Blog

  • যোগব্যায়াম কি? যোগ ব্যায়ামের উপকারিতা ও করার নিয়ম

    যোগ ব্যায়াম বা ইয়োগা: প্রিয় দর্শক, যোগব্যায়াম কি? যোগ ব্যায়ামের উপকারিতা পোষ্টে আপনাদের স্বাগত্বম। যোগব্যায়াম কেবল একটি আসন নয়, এমন একটি ভারতীয় সংস্কৃতি যা আপনাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখে। এটি ভারতীয় জ্ঞানের পাঁচ হাজার বছরের পুরানো স্টাইল। এটি আমাদের অনেক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি দেয়।

    যোগব্যায়াম নিয়ে আজকের পোষ্টে বিস্তারিত আলোচনা করবো। এই লেখায় যোগ ব্যায়াম কি (yoga ki), যোগ ব্যায়ামের উপাকারিতা এবং ইয়োগা বা যোগ ব্যায়াম করার নিয়ম নিয়ে কথা বলবো। 

    যোগব্যায়াম কি? যোগ ব্যায়ামের উপকারিতা ও করার নিয়ম
    যোগ ব্যায়াম
    আমরা ফিটনেসের জন্য জিমে যাই, সেখানে প্রচুর মেশিন ব্যবহার করে শরীরকে ফিট রাখার চেষ্টা করি। এগুলি ছাড়াও তারা জিমে প্রচুর অর্থ ব্যয় করি। কিন্তু আমারা যোগা ব্যায়াম বা ইয়োগা সম্পর্কে কিছুই জানি না।একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে 70 শতাংশ যুবক যোগার পরিবর্তে জিমে যোগ দেন, কারণ তারা মনে করেন যে, যোগ ব্যায়াম একটি ধীর প্রক্রিয়া। সম্ভবত এই লোকেরা যোগের সুবিধা সম্পর্কে অবগত নয়। 

    যোগ ব্যায়াম বা ইয়োগা

    যোগ ব্যায়াম বা ইয়োগা ব্যায়ামের নিয়মিত অভ্যাস আপনার মনকে সুস্থ্য রাখতে এর কোন বিকল্প নাই ব্যায়াম কথাটির অর্থ হলো নিয়মিত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনা করা। মনঃ সংযোগ করার মাধ্যমে একটি নিদিষ্টি নিয়মে স্থির ভাবে অবস্থান করাকে বা ইয়োগা বা যোগ ব্যায়াম বলে। নিচে যোগব্যায়াম কি, যোগ ব্যায়াম করার উপকারিতা এবং যোগ ব্যায়াম করার নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

    যোগ ব্যায়াম কি?

    যোগব্যায়াম কে বিভিন্ন নামে অক্ষায়িত করা হয়। একে, প্রাণায়ন, যোগা, ইয়োগা বলেও ডাকা হয়। যোগ ব্যায়ামের একটি শাখা হলো যোগাসন। যেখানে আসন বা বসার মাধ্যমে যোগ ব্যায়াম করা হয়। একটি আধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া যেখানে দেহ, মন এবং আত্মাকে একত্রিত করা হয় (যোগা)) এই শব্দটি হিন্দু, জৈন ও বৌদ্ধ ধর্মে ধ্যান প্রক্রিয়া সম্পর্কিত।
    যোগ সংস্কৃত শব্দ, যা যুজ থেকে এসেছে, যার অর্থ যোগাড় করা, আবদ্ধ হওয়া। যোগব্যায়াম এখন চীন, জাপান, তিব্বত, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি ভারত থেকে বৌদ্ধ ধর্মে ছড়িয়ে পড়েছে এবং লোকেরা এই সময়ে সমস্ত সভ্য বিশ্বে এর সাথে পরিচিত।
    এটি এখন এত খ্যাতি অর্জন করেছে যে ২০১৪ সালের ১১ ই ডিসেম্বর, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ প্রতি বছর ২১ জুনকে বিশ্ব যোগ দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
    যোগব্যায়াম ধর্ম এবং বিশ্বাসের বাইরে একটি বিজ্ঞান। যা সকল ব্যক্তির উচিত তাদের জীবনে অন্তর্ভুক্ত করা। এটি আমাদের জীবনের সাথে সম্পর্কিত সমস্ত শারীরিক, সামাজিক, আধ্যাত্মিক, মানসিক দিকগুলিতে কাজ করে।
    এর অর্থ হল আপনাকে দেহ এবং মনের মধ্যে একটি সমন্বয় তৈরি করা। আপনি যদি নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন তাহলে এর অনেক উপাকৃত হবেন। 

    যোগ ব্যায়ামের উপকারিতা:

    যোগব্যায়াম করার অনেকগুলি উপকারিতা রয়েছে। যেখানে কেবল জিম করলে আমাদের দেহ সুস্থ থাকে, সেই যোগব্যায়াম আমাদের দেহের সাথে সাথে মনকে বেশি সুস্থ্য করে তোলে। প্রাণায়ন বা যোগব্যায়ামের কিছু উপকারিতা:

    ১। মনের শান্তি

    যোগব্যায়াম কেবল আমাদের দেহের পেশীগুলিকেই ভাল ব্যায়াম দেয় না, আমাদের মনকে শান্ত রাখতে সহায়তা করে। চিকিৎসা গবেষণাগুলি প্রমাণ করেছেন যে, যোগব্যায়াম শারীরিক এবং মানসিকভাবে উভয়ই ভালো রাখতে সহায়তা করে। 
    যোগব্যায়াম টেনশন বা স্ট্রেস থেকে মুক্তি দেয় এবং ভাল ঘুমের দিকে নিয়ে যায়, ক্ষুধা এবং হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। এটি মনকে সর্বদা শান্ত রাখে।

    ২। স্ট্রেস মুক্ত জীবন

    আপনি যদি নিজের রুটিনে যোগ যোগ করেন তবে আপনার স্ট্রেস-মুক্ত জীবন থাকতে পারে। অধ্যয়নগুলি বলছে যে প্রতিটি অন্যান্য ব্যক্তি আজ মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছে।
    স্ট্রেসের কারণে আমরা অনেক রোগের শিকার হয়ে পড়েছি। এজন্য যোগব্যায়াম আপনাকে চাপমুক্ত করে তোলে। আপনি মনের শান্তি পান, ভাল ঘুম পান, হজম ঠিক আছে।

    ৩। শরীরের ক্লান্তি

    আমরা যখন যোগব্যায়াম করি, তখন পেশীগুলি প্রসারিত, মোচড় দেওয়া, মোচড়ানো এবং প্রসারিত করার মতো অনেকগুলি ক্রিয়া হয়। এটি আমাদের দেহের ক্লান্তি দূর করে এবং আমরা সর্বদা সতেজ বোধ করি। আপনি যদি নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন তবে আপনার দেহে শক্তি থাকবে।

    ৪। রোগমুক্ত শরীর

    যোগ ব্যায়াম শরীরকে সুস্থ করে তোলে, কারণ এটি আমাদেরকে রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি দেয়। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস কমিয়ে রাখে এবং হাঁপানির মতো অনেক রোগের ক্ষেত্রেও ইয়োগা বা যোগাসনের পরামর্শ দেওয়া হয়।
    যোগব্যায়াম রক্তে চিনির স্তর নিয়ন্ত্রণের দিকে নিয়ে যায় এবং শ্বাসকষ্টজনিত ব্যাধিগুলিও মূল থেকে নির্মূল হয়। এজন্য আপনি যদি প্রতিদিন যোগব্যায়াম করেন তবে আপনি সুস্থ থাকবেন।

    ৫। ওজন নিয়ন্ত্রণ

    বিশ্বের ৭০ শতাংশ মানুষের স্থূলতা রয়েছে। তবে আমরা আমাদের জীবনযাত্রায় যোগকে অন্তর্ভুক্ত করে স্থূলত্ব নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। যোগব্যায়াম করলে শরীর নমনীয় হয়।
    এটি আমাদের পেশী শক্তিশালী করে এবং শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি হ্রাস করে। এছাড়াও আমাদের পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করে তোলে। ফিটনেসের জন্য যোগা একটি খুব ভাল উপায়।

