন। আমি আপনাকে বলি যে এর আগে Asphalt 7 এবং Asphalt 8 ভার্সনে এসেছে। যদিও Asphalt 9 হ’ল তাদের সবার মধ্যে সেরা গ্রাফিক্স রেসিং গেম। এটি খুবই জনপ্রিয় এন্ড্রয়েড গেম।
    বর্তমানে এটির অ্যান্ড্রয়েড স্টোরটিতে 10 মিলিয়নেরও বেশি ডাউনলোড রয়েছে। পূর্ববর্তী সংস্করণটির সাথে তুলনা করে, এটি দ্রুত মানুষের পছন্দ হয়ে উঠছে, এটিকে ৪.০০ রেটিং দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন – ফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার উপায়

    সেরা ৫ টি জনপ্রিয় মোবাইল গেম (best 5 mobile games) পোষ্টটি যদি আপনাদের ভালো লাগে তবে সোসাল মিডিয়াতে শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের সাহায্য করুন। 
  • কিভাবে Facebook থেকে ব্লগ সাইটের লিংক unblock করব?

    কিভাবে Facebook থেকে ব্লগ সাইটের লিংক unblock করব?

    how to unblock website url on facebook
    কিভাবে Facebook থেকে আমার ব্লগ সাইটের লিংক unblock করব?
    ফেসবুক থেকে লিংক আনব্লক করার নিয়ম: আস্সালাম আলাইকুম, আশা করি আপনারা সাবাই ভালো আছেন। কিভাবে Facebook থেকে আমার ব্লগ সাইটের লিংক unblock করব পোষ্টে আপনাদের স্বাগতম। আপনার কি Blog site বা website এর url বা লিংক Facebook block করে দিয়েছে বা Url ব্লক ফেসবুকে শেয়ার হয় না? আজকের পোষ্টে আপনাদের সাথে ফেসবুক থেকে আপনাদের ব্লগ সইটের লিংক আনব্লক করার নিয়ম নিয়ে আলোচনা করব। 
    আজ আমরা কীভাবে ফেসবুক থেকে ব্লক করে দেওয়া লিংক unblock করতে পারি, ফেসবুক যখন রিপোর্ট বা স্প্যামের কারণে ফেসবুক আমাদের ওয়েবসাইটের link এবং url ব্লক করে তখন ফেসবুক থেকে ওয়েপসাইটের  লিংক আনব্লক করার পদ্ধতি আপনাদের সাথে শেয়ার করব?
    আমরা আপনাকে “How To Unblock Website URL On Facebook” সম্পর্কে বলেছিলাম। দুর্ভাগ্যক্রমে তারা আর কাজ করবে না, মূলত কারণ Facebook spaming এবং জাল নিউজ ওয়েবসাইটগুলি blog করতে Facebook এ্যালগরিদম আপডেট করেছে।

    কিভাবে Facebook থেকে আমার ব্লগ সাইটের লিংক unblock করব?

    যখন ফেসবুক আপনার ওয়েবসাইটটিকে স্প্যাম হিসাবে বিবেচনা করে এবং ফেসবুকে আপনার সাইটের লিংক ফেসবুকে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য ব্লক করে।
    অনেক সময় এমন হয় যে ফেসবুক কিছু কিছু ওয়েবসাইট এবং ব্লগ সিইটের লিঙ্কগুলি ব্লক করে। যার পরে আমরা এটি ফেসবুকে শেয়ার করতে পারি না। যদি আপনার একই সমস্যা হয় তবে আপনার জন্য আমার Facebook 2020 থেকে website url unblock করার উপায় আছে।

    Facebook আপনার সাইটটিকে যে কারনে block করে দিতে পারে? 