    ৬। সর্বদা তরুণ থাকবেন

    যোগ ব্যায়াম আপনাকে কেবল মুখে আভাস এনে দেয় না, পাশাপাশি যোগাব্যায়াম গুলির সাহায্যে দেহের অভ্যন্তরীণ গ্রন্থিগুলি তাদের কাজ করার কারণে আপনাকে তরুণ থাকতে সহায়তা করে।

    ৭। শরীর শক্তিশালী থাকবে

    আমাদের ব্যস্ত জীবনে প্রতিদিন আমরা অনেক সমস্যার মুখোমুখি হই। কাজের চাপের কারণে আমরা শরীর এবং মন উভয় থেকেই ক্লান্ত হয়ে পড়ি। শরীরের শক্তি যেমন ক্ষয় হয় তেমনি ক্ষয় মহ মনের শক্তির। শরীর এবং মনকে শক্তিশালী রাখতের যোগ ব্যায়ামের বিকল্প নেই। 
    তবে আপনি যদি আপনার জীবনযাত্রায় যোগব্যায়াম অবলম্বন করেন তবে আপনি নিজেকে শক্তিশালী বোধ করবেন। এমন অনেক লোক আছেন যারা যোগব্যায়াম করেন এবং বৃদ্ধ বয়সেও যুবক হিসাবে উপস্থিত হন।

    ৮। মন এবং শরীরের সাথে সর্ম্পক তৈরি করে

    আমাদের নিজস্ব আত্মীয়দের সাথে সম্পর্কের যোগের মাধ্যমে উন্নতি হয়। একটি মন যা শিথিল, সুখী এবং সন্তুষ্ট, একটি ভাল সম্পর্ক তৈরী করতে যোগব্যায়াম ও ধ্যান মনে সুখ ও শান্তি বয়ে আনে। এটি আমাদের আত্মার সাথে সুন্দর সংযোগ স্থাপনের ক্ষমতা দেয়।

    ৯। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ

    যোগব্যায়ামের সাথে আপনি আপনার রক্তে চিনির মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন এবং রক্তে চিনির বর্ধিত স্তরকে হ্রাস করতে পারেন। যোগব্যায়াম ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব উপকারী। এটি এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলও হ্রাস করে।

    ১০। অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্তি

    যোগব্যায়াম বা যোগাসন আপনার মাথা থেকে অতিরিক্ত চিন্তা বা টেনশন দুরে রাখবে। ফলে আপনার মন ও শরীর ভালো থাকবে। প্রাণায়ন বা যোগব্যায়াম আপনার মনের শক্তিকে বাড়িয়ে তুলবে। 
    যোগা, মানসিক শান্তি প্রদানের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়ায়। যোগ এবং প্রাণায়াম বর্তমান সময়ে মন থেকে  লাথি দেয়, যার কারণে আমরা খুশি এবং লক্ষ্যটির দিকে মনোনিবেশ করি।

    যোগ ব্যায়াম করার নিয়ম:

    সকালের সময় সূর্যোদয়ের এক থেকে দুই ঘন্টা আগে যোগের জন্য সেরা সময়। যদি সকালে এটি আপনার পক্ষে সম্ভব না হয় তবে আপনি এটি সূর্যাস্তের সময় করতে পারেন। তবে সকালে এই সময়ে যোগব্যায়াম করা ভাল।
    যোগব্যায়াম করার সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি মনে রাখবেন:
    • যোগ ব্যায়ামের জন্য দিনের যে কোনও সময় নির্ধারণ করুন, প্রতিদিন একই সময় এই ব্যায়াম করলে সবথেকে ভালো ফল পাওয়া যাবে। 
    • ইয়োগা মাদুর বা কার্পেট বিছিয়ে যোগা সহজ করুন। 
    • আপনি পার্কের মতো কোনও খোলা জায়গায় বা ঘরে বসে যোগব্যায়াম করতে পারেন।
    • কেবল মনে রাখবেন জায়গাটি এমন হওয়া উচিত যে আপনি বিশুদ্ধ বাতাস শ্বাস নিতে পারেন।
    এগুলি ছাড়াও যোগব্যায়াম করার জন্য আপনার যোগ ব্যায়ামের নিয়ম সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকা উচিত, যাতে ভুলভাবে যোগব্যায়াম করে আপনি নিজের ক্ষতি না করেন। 

    যোগব্যায়াম করার সঠিক নিয়ম বা পদ্ধতি:

    আপনি যখন নিজের রুটিনে অনুসারে ইয়োগা ব্যায়াম করবেন। তখন আপনাকে কিছু নিয়মের যত্ন নিতে হবে। আপনি যদি এই নিচের কয়েকটি সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করেন তবে অবশ্যই যোগা ভালো ফল পাবেন। 
    • নিজেই ভুল যোগব্যায়াম অনুশীলনের পরিবর্তে একজন পরিচালকের সাহায্য নিন।
    • যোগাব্যায়াম সবসময় সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় করা উচিত।
    • সর্বদা আরামদায়ক পোশাক পরে যোগ করুন।
    • যোগব্যায়াম করার আগে গোসল করুন।
    • যোগাব্যায়াম সময় মাথা থেকে সব চিন্তা কিছুক্ষনের জন্য দুরে রাখুন। 
    • খালি পেটে যোগব্যায়াম করুন।
    • ধৈর্য এবং অধ্যবসায়ের সাথে যোগব্যায়াম অনুশীলন করুন।
    • যোগব্যায়াম করার 1 ঘন্টা পরে গোসল করুন।
    • সবসময় পরিষ্কার জায়গায় যোগা করুন।
    • নিজেকে মোটেও নিজের দেহ দিয়ে জোর করবেন না।
    যোগাব্যায়াম বিভিন্ন প্রকারভেদ বা ধরন রয়েছে। নিচে বিভিন্ন যোগ ব্যায়ামের বা ইয়োগা ব্যায়ামের সংকিপ্ত বর্ননা দেওয়া হলো-

    যোগ ব্যায়ামের প্রকারভেদ ও নিয়ম:

    যোগ অনেক খাঁটি ফর্মের, তবে প্রধানত যোগাসনের ৪ টি প্রধান ধরণ বা পথ রয়েছে, যা নিম্নরূপ।

    ১।  রাজ যোগা

    রাজ মানে রাজকীয় এবং ধ্যান যোগের এই শাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এই যোগের আটটি অংশ রয়েছে, এ কারণেই পাত্রঞ্জলি এর নাম দিয়েছিলেন অষ্টাঙ্গ যোগা। 
    পাত্রঞ্জলি যোগসূত্রে এটি উল্লেখ করেছেন। এই 8 টি অঙ্গ নিম্নরূপ:
    যম (শপথ), নিয়ম (আচরণের নিয়ম বা স্ব-শৃঙ্খলা), আসন(আসন করার মাধ্যমে), প্রাণায়াম (শ্বাস নিয়ন্ত্রণ), প্রত্যয়হর (ইন্দ্রিয়ের নিয়ন্ত্রণ), ধরনা (ঘনত্ব), ধ্যান (ধ্যান), এবং সমাধি (পরম বা চূড়ান্ত মুক্তি) ।

    ২। কর্ম যোগা

    পরবর্তী শাখা হ’ল কর্ম যোগা বা সেবার পথ। আমরা কেউই এই পথ থেকে এড়িয়ে যেতে পারি না। কর্ম যোগের মূলনীতি হ’ল আমরা আজকে যা অনুভব করি তা আমাদের অতীতের ক্রিয়া দ্বারা তৈরি হয়েছিল। 
    এটি সম্পর্কে সচেতন হয়ে আমরা বর্তমানকে একটি ভাল ভবিষ্যতের পথ তৈরি করতে পারি, যা আমাদের নেতিবাচকতা এবং স্বার্থপরতার দ্বারা আবদ্ধ হতে মুক্তি দেয়। যখনই আমরা আমাদের কাজ করি এবং নিঃস্বার্থভাবে আমাদের জীবনযাপন করি এবং অন্যের সেবা করি, আমরা এভাবেই কর্ম যোগ করি।

    ৩। ভক্তি যোগা

    ভক্তি যোগ ভক্তির পথ বর্ণনা করে। ভক্তি যোগব্যায়াম আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করার একটি ইতিবাচক উপায়
    ভক্তির পথ আমাদের সকলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং সহনশীলতা গড়ে তোলার সুযোগ দেয়।

    ৪। জ্ঞান যোগব্যায়াম

    আমরা যদি ভক্তিটিকে মনের যোগফল হিসাবে বিবেচনা করি তবে জ্ঞান যোগব্যায়াম টি হলো বুদ্ধির যোগফল। এই পথে চলার জন্য যোগের পাঠ্য এবং পাঠ্যগুলির অধ্যয়নের মাধ্যমে বুদ্ধির বিকাশ প্রয়োজন।
    এই জ্ঞান যোগাকে সবচেয়ে কঠিন হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এটি গুরুতর অধ্যয়নের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। 
    এটিই হ’ল যোগব্যায়াম। তবে যোগাসনের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। সেগুলো নিয়ে পরিবর্তিতে আমরা আলোচনা করবো। 
    উপসংহারঃ যোগব্যায়াম কি? যোগ ব্যায়ামের উপকারিতা ও করার নিয়ম পোষ্টটি আশা করি আপনাদের পছন্দ হয়েছে। এই পোষ্ট থেকে ইয়োগা বা যোগ ব্যায়াম কি, এর উপাকারিতা এবং যোগব্যায়াম করার নিয়ম সর্ম্পকে ভালো ধারনা পেয়েছেন। 
  • পি এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট দেখার নিয়ম ২০২১

    পি এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট দেখার নিয়ম ২০২১ । PSC result 2021।

    পিএসসি রেজাল্ট ২০২১: পি এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট বের করার নিয়ম ২০২১ পোষ্টে আপনাদের স্বাগতম। প্রিয় পিএসসি শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আশা করি তোমাদের সমাপনি পরীক্ষা আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো হয়েছে। আপনারা নিশ্চই psc result 2021 দেখতে এখানে এসেছেন? আমরা আজ কিভাবে পি এস সি রেজাল্ট বের করবেন এবং পি এস সি পরীক্ষার ফলাফল কবে প্রকাশিত হবে সেটা নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করাব।

    পি এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট দেখার নিয়ম ২০২১
    পি এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট

    প্রতি বছর পিএসসি পরীক্ষা নভেম্বর মাসেই নেওয়া হতো এবং psc result পরীক্ষা শেষ হবার ২ মাস পরেই পাবলিশ হতো। কিন্তু এ বছর করোনা ভাইরাসের কারনে পরীক্ষা নিতে অনেক দেরি হয়েছে। পিএসসি পরীক্ষা বাংলাদেশের সকল শিক্ষা বোর্ডে শেষ হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও হাজার হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।
    PSC Result 2021 পেতে আপনাকে বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ডের দুটি ওয়েপসাইট http://dperesult.teletalk.com.bd/dpe.php এবং http://www.dpe.gov.bd তে প্রকাশিত করা হবে। ইবতেদায়ি এবং সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল আমাদের ব্লগ সাইটেও প্রকাশিত করা হবে যা https://www.ajkerfact.com।
    আরও পড়ুন –

    পি এস সি রেজাল্ট ২০২১

    প্রতিটি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা শেষ করার পরই কবে রেজাল্ট পাবে এবং কিভাবে পাবে তার জন্য অনেক কেীতুহলী হয়ে পড়ে। এটি সকল পরীক্ষাথীদের একটি কমন প্রশ্ন। ২০২১ পি এস সি রেজাল্ট সকল শিক্ষা বোর্ড একই দিনে প্রকাশিত হয়। রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই আপনারা ওয়েপসাইট থেকে বা এসএমএস এর মাধ্যমে রেজাল্ট বের করতে পারবেন।
    পি এস সি রেজাল্ট দেখার নিয়ম নিয়ে শুধু আজকের পাতায় অপনাদের সাথে অলোচনা করব। রেজাল্ট দেখার ওয়েপসাইট থেকে আপনারা সবাই সহজেই PSC Result 2021 বের করতে পারবেন।

    পি এস সি পরীক্ষার ফলাফল কবে প্রকাশিত হবে?

    মাধ্যামিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল কখন প্রকাশিত হবে তা শিক্ষা বোর্ডের উপার নির্ভর করে। যেহেতু এবছর পি এস সি পরীক্ষা করোনা ভাইরাসের কারনে অনেক দেরিতে শুরু হয়েছে। তাই কিছুদিন অপেক্ষা করার পরই আপনার কাঙ্কিত ফলাফল পেয়ে যাবেন।
    PSC RESULT এর ফলাফল পরীক্ষা শেষ হবার ২ মাস পরে প্রকাশিত হবে। প্রকাশিত হবার সাথে সাথে আপনার নিম্নোক্ত নিয়য়ে PSC রেজাল্ট বের করতে পারবেন।
    পি এস সি পরীক্ষা ২০২১ পরীক্ষার তথ্য
    পরীক্ষার নাম PSC
    পরীক্ষার সাল ২০২১
    পরীক্ষা শুরুর তারিখ নভেম্বর ২০২১
    পরীক্ষার সময় ১০.০০ থেকে ০১.০০ পর্যন্ত
    পরীক্ষার শেষ তারিখ ———
    পরীক্ষার মোট নম্বর ১০০
    ফলাফল প্রকাশের তারিখ ——–

    পি এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট বের করার নিয়ম

    পি এস সি রেজাল্ট ২০২০ বা PSC result 2021 দুই ভাবে বের করা যায়। একটি হলো অনলাইন পদ্ধতি ওয়েপাসাইট থেকে। অন্যটি হলো এসএমএস (SMS) পদ্ধতি (এসএমএস এর মাধ্যমে)। রেজাল্ট বের করার এই দুটি পদ্ধতি নিয়েই আজের পাতায় বিস্তারিত অলোচনা করব।

    অনলাইন পদ্ধতি- পি এস সি রেজাল্ট ২০২১ঃ

    অনলাইন থেকে পি এস সি রেজাল্ট বের করতে হলে প্রয়োজন হবে একটি Mobile বা Leptop এবং তার সাথে ইন্টারনেট কানেকশন। অনলাইন থেকে রেজাল্ট বের করার ২ টি ওয়েপসাইট রয়েছে। নিচে পি এস সি রেজাল্ট দেখার ওয়েপসাইট গুলো দেওয়া হলো:
    ১। http://www.dpe.gov.bd/
    ২। http://dperesult.teletalk.com.bd/dpe.php
    পি এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট দেখতে নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুনঃ
    • প্রথমে আপনার ব্রাউজার থেকে চলে যান শিক্ষা বোর্ডের যে কোন একটি ওয়েপসাইটে। নিচের চিত্রের মতো আপনার সামনে একটি পাতা চলে আসবে।
    পি এস সি রেজাল্ট ২০২১
    • Passing Year: তোমার পরীক্ষার সাল নির্বাচন করতে হবে। 
    • Student ID: তোমার রোল নম্বার টি লিখে বসাতে হবে। 
    • সবশেষে Submit বাটনে ক্লিক করলেই আপনার PSC Result বের হয়ে যাবে। 

    PSC result এসএমএস (SMS) এর মাধ্যামে দেখার নিয়মঃ

    মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে PSC Result 2021 এর আর একটি বিকল্প পদ্ধতি রয়েছে। যার দ্ধারা দ্রুত রেজাল্ট বের করতে পারবেন। 
    DPE <স্পেস> Student ID <স্পেস> Year
    উদাহরন: DPE 123435… 2021 লিখে Send করুন 16222 নাম্বারে। 

    PSC Result 2021 (পিএসসি রেজাল্ট 2021)

    • কুমিল্লা বোর্ডের পিএসসি রেজাল্ট (Comilla Board PSC Result)
    • ঢাকা বোর্ডের পিএসসি ফলাফল (Dhaka Board PSC result)
    • রাজশাহী বোর্ডের পিএসসি ফলাফল(Rajshahi Board PSC Result)
    • সিলেট বোর্ডের পিএসসি ফলাফল (Sylhet Board Result)
    • দিনাজপুর বোর্ডের পিএসসি রেজাল্ট (Dinajpur Board PSC Result)
    • ময়মনসিংহ বোর্ডের পি এস সি রেজাল্ট ২০২১ (mymensingh Board PSC Result 2021)
    • যশোর বোর্ডের পিএসসি ফলাফল (Jessore Board PSC Result)
    • চট্টগ্রাম বোর্ডের পি এস সি রেজাল্ট ২০২১ (Chittagong Board P S C Result)