    Why facebook block my website url: ফেসবুকে লিংক শেয়ার করার জন্য ফেসবুকের কমিউনিটি গাইডলাইন মেনে শেয়ার করতে হয়। ওয়েবসাইটে আরও ট্র্যাফিক পেতে, আমরা এটি ফেসবুক এবং টুইটারে শেয়ার করি। যা আমাদের সোসাল ট্র্যাফিক সরবরাহ করে যার মধ্যে facebook, Twitter, printerest, linkin, quara and instragram প্ল্যাটফর্ম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
    আপনি যদি নিজের ওয়েবসাইটের ইউআরএলটি সীমিত উপায়ে ফেসবুকে শেয়ার করেন তবে কখনও ফেসবুক আপনার লিঙ্কটি ব্লক করবে না, যদি আপনি নির্বিচারে আপনার ওয়েবসাইটের ইউআরএল ফেসবুকে পোস্ট করেন তবে ফেসবুক এটিকে স্প্যাম হিসাবে বিবেচনা করে। এবং Permanent ভাবে এটি বন্ধ করে দিবে। তাছাড়া আপনি যদি ১ মিনিটের ভিতরে একাদিকবার ফেসবুকে আপনার সাইটের লিংক শেয়ার করে তবে ফেসবুক আপনার সাইটকে পারমান্ট ব্লক করে দিবে। তাই সকলের সাবধান থাকতে হবে না হলে যাদের ওয়েপসাইট এখনও ব্লক হয়নি তাদেরও ব্লক হয়ে যেতে পারে। এই ভুল গুলো কখনই করবেন না। 

    কিভাবে Facebook থেকে আমার ব্লগ সাইটের লিংক unblock করব?

    কিভাবে Facebook থেকে আপনার সাইটের লিংক unblock করবেন এখন নিচের স্টেপগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। আমাদের যখন ফেসবুকে কিছু বলতে হয় বা ফেসবুকের সাথে কন্টাক্ট করতে হয়, তখন আমরা কেবল Facebook appeal ফর্মটি পূরণ করি। আমরা Facebook Support Team সাথে যোগাযোগ করে আপনার সমস্যাগুলি সহজে সমাধান করতে পারি। যদি আপনার ওয়েপসাইটের লিংক আনব্লক করতে চান তবে নীচে দেওয়া কয়েকটি পদক্ষেপ অনুসরণ করতে হবে

    Facebook block url আনব্লক করতে নিচের স্টেপগুলো অনুসরন করুন:

    • সবার আগে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগ ইন করুন এবং Facebook Help Center যান।
    • Facebook Sharing Debugger ক্লিক করে আপনাকে ফেসবুক শেয়ারিং ডিবাগার পৃষ্ঠাতে যেতে হবে।
    Facebook Sharing Debugger
    • তারপর আপনাকে উপরে স্কিনশোট এর মতে একটি পেইজ অপেন হবে। সেখানে আপনি ব্লক হওয়া link বা url টাইপ করে Debug বাটনে ক্লিক করতে হবে। 
    • যদি আপনার সাইটটি ফেসবুক ব্লক করে থাকে তবে নিরে মেসেজটি দেখতে পাবেন। 
    কিভাবে Facebook থেকে আমার ব্লগ সাইটের লিংক unblock করব?

    *We can’t review this website because the content doesn’t meet our Community Standards. If you think this is a mistake, please let us know.*

    • যার অর্থ হল আপনি Community Standard গুলি অনুসরণ না করেই আপনি ফেসবুকে নিজের ওয়েবসাইটটি Shear করেছেন, এখানে আপনাকে Let us Know তে আপনাকে Click করতে হবে।
    • এখন আপনি Facebook block পৃষ্ঠাতে পৌঁছে যাবেন, এখানে আপনার Appeal লিখতে হবে এবং ফেসবুক থেকে Facebook team কে MSG পাঠাতে হবে আপনার সমস্যা আনলক (unblock) করার জন্য।
    • ফেসবুকে Appeal লিখতে আপনার যদি সমস্যা হয় তবে নীচের লেখাটি অনুলিপি করুন এবং send বোতামটি ক্লিক করে জমা দিন।