    PSC Result 2021 (পি এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট বের করার নিয়ম ২০২১) এই পোস্টটি পড়ে যে কেউ তার পিএসসি ফলাফল 2021 সহজেই বের করতে পারেন। কেবল ফলাফলই নয় তারা তাদের Full marksheet, GPA ডাউনলোড করা সম্পর্কেও জানতে পেরেছে। সবার দির্ঘায়ু কামনা করছি।

  • ছেলেদের চুল পড়ার কারন এবং চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

    ছেলেদের চুল পড়াঃ ছেলেদের চুল পড়ার কারন এবং চুল পড়া বন্ধ করার উপায় পোষ্টে আপনাদের স্বাগত্বম। বর্তমান যোগে অল্প বয়সে ছেলেদের চুল পড়া একটি জঠিল সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে। প্রতিদিন 50 থেকে 100 চুল পড়ে যাওয়া স্বাভাবিক, তবে এটির চেয়ে বেশি পড়ে যাওয়া ঠিক নয়। যে সব ছেলে মেয়েদের অল্প বয়সে চুল পড়া সমস্যায় ভোগছেন, তাদের জন্য আজকের এই লেখাটি। 

    ছেলেদের চুল পড়ার কারন এবং চুল পড়া বন্ধ করার উপায়
    চুল পড়া বন্ধ করার উপায়
    আজকের পোষ্টে আপনাদের সাথে ছেলেদের চুল পড়ার কারনচুল পড়া বন্ধ করার উপায় এবং চুল পড়া রোধে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত অলোচনা করব। 
    চুল আমাদের সৌন্দর্য বাড়ানোর ক্ষেত্রে খুবই প্রয়োজন। ভাল এবং ঘন চুল একজন ব্যক্তিকে আকর্ষণীয় এবং খুব সুন্দর করে তোলে। একই সঙ্গে চুলের কোনও সমস্যা থাকলে আমরা খুব মন খারাপ করে থাকি। এই সমস্যাগুলিতে চুল পড়া আরও বেদনাদায়ক। এই ধরণের সমস্যায় কেবল মহিলারা নয় পুরুষরাও অত্যন্ত বিপর্যস্ত। পুরুষদের ক্ষেত্রে যখন চুল বাড়তে থাকে বা চুলের গতি কমতে শুরু করে তখন সমস্যাটি আরও বেড়ে যায়।
    আরও পড়ুন –

    চুল পড়ার কারণ

    জেনে রাখা জরুরী যে, বয়সের সাথে সাথে মানুষের চুল পড়া শুরু হয় এবং তারা টাক পড়ে যায়। এই ক্রিয়াটি মহিলাদের মধ্যেও ঘটে। তবে তাদের লম্বা চুলের কারণে এটি তাদের মধ্যে জানা নেই। পুরুষদের চুল ছোট হয়, তাই তাদের মধ্যে টাক পড়ে দ্রুত ধরা পড়ে।
    চুল পড়ার সমস্যা স্থায়ী এবং অস্থায়ী উভয়ই হতে পারে। চুল পড়ার সমস্যায় ভয় পাওয়ার আগে আপনার জানা উচিত যে, প্রতিদিন আমাদের মাথা থেকে কিছু চুল পড়ে এবং এই চুলের জায়গায় নতুন চুল গজায়। এটি প্রকৃতির নিয়ম। হ্যাঁ, যদি চুলগুলি প্রচুর পরিমাণে বা গুচ্ছগুলিতে পড়ে, তবে চিকিত্সার পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। তো, আসুন পুরুষদের মধ্যে চুল পড়ার কারণ গুলিও জেনে নিই।
    • বেশি চাপ নেওয়া – স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে বেশি চাপের মধ্যে থাকেন তারা বিভিন্ন ধরণের অসুস্থতায় ভুগতে পারেন। অতিরিক্ত চাপের কারণে অনেক সময় চুল পড়াও সমস্যা হতে পারে।
    • চুলে বেশি পরিমানে তেল দেওয়া – চুলে অতিরিক্ত তেল দিলে চুলের গোড়া ভিজে থাকার কারনে চুল পড়তে পারে। 
    • চুলের গোড়া অপরিষ্কার থাকার কারনে – চুলের গোড়া অপরিষ্কার থাকার কারনে চুল পড়া শুরু হতে পারে।
    • হরমোনের পরিবর্তন– হরমোনের পরিবর্তন চুল পড়াও হতে পারে। সাধারণভাবে অতিরিক্ত বা ঘাটতিযুক্ত টেস্টোস্টেরনের কারণে চুল ক্ষতি হয়।
    • অতিরিক্ত ধূমপান বা মদ্যপান – এটি দেখা যায় যে চুল পড়া ক্ষতি হয় তাদের মধ্যে যারা বেশি ধূমপান বা অ্যালকোহল গ্রহণ করেন তাদের মধ্যে দেখা যায়।
    • জেনেটিক সমস্যা– বেশিরভাগ সময় লোকদের মধ্যে চুল পড়ার সমস্যা জেনেটিক হয়। আপরনার বাবা বা দাদার ঢাক পড়ে যায় তাহলে আপনারও একই অবস্থা হতে পারে। জেনেটিকের কারণে আপনি এই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।
    • গুরুতর অসুস্থ হওয়ার কারণে – আপনার চুলও গুরুতরভাবে পড়তে শুরু করে। তবে, এভাবে চালানো চুল পুনরায় গজানো সম্ভব।
    • বেশি ভিটামিন-এ থাকা – শরীরে বেশি ভিটামিন এ থাকাও চুল পড়ার সমস্যা শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে আপনার ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া বন্ধ করা উচিত।

    চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

    চুল পড়া বন্ধ করতে হলে প্রথমেই আপনাকে খারাপ লাইফস্টাইল বা জীবনযাত্রা পরিত্যাগ করতে হবে। কিছু চুল পড়া রোধে করনীয় নিচে দেওয়া হলো- 

    চুলের গোড়া পরিষ্কার রাখুন: 

    অনেক পুরুষ আছে যারা চুল পরিষ্কার রাখে না। যার কারনে চুলের গোড়ায় ময়লা জমে। চুলে গোড়ায় ময়লা জমার কারনেও অনেক ছেলেদের অল্প বয়সে চুল পড়ে যায়। চুলের গোড়া পরিষ্কার রাখতে আপনি সাবান বা স্যাম্পু ব্যাবহার করতে পারেন। তবে নিয়মিত চুলে স্যাম্পু ব্যবহারের কারনে চুল পড়া আরও বেশি বেড়ে যেতে পারে। 

    চুলে অতিরিক্ত তেল দেওয়া:

    আমাদের চুল কালো এবং লম্বা রাখতে চুলে তেল ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আমরা জানি না চুলে বেশি পরিমানে তেল দেওয়া চুল পড়ার অন্যতম কারন। কারন, চুলের গোড়ায় বেশিক্ষন তেল লেগে থাকলে চুলের গোড়া নরম হয়ে যায়। যার ফলে অল্প টানেই চুল উঠে যায়। চুল পড়া বন্ধ করার জন্য চুলে বেশি তেল প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন। 

    বেশিক্ষন চুল ভিজিয়ে রাখবেন না:

    আমরা অনেকেই আছি যারা গুসল করার সময় অনেক্ষন চুল ভিজিয়ে রাখি। বেশিক্ষন চুল ভিজিয়ে রাখলে চুলের গুড়া নরম হয়। ফলে চুল পড়ে। চুল পড়া বন্ধ করার উপায় হলো বেশিক্ষন চুল ভিজিয়ে রাখবেন না। 

    নিয়মিত স্যাম্পু করা পরিহার করুন: 

    নিয়মিত স্যাম্পু ব্যবহার করলে চুল পড়ে যেতে পারে। স্যাম্পুতে আছে রাসায়নিক কেমিক্যাল। যা নিয়মিত ব্যবহার করার ফলে চুলের ত্বক নষ্ট হয়ে যেতে পারে। প্যারাফিন এবং অ্যালকোহল বা অন্যান্য ধরণের রাসায়নিক রয়েছে এমন পণ্য ব্যবহার করবেন না। আপনার চুল যত দীর্ঘ হবে তত বেশি পুষ্টি দরকার। সুতরাং, তাদের সর্বোচ্চ পুষ্টি দিন এবং রাসায়নিক সমৃদ্ধ পণ্যগুলি থেকে তাদের দূরে রাখুন

    স্ট্রেস কমিয়ে রাখুন:

    অতিরিক্ত স্ট্রেস নেওয়া চুল পড়ে যাওয়ার একটি বড় কারণ। অতএব, অফিস, বাড়ি বা অন্যান্য সমস্যায় আপনার স্ট্রেস ছেড়ে দেওয়া জরুরী। চিকিত্সকদের মতে চুলের গ্রন্থিকোষের বৃদ্ধি স্ট্রেসের কারণে হ্রাস বা বন্ধ হয়ে যায়। এ জাতীয় চুল পড়া শুরু হয়। তবে মানসিক চাপ অপসারণ করলে চুল আবার বাড়তে পারে।

    চুলের স্টাইলিং সরঞ্জাম ব্যবহার বন্ধ করুন:

    আজকের সময়ে লোকেরা চুলের স্টাইলিং জিনিস বেশি ব্যবহার করে। যার কারণে চুল দেখতে ভাল লাগতে পারে তবে পরে তা চুল নষ্ট বা পড়া শুরু করে। আসলে, এই সরঞ্জামগুলির অতিরিক্ত ব্যবহার চুলকে শুকনো এবং শিকড় দ্বারা দুর্বল করতে পারে। যে সমস্ত লোকেরা প্রতিদিন এই সরঞ্জামগুলি ব্যবহার করেন, তাদের চুলও দুর্বল এবং পাতলা হতে পারে। তাই চুলের স্টাইলিংয়ের সরঞ্জামটি ব্যবহার বন্ধ করুন। যদি আপনি এটি ব্যবহার বন্ধ করতে না পারেন, তবে এটি ব্যবহারের আগে চুলে হেয়ার সিরাম বা হিট রক্ষক লাগান।

    ধূমপান বন্ধ করুন:

    ধূমপান করলে চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে। এর বাইরে আপনার স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি হতে পারে। সুতরাং আপনি ধূমপান পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া জরুরী। একটি গবেষণা অনুসারে ধূমপান চুলের follicles এর ডিএনএ ক্ষতি করে। এ ছাড়া চুলের বৃদ্ধিও বন্ধ হয়ে যায়। ধূমপান না করে চুল পড়া রোধ করা যায়।

    স্বাস্থ্যকর ডায়েট করুন:

    চুল পড়া রোধ করতে আপনার ডায়েটও পরিবর্তন করতে হবে। স্বাস্থ্যকর ডায়েট কেবল আপনার শরীরকেই উপকারী নয়, আপনার চুলও ভাল হতে পারে। চাইলে আপনি যোগব্যায়াম করতে পারেন। প্রতিদিনের ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনার ডায়েটে মাছ, বেরি, মাংস, সবুজ শাকসবজি এবং বাদামগুলি অন্তর্ভুক্ত করে আপনি আপনার চুল উপকার করতে পারেন। এই সমস্ত জিনিস খাওয়া আপনার চুলকে খুব ভাল করে তোলে।

    চুল পড়া বন্ধ করতে ভিটামিন-ই নিতে পারেন: 

    ভিটামিন – ই এর অভাবেও চুল পড়ে যেতে পারে। চুল পড়া বন্ধ করার উপায় গুলোর মধ্যে একটি উপায় হলো ভিটামিন – ই খাওয়া। যে সব ফলমূল বা শাকসবজিতে ভিটামিন – ই আছে সেগুলো বেশি পরিমানে গ্রহন করবেন। তাড়াছা, কোন ফামের্সি থেকেও ভিটামিন ই ক্যাপসুল সংগ্রহ করতে পারেন। 
    উপসংহারঃ আশা করি, ছেলেদের চুল পড়ার কারন এবং চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – লেখাটি পড়ে চুল পড়ার কারন এবং ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ করার উপায় গুলো খোজে পেয়েছেন। যদি আপনার কোন মতামত থাকে তবে আমদের জানাতে পারেন। 
  • চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার ১০ টি উপায়

    চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার ১০টি উপায় পোষ্টে আপনাদের স্বাগত্বম। অপনি কি চোখের নিচে কালো ছোপ বা দাগ থাকার কারনে খুব চিন্তিত? আজকের লেখায় চোখের নিচে কালো দাগ কেন হয় এবং চোখের নিচে কালো দাগ কিভাবে দূর করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করব। 
    চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার ১০ টি উপায়
    চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার উপায়
    কিছু কিছু মানুষের চোখের নিচে কালো দাগ থাকতে দেখা যায়। যার কারণে তাদের সৌন্দর্য হ্রাস পেতে শুরু করে এবং তাদের অল্প বয়স থাকা সত্ত্বেও তাদের দেখতে বয়সের তুলনায় বেশি মনে হয়। আমাদের মুখের আসল সৌন্দর্য কেবল আমাদের চোখের মাধ্যমে দৃশ্যমান হয়। কিন্তু চোখের নিচে কালো ছোপ বা দাগ থাকলে দেখতে অনেক কুৎসিত লাগে। 
    মেয়েশিশু ও মহিলাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। তবে খাদ্যতালিকাগুলি ও খাবারের কারণে এখন পুরুষদের মধ্যেও এই সমস্যা দেখা যায়। চোখের নিচের কালো দাগের অনেকগুলি কারণ রয়েছে এবং এটি দুরকরার জন্য অনেকগুলি পণ্য বাজারেও পাওয়া যায়।
    অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে যায়। যে লোকেরা রাতে দীর্ঘ সময় ধরে ফোন, টেলিভিশন বা ল্যাপটপ ইত্যাদি ব্যবহার করে রাখে এবং সঠিক ঘুম পেতে অক্ষম হয়, তাদের মধ্যে এই সমস্যাটি বেশি দেখা যায়।
    আরও পড়ুন –

    চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার উপায়

    চোখের নিচের কালো দাগ গুলোকে ডার্ক সার্কেল (Dark Circles) বলে। সহজ কথায় বলতে গেলে ডার্ক সার্কের হলো আপনার চোখের চারপাশের ত্বকের একটি পাতলা স্তর, যার কারনে চোখের নিচে গর্তে কালো দাগ বা ছোপ পড়ে যায়। 
    Dark Circles বা চোখের দাগ আপনাকে বৃদ্ধ, ক্লান্ত, চাপ, অসুস্থ ও হতাশায় পরিণত করে। একটি প্রচলিত পৌরাণিক কাহিনীও রয়েছে যে নির্দিষ্ট বয়সের পরে চোখের নীচে অন্ধকার বৃত্তগুলি ঘটে।
    তবে সত্যটি হ’ল আপনি যদি কোনও কারণে বেশি রাত জেগে থাকেন, পরের দিন সকালে আপনার চোখের নীচে চোখের নিচে কালো বৃত্ত পড়বে। আজকাল অনেকে ক্লান্তি, কম্পিউটারে দীর্ঘ কাজের সময়, ঘুমের অভাব ইত্যাদির কারণে এই সমস্যায় সমস্যায় পড়েছেন
    তাদের চিকিত্সা তাদের কারণগুলির উপর নির্ভর করে। তাহলে আসুন চোখের নিচে কালো দাগ কেন হয় এবং কালো দাগ সরানোর উপায় কি?