    Hello Facebook,
    I am glad to know that your team take action against spam, malware. Recently I have seen that my url (আপনার সাইটের লিংক) has blocked but I doesn’t goes aggaisnt your security.
    “This is my own blog site, this is not spam, please block url sharing of my site on Facebook, I am review many times but do not activate my website. (আপনার সাইটের লিংক) Please activate many problems with sharing links.
    Website link: (আপনার সাইটের লিংক) “

    কীভাবে চেক করবেন, আমার ওয়েবসাইটটি ফেসবুকে ব্লক করা আছে?

    Url ব্লক ফেসবুকে শেয়ার হয় না তাহলে আপনি উপরের স্টেপগুলো অনুসরন করে আনব্লক করে নিবেন। আশা করি আপনাদের সাইট আনব্লক হয়ে যাবে। ফেসবুক লিঙ্কগুলি বিশ্লেষণের জন্য একটি URL Debugger tool তৈরি করেছে, যাতে আপনি লিঙ্কগুলি Debug করে ত্রুটিগুলি সনাক্ত করতে পারেন।
    • প্রথমে আপনাকে Facebook Sharing Debugger ক্লিক করে আপনাকে ফেসবুক শেয়ারিং ডিবাগার পৃষ্ঠাতে যেতে হবে।
    • তারপর আপনার  সাইটের লিংক টাইপ কের ডিবাগ এ ক্লিক করলে আগের মেসেজটি দেখতে পারবেন। যা যা ত্রুটি আপনার সাইটে রয়েছে তা দেখতে পারেবেন। 
    Facebook block url

    এইভাবে আপনি Facebook block url গুলি unblock করতে পারেন এবং এগুলি ভবিষ্যতে অবরুদ্ধ হওয়া থেকেও রোধ করতে পারেন। তবে অনেকগুলি ট্যাকনিক্যাল সমস্যা রয়েছে যার কারণে ফেসবুক আপনার লিঙ্কগুলি block করে দেয়, আপনি তাদের অনুসন্ধান করে এগুলি ঠিক করতে পারেন।

    আরও জানুন – টিকটক থেকে ইনকাম করার ৫ টি উপায়

    কিভাবে Facebook থেকে আমার ব্লগ সাইটের লিংক unblock করব (How to unblock url on facebook) পোষ্টটি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যাই আপনারা কমেন্ট কর জানাবন। ধন্যবাদ সকলকে। 
  • কিভাবে internet Speed Test ওয়েবসাইট তৈরি করব Blogger দিয়ে

    কিভাবে internet Speed Test ওয়েবসাইট তৈরি করব Blogger দিয়ে

    How to Create internet Speed Test Website on Blogger
    কিভাবে internet Speed Test ওয়েবসাইট তৈরি করব Blogger দিয়ে

    কীভাবে ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট ওয়েবসাইট তৈরি করব ব্লগার দিয়ে: আস্সালাম আলাইকুম, আশা করি আপনারা সাবাই ভালো আছেন। ‘‘কিভাবে internet Speed Test ওয়েবসাইট তৈরি করব Blogger দিয়ে” পোষ্টে আপনাদের স্বাগতম। আপনি কি ব্লগার দিয়ে internet Speed Test টুল ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাচ্ছেন ? আজকের পোষ্টে আপনাদের সাথে Blogger দিয়ে internet Speed Test Website বানানোর নিয়ম নিয়ে আলোচনা করব। 