    চোখের নিচে কালো দাগ কেন হয়

    চোখের চারপাশে ডার্ক সার্কেল বা কালো দাগ থাকার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে যা নিম্নরূপ।

    ১। টেনশন

    অনেক সময় এমন হয় যে আমরা রাতের সময় টিভি বা ফোন ব্যবহার করি দীর্ঘ সময় ধরে। যা আমাদের চোখকে প্রভাবিত করে এবং আমাদের চোখের উপরে এবং নিচে কালো দাগ পড়ে যায়।

    ২। রোদ

    দীর্ঘায়িত রোদে থাকার বা কাজের কারণে আমাদের শরীরে রঙ্গকতার ঘাটতি দেখা দেয়, এই সময়টিতে আমাদের ত্বকের রঙ কালো এবং চোখের নিচে কালো দাগ ফেলে দেয়। 

    ৩। জলের ঘাটতি

    কম জল পান করা আমাদের দেহে জলের ঘাটতি সৃষ্টি করে এবং এর কারণে চোখের নীচে অন্ধকার বৃত্ত তৈরি হতে শুরু করে। চিকিত্সকরা বলছেন যে পানির অভাবের সময়, আমাদের রক্তের সঞ্চালন সঠিকভাবে হয় না এবং রক্তে ময়লা থাকে যার কারণে পিম্পলস এবং ডার্ক সার্কেল গুলি আমাদের চোখে-মুখে আসতে শুরু করে।

    ৪। সস্তা মেকআপ পণ্য

    এমন কিছু মেয়ে বা মহিলা আছেন যারা মেকআপের খুব পছন্দ করেন। মেকআপ প্রয়োগে কোনও ক্ষতি হয় না, তবে আমাদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যগুলি ব্যবহার করে থাকলে চোখের নিচে কালো দাগ হয়ে যেতে পারে। 

    ৫। অ্যালকোহল এবং ধূমপান

    অতিরিক্ত ধূমপান অ্যালকোহল জাতীয় জিনিস অতিরিক্ত গ্রহণের কারণে চোখের নিচে গর্ত এবং কালো দাগ পড়তে পারে। অতিরিক্ত ধূমপানের কারণে আপনার রক্তনালীগুলি আরও দৃশ্যমান হয়, যার ফলে কালো দাগ হয়।

    ৬। ঘুমের অভাব

    পর্যাপ্ত ঘুম না পেয়েও চোখের চারপাশে কালো দাগ সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘুমের অভাবের কারণে আপনার ত্বকে হলুদভাব দেখা দেয়, যার কারণে চোখের ডার্ক সার্কেল গুলো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। এজন্য আপনি 24 ঘন্টা অন্তত 8 ঘন্টা ঘুমান।
    সুতরাং, আসুন আরও পড়ুন, আমরা চোখের নিচে কালো দাগ দুর করার কিছু ঘরোয়া প্রতিকার জানি। যা আপনি বাড়িতে তৈরি করতে পারেন এবং আপনি উপকৃত হতে পারেন।

    চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার ১০ টি উপায়

    যদিও চোখের চারপাশে কালো দাগ দূর করতে বাজারে প্রচুর ওষুধ পাওয়া যায় তবে ঘরোয়া প্রতিকারের বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। সর্বোপরি, ঘরোয়া উপায়ে কোনও ক্ষতি নেই এবং এটি অর্থ সাশ্রয় করে।
    ঘরোয়া প্রতিকারের মাধ্যমে আপনি আপনার চোখ থেকে কালো দাগ বা অন্ধকার বৃত্তগুলি নির্মূল করতে পারেন।

    ১। টমেটো

    আমাদের শরীরে যখনই ঘরোয়া উপায়ে পরিষ্কার, চকচকে এবং pimples বা ব্রণ ত্বক থেকে অপসারণ করার কথা আসে তখনই টমেটোর নাম নেওয়া হয়।
    একইভাবে, টমেটো চোখের দাগ বা ব্রণ অপসারণের জন্য খুব দরকারী হিসাবে বিবেচিত হয়। চোখের আশেপাশে কালো দাগ গুলি মুছে ফেলার এটি একটি প্রাকৃতিক উপায়, টমেটো নিয়মিত ব্যবহার আমাদের ত্বককে কোমল করে তোলে এবং পরিষ্কার এবং কালো দাগ এবং অন্ধকার বৃত্তগুলি নির্মূল করা হয়।

    ২। ঠান্ডা দুধ

    ঠান্ডা দুধও কলো দাগ গুলি অপসারণের জন্য খুব দরকারী বলে মনে করা হয়। যে কোনও একটি পাত্রের জন্য আপনাকে অল্প পরিমাণে উপযুক্ত দুধ নিতে হবে এবং ঠাণ্ডা করার জন্য এটি ফ্রিজে রাখতে হবে।
    এটি ঠান্ডা হয়ে এলে একটি কাপড় বা সুতির সাহায্যে কালো দাগগুলিতে লাগান এবং 5 মিনিট পরে দুধ হালকা শুকিয়ে এলে স্বাভাবিক জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। আপনাকে এটি ১০ দিন একটানা করতে হবে।

    ৩। অ্যালোভেরা

    অ্যালোভেরা দিয়ে অনেক কিছু পণ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। অ্যালোভেরা ত্বকের এক নিরাময়ে রোগ হিসাবে বিবেচিত হয়। আপনার বাড়িতে অবশ্যই অ্যালোভেরা থাকবে, অন্যথায় আপনি এটি অ্যালোভেরার পাড়া বা বাজার থেকে আনতে হবে। 
    তারপরে এটি চোখের কালো দাগ বা মুখের দাগে লাগাতে পারেন। যথাযথ সুবিধা না পাওয়া পর্যন্ত আপনাকে এটি চালিয়ে যেতে হবে। 

    ৪। বাদাম তেল

    এটি অন্ধকার চেনাশোনাগুলি অপসারণের ক্ষেত্রেও অনেকাংশে উপকারী। ভিটামিন ই প্রচুর পরিমাণে বাদাম তেলতে পাওয়া যায় যা চোখের জন্য উপকারী।
    রাতে ঘুমানোর সময় হালকা হাতে আপনার চোখের নীচে বাদামের তেল লাগাতে হবে। আপনার 1 মাস ধরে এটি করতে হবে। যদি আপনার অন্ধকার চেনাশোনাগুলি শীঘ্রই শেষ হতে শুরু করে, তবে আপনার এটি ব্যবহার বন্ধ করা উচিত।

    ৫। কমলার খোসা

    কমলার খোসা ভাল করে শুকিয়ে গেলে কমলার মধ্যে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। গুঁড়ো করে একটি পাত্রে ঐ গুঁড়ো রেখে তাতে গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।
    তারপরে এটি কালো দাগে বা ব্রণের দাগে প্রয়োগ করতে হবে এবং 10 মিনিটের পরে, মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। 

    ৬। লেবুর রস

    গ্রীষ্মে লেবু খুব উপকারী বলে প্রমাণিত হয়। আমরা গ্রীষ্ম কালে সরবরে সাথেে এবং এটি বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করি। ওজন কমানোর জন্য লেবুও খুব সুপরিচিত।
    আপনাকে 1 টি লেবু নিতে হবে এবং এটি মাঝখানে কাটতে হবে এবং একটি তুলো বা সুতির কাপড়ে লেবুর রস বের করে চোখের কালো দাগ গুলোতে বা মুখেল দাগগুলোতে খুব হালকা হাতে লাগাতে হবে।

    ৭। শসা

    শসা বেশিরভাগ সালাদে ব্যবহৃত হয়। তবে আপনি কি জানেন যে শসাটি আমাদের ত্বক এবং ত্বকের জন্যও কার্যকর। হ্যাঁ, আপনি যদি শসা কেটে এটি আপনার চোখের কারো দাগে বা মুখের ব্রনের দাগে লাগান তাহলে অবশ্যই আপনি উপকার পাবেন।
    যদি আপনি মুখের দাগে বা চোখের দাগে ঠান্ডা শসা প্রয়োগ করেন, তবে খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনি একটি যতেষ্ঠ উপকার পাবেন। কারণ ঠান্ডা শসাগুলির সাহায্যে আপনার ত্বকের তাপ বেরিয়ে আসবে। আপনি প্রায়শই ফিল্মগুলিতে দেখেছেন যে লোকেরা তাদের চোখে শসার টুকরো রাখে। তারা এমনটি করেন যাতে চোখ শিথিল হয়।

    ৮। ক্যাস্টর অয়েল

    যেখানেই চুল বা ত্বক সম্পর্কিত কোনও বিষয় রয়েছে, সেখানে অবশ্যই ক্যাস্টর অয়েলের উল্লেখ রয়েছে। আসলে এটি চুল এবং ত্বকের জন্য খুব উপকারী।
    আপনার চোখের কালো দাগ গুলো সরিয়ে ফেলতে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। আপনার ঘুমের সময় আপনার অন্ধকার বৃত্তগুলিতে ক্যাস্টর অয়েল প্রয়োগ করতে হবে এবং ঘুমাতে যেতে হবে। সকালে ওঠার পরে আপনার মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে এবং মুখ ধোওয়ার সময় সাবান ব্যবহার না করা ভাল।

    ৯। কাঁচা আলু

    যদিও আলু রান্নার জন্য ব্যবহৃত হয় তবে কাঁচা আলুর সাহায্যে আপনি আপনার চোখের দাগ এবং চোখের চারপাশের বৃত্ত থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এজন্য আপনাকে বাজার থেকে কাঁচা আলু কিনতে হবে।
    আলু একটি সাধারণ জিনিস যা আপনার বাড়ির রান্নাঘরে উপস্থিত থাকবে। আপনাকে আলু কে টুকরো টুকরো করে কাটাতে হবে এবং এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য আপনার চোখের গর্তে বসিয়ে রাখতে হবে বা আপনি আলু থেকে রস বের করতে পারেন। এটি করা আপনার পক্ষে আরও উপকারী হবে ।

    ১০। বাদাম এবং দুধ

    বাদামকে আমাদের ত্বকের জন্য বেশ উপকারী এবং উপকারী বলে মনে করা হয়। যদিও বাদাম এবং দুধ আমাদের দেহের জন্য সঠিক পরিমাণ শক্তি এবং শক্তি সরবরাহ করে, তবে বাদাম এবং দুধের মিশ্রণটি আমাদের চোখের গর্তের কালো দাগ থেকে মুক্তি দিতে পারে।
    আপনাকে 2 থেকে 3 টি বাদাম পিষতে হবে এবং এতে খুব অল্প পরিমাণে দুধ মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করতে হবে এবং এটি চোখে লাগাতে হবে। এটি একটি খুব উপকারী পদ্ধতি, যা শীঘ্রই আপনার উপকার করবে।
    উপসংহারঃ এই (chokher niche kali dur korar upay) পোস্টের মাধ্যমে আমরা আপনাকে জানিয়েছি চোখের নিচে কালো দাগ কেন হয় এবং চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার উপায় কি? এই নিবন্ধটি পড়ার পরে, আপনি ঘরোয়া উপায় চোখের নিচের কালো দাগ সরিয়ে ফেলতে পারবেন। আপনার চোখের চারপাশের কালো দাগ গুলো সহজেই মুছে ফেলতে পারেন।
  • ৬ষ্ঠ – ৯ম শ্রেণির ৩য় অ্যাসাইনমেন্ট। Assignment – ‍ajkerfact

    ৬ষ্ঠ - ৯ম শ্রেণির ৩য় অ্যাসাইনমেন্ট। Assignment

    Assignment Class 6, 7, 8, 9:৬ষ্ঠ – ৯ম শ্রেণির ৩য় অ্যাসাইনমেন্ট। Assignment– আপনাদের স্বাগত্বম। আপনি নিশ্চই ষষ্ঠ / সপ্তম/ অষ্টম / নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ডাউনলোড করতে এখানে এসেছেন। তাহলে আপনারা একদম রাইট স্থানেই এসেছেন। আজকের আমারা ৬ষ্ঠ – ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট পাবলিশ করব।

    ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট

    PDF ডাউনলোড লিংক থেকে আপানারা সহজেই যাতে ৬ষ্ঠ শ্রেণি, সপ্তম শ্রেণি, অষ্টম শ্রেণি বা নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট সহজেই আপনার মোবাইল ফোনে সেভ করে রাখতে পারবেন। আশা করি, আজকের লেখাটি আপনারা মনোযোগ সহকারে পড়বেন।
    বাংলাদেশের মাধ্যমিক লেভেলের ছাত্রছাত্রীদের মূল্যায়নের জন্য ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়েছে। ০১ এপ্রির ২০২১ মাউশি থেকে মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশিত করা হয়।
    আমাদের বাংলা ব্লগ সাইট www.ajkerfact.com ভিজিটরদের জন্য অলাদা আলাদা এসাইমেন্ট প্রকাশের ব্যবস্থা করা হইছে। নিচে থাকা পিডিএফ ডাউনলোড লিংক দেওয়া থাকবে সেখান থেকে আপনারা  Assignment Class 6, Class 7, Class 8, Class 9 এর সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট ডাউনলোড করতে পারবেন। 

    অ্যাসাইনমেন্ট ৩। Assignment।

    নিচে ৬ষ্ঠ শ্রেণি, ৭ম শ্রেণি, ৮ম শ্রেণির এবং ৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হলো। যারা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে নবম শ্রেনির ৩য় এসাইনমেন্ট ডাউনলোড করতে চান তারা নিচের লিংক থেকে  পিডএফ ফাইলটি ডাউনলোড করুন করুন। 
    ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ৩pdf ডাউনলোড করুন। 

    অ্যাসাইনমেন্ট করার নিয়ম:

    • এসাইনমেন্টের শিরোনাম: এসাইনমেন্টে নাম লিখতে হবে।
    • বিদ্যালয়ের নাম: শিক্ষার্তাথীদের স্ব স্ব বিদ্যালয়ের নাম দিতে হবে।
    • তারিখ: এসাইনমেন্ট যে তারিখে তৈরি সেই তারিখ দিতে হবে।
    • বিষয়: বিষয়ের নাম লিখতে হবে। 
    • শ্রেণি: আপনি যে শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট লিখবেন সেই শ্রেণি লিখতে হবে। 
    • শাখা: শাখা লিখতে হবে।  
    • রোল: আপনার ক্লাস রোল লিখতে হবে।
    টিপস: 
    • অ্যাসাইনমেন্ট A4 কাগজের মধ্যে লিখবেন। 
    • প্রতিটি শিক্ষার্থীর এসাইনমেন্ট নিজ হাতে লিখতে হবে। 
    • Assignment নিজ হতে লিখার পর স্কুল বা কলেজের ওয়েপসাইটে স্কেন করে সাবমিট করতে হবে।
    শেষকথা:৬ষ্ঠ – ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট। Assignment – এর সমাধান আমাদের ওয়েপসাইটে দেওয়া হবে। আপনারা আপনাদের ইমেইল সাবস্ক্রইব করে রাখবেন তাহলে আপনাদের ইনবক্সে পোষ্টের আপডেট চলে যাবে। অ্যাসাইনমেন্ট করার নিয়ম অনুসারে আপনারা এসাইনমেন্ট তৈরি করবেন। 
  • স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির 10 টি উপায়

    হ্যালো বন্ধুরা! স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির 10 টি উপায় পোষ্টে আপনাদেরন স্বগত্বম আপনি কি কখনও খেয়াল করেছেন, কিছু লোক দ্রুত এবং সহজেই অতি ক্ষুদ্র জিনিসগুলো মনে রাখে। আপনি কি এটি করতে শিখতে চান? আপনি এটি করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে আপনার মস্তিষ্ককে আরও সক্রিয় করতে হবে। আপনার মস্তিষ্কের শক্তি উন্নত করতে এই পরামর্শগুলি অনুসরণ করুন।
    স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির 10 টি উপায়
    স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির 10 টি উপায়

    আরও পড়ুন –

    স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির উপায় ১০ টি টিপস

    নিচে স্মরণ শক্তি বাড়ানোর কিছু টিপস শেয়ার করব। যেগুলো চর্চা করলে আপনার  brain power improve করতে পারবেন। 

    ১। ব্যায়াম করুন:

    ব্যায়াম আপনার শরীরকে কেবল ফিট রাখে না, বরং এটি আপনার মস্তিষ্ককেও কাজ করে। নিয়মিত ব্যায়াম না করার ফলে আপনার মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহকারী ধমনীগুলি দুর্বল হয়ে পড়ে। এই ধমনীতে, ফলক জমা হয়, যা অক্সিজেনকে সঠিকভাবে সরবরাহ করতে দেয় না। এটি এড়াতে প্রতিদিন ব্যায়াম করুন এবং হাঁটুন।

    ২। টেনশন বা মানসিক চাপ থেকে দুরে থাকুন:

    যে কোনও কিছু যা আপনাকে মানষিক চাপ দেয়, যেমন টেনশন।  এ জাতীয় জিনিস এড়ানো উচিত। অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে আপনার হতাশার সমস্যায় ভুগতে পারেন। হতাশা আপনার স্মরণ শক্তি দুর্বল করে তোলে । আপনি কোন কিছুর প্রতি মনোনিবেশ করতে পারবেন না। এড়াতে পেশাদারদের (চিকিত্সকদের) পরামর্শ নিন। পড়ুন – ১০ টি জীবনে সুখী হওয়ার উপায়