    How to Create internet Speed Test Website on Blogger

    এই মুহুর্তে আমরা এমন এক পৃথিবীতে এসেছি যা ইন্টারনেট ব্যতীত সবকিছু অসম্পূর্ণ। অর্থাৎ আমরা একবিংশ শতাব্দীতে বাস করছি এবং বাংলাদেশের কথা বলছি, আজকাল শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক সবাই প্রত্যেকেই ইন্টারনেটকে বড় আকারে ব্যবহার করছে। তাই বাংলাদেশে অনেক জায়গাতেই internet Speed সমস্যা রয়েছে তাই লোকেরা তাদের ডিভাইসের internet Speed Test করতে চায়। 
    Internet Speed Test করার জন্য অনেকগুলি উপায় রয়েছে তাই আপনি যদি স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন তবে আজকাল প্রায় মোবাইলটিতে internet speed meter বৈশিষ্ট্য রয়েছে। অনেকগুলি ডিভাইস রয়েছে যা এই বৈশিষ্ট্যটি নেই, তাই এটির জন্য একটি র্অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে এবং সেখানে ওয়েবসাইট হিসাবে ইন্টারনেটে প্রচুর Internet Speed checker Online Free রয়েছে। আপনি এখন থেকেও internet Speed Test করতে পারবেন। নিচের start বাটনটিতে ক্লিক করলেই দেখতে পাবেন আপনার ডিভাইসের ইন্টারনেট স্প্রিড। 

    Internet Speed checker

    internet Speed Test আমাদের ডেমো সাইটটি দেখতে ক্লিক করুন। 

    Internet Speed checker Script for Blogger:

    ইন্টারনেট স্পিড চেকার স্ক্রিপ্ট: এখন এই Internet Speed Test Tool Script Download সম্পর্কে কথা বলা যাক। তাই আমি আপনাকে বলি যে এমন অনেক লোক আছেন যারা নিজের ব্লগার দিয়ে internet Speed Test ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান। সুতরাং এই টুল তৈরি করতে তাদের javascript internet speed test script দরকার। 
    তাই প্রচুর লোকেরা Blogger ব্যবহার করে কারণ তাদের হোস্টিং নেই তাই নীচে আমি আপনাকে script php এবং blogspot জন্য দুটি ভিন্ন html internet speed test script for blogger & blogspot সরবরাহ করেছি। উপায় দ্বারা যদি আপনি হোস্টিং ব্যবহার করেন তবে আপনি ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট script php ব্যবহার করতে পারেন। 

    Javascript Internet Speed Test Script html5 Download:

    <!–OST Widget code start–><div style=”text-align:right;”><div style=”min-height:360px;”><div style=”width:100%;height:0;padding-bottom:50%;position:relative;”><iframe style=”border:none;position:absolute;top:0;left:0;width:100%;height:100%;min-height:360px;border:none;overflow:hidden !important;” src=”//openspeedtest.com/Get-widget.php”></iframe></div></div><!– OST Widget code end –>  

    Internet Speed Test Tool Website in Blogger/Blogspot

    <iframe width=”100%” height=”100%” src=”https://fast.com” scrolling=”no” frameborder=”0″ allowfullscreen></iframe>  
     <script>  
     var style = ducument.createElement(“style”);  
     style.type = “text/css”;  
     var head = document.head;  
     head.appendChild(style);  
     style.sheet.instertRule(“* { color: #aaa !important; background-color: #333 !important; border-color: currentColor !important; }”);  
     completion(true);  
     </script>  

    Steps to Create an Internet Speed Test Tool Website in Blogger/Blogspot: 

    • Blogger / blogspot ড্যাশবোর্ডে যান (old blogger)
    • এখন এ Theme ক্লিক করুন।
    • একটু নিচে যান এবং Cleasic theme revert ক্লিক করুন
    • সম্পূর্ণ কোডগুলোকে ডিলিট করে উপরের কোডগুলো পেষ্ট করুন। 
    আরও জানুন – 
    কিভাবে internet Speed Test ওয়েবসাইট তৈরি করব Blogger দিয়ে পোষ্টটি পেয়ে আশা করি আপনি উপকৃত হয়েছেন। যদি এই টুল ওয়েবসাইট তৈরি করতে কোন অসুবিধা হয় তবে কমেন্ট করে জানাবেন। দোয়া করি ভালো থাকবেন সবাই।