    ৩। পর্যাপ্ত ঘুমানো: 

    প্রতিদিন 7 – 8 ঘন্টা অবিরাম ঘুম প্রয়োজন। এটি আপনার স্মৃতি শক্তি বাড়িয়ে তুলবে। যথাযথ ঘুমের সাথে সাথে আপনার মস্তিষ্ক সক্রিয়ভাবে কাজ করবে এবং আপনি সহজেই জিনিসগুলি মনে রাখতে সক্ষম হবেন। কারণ যখন আমরা গভীর ঘুম পূর্ণ করি তখন এটি স্মৃতিশক্তিটিকে তীক্ষ্ণ করে তোলে। এমনকি কাজের সময়, 10 – 15 মিনিটের জন্য একটি ঝাঁকুনি নিন, এটি মস্তিষ্কের চার্জ তৈরি করে। পড়ুন – 

    ৪। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি লিখে রাখুন: 

    আপনি যদি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মনে রাখতে চান তবে তা লিখে রাখুন। লেখার মাধ্যমে এটি আমাদের জিনিস মুখস্ত করতে সহায়তা করে। লেখার মাধ্যমে, আমাদের দেহে অক্সিজেনযুক্ত রক্তের সঞ্চালন বেড়ে যায় এবং এটি মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ণ করে তোলে। 

    ৫। গান শুনুন

    গবেষণায় দেখা গেছে যে, সঙ্গীত স্মৃতি শক্তি বা স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি করার খুব ভাল উপায়। যদি আপনি একটি সংগীত শোনার সময় কিছু মনে রাখেন তবে পরে, সেই সংগীত মানসিকভাবে বাজিয়ে আপনি নিজের স্মৃতিটি স্মরণ করতে পারেন।

    ৬। স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির জন্য পুষ্টিকর খাবার খাবেন:

    দেহের যেমন কাজ করার জন্য শক্তি প্রয়োজন, তেমনি মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ন করার জন্যও শক্তি প্রয়োজন। আপনার মস্তিষ্কের 50 থেকে 60 শতাংশ ওজন পুরো ফ্যাট। চর্বি স্মৃতি শক্তি বাড়াতে খুব সহায়ক। তাই প্রচুর মিশ্র চর্বিযুক্ত এমন খাবার খেয়ে আপনি দীর্ঘদিন ধরে জিনিসগুলি মনে রাখতে পারেন। সবুজ শাকসব্জী যতটা সম্ভব খাওয়া উচিত।

    ৭। যোগব্যায়াম করুন:

    যোগব্যায়াম আমাদের শরীরকে সুস্থ্য রাখতে সহায়তা করে এবং স্মৃতি শক্তি বাড়াতে এটি খুবই কার্যকর। যোগ ব্যায়াম কি এবংযোগব্যায়াম করার উপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত লেখাটি পড়ুন। 

    ৮. অন্যকে শিক্ষা দিন:

    আমরা যা মনে রাখতে চাই তা জোরে জোরে পাঠ করেও আমরা এটি স্মরণ করি। একইভাবে, গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, আমরা যখন অন্যের কাছে কিছু পড়ি তখন তা আমাদের মস্তিষ্কে সেই জিনিসটি আরও ভাল করে মুখস্থ করে। এর অর্থ আপনি অন্যকে শিখিয়ে আপনার স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ন করতে পারেন।

    ৯। Crossword Puzzles, Cards খেলুন:

    গবেষণায় দেখা গেছে যে নিয়মিত এই দুটি জিনিস করে আপনার মস্তিষ্ক আরও সক্রিয় করে তুলতে পারে। 

    ১০। নাস্তায় একটি ডিম খান

    ব্রেন ট্রাস্ট প্রোগ্রামের লেখক M.D, Larry McCleary এর মতে, ডিম একটি আদর্শ প্রাতঃরাশ। ডিমের মধ্যে ভিটামিন বি রয়েছে যা গ্লুকোজ জ্বালায়। এ ছাড়া প্রাতঃরাশে সবুজ শাকসব্জী, ফলমূল এটি গ্রহণ করা। স্বাস্থ্যকর নাস্তা আপনার পুরো দিনের কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
    স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির 10 টি উপায় লেখাটি থেকে স্মরণ শক্তি বা স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির উপায় সর্ম্পকে জানতে পেরেছেন। 
  • মুভমেন্ট পাস আবেদন করার নিয়ম।

    আস্সালামু আলাইকুম। মুভমেন্ট পাস আবেদন করার নিয়ম পোষ্টে আপনাদের স্বাগত্বম। কভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে বাংলাদেশ সরকারের কিছু বিধিনিষেধ থাকছে। 21 এপ্রিল নাগাদ জরুরি সেবার দরকারে যাতায়ত বা চলাফেরার জন্য লাগবে movement pass। মুভমেন্ট পাস- দিতে সর্বমোট ১৪ ‍টি শ্রেণিতে বাংলাদেশ পুলিশ একটি বিশেষ অ্যাপ চালু করেছে ।

    মুভমেন্ট পাস আবেদন করার নিয়ম
    মুভমেন্ট পাস আবেদন করার নিয়ম

    কাচাঁবাজারে ও মুধির দোখানে, হাসপাতাল ও ফার্মেসিতে, কৃষিকাজ, যাতায়ত ও চলাফেরা, পন্যদ্রব্য পরিবহনে, ত্রাণ বিতরণ, মৃতদেহ সৎকার ও ব্যবসার ক্ষেত্রে মুভমেন্ট পাস দেওয়া হবে।
    এই লকডাউনে বাড়ি থেকে নিতান্ত দরকারে কেউ বের হতে চাইলে মুভমেন্ট পাসের জন্য নিচের নিয়ম অনুসারে মুভমেন্ট পাসের আবেদন করতে হবে।

    মুভমেন্ট পাসের আবেদন

    আজকের পোষ্টে পুলিশের মুভমেন্ট পাস আবেদন করার নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত পোষ্টটি লেখা হয়েছে। movement pass আবেদন করার জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে। নিচে মুভমেন্ট পাস ওয়েপসাইট এবং আবেদন করার নিয়ম বিস্তারিত লেখা হয়েছে। 

    নিচের ধাপগুলো অনুসরন করে আপনি মোবাইল দিয়ে বা কম্পিউটারে movement pass আবেদন করে নিন।
    ১। আবেদন করার ওয়েপসাইট হলো – https://movementpass.police.gov.bd/। এই লিংকে ক্লিক নিচের  চিত্রের মতো একটি পাতা প্রদর্শিত হবে। 
    মুভমেন্ট পাস আবেদন
    ২। উপরেরে ছবিটির অনুরুপ, মুভমেন্ট পাসের আবেদন একটি বাটন থাকবে সেখানে ক্লিক করবেন। এবার আপনার মোবাইল নাম্বার টাইপ করতে হবে এবং আপনার জন্ম তারিখ লিখে সাবমিট করতে হবে। তারপর নিচের ছবিটির মতো একটি পাতা চলে আসবে।
     

    মুভমেন্ট পাস

    ৩। এবার আবেদনকারীর যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। প্রথমে আবেদনকারী কোন জায়গা হতে কোন জায়গায় যাবে সে জায়গা লিখতে হবে। আবেদনকরী পুরুষ না মহিলা তা নির্বাচন করতে হবে। কি জন্য পাসের প্রয়োজন এবং পাস ব্যবহারের তারিখ লিখে সাবমিট করতে হবে।
    movement pass
    ৪। সবকিছু সাবমিট করার পর আবেদনকরীকে মুভমেন্ট পাস দেওয়া হবে। সেটি প্রিন্ট করতে রাখতে হবে।
    মুভমেন্ট পাস আবেদন করার পর পুলিশ যাচাই করে অনলাইনে কিউআর কোড স্ক্যানারসহ পাস দিওয়া হবে। পুলিশ ঐ পাস কোড স্ক্যান করে আবেদনকারীর যাততীয় ইনফরমেশন পরীক্ষা করে অনুমতি দিবে।
    যাদের স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট ব্যবস্থা ব্যবহার করেন তারা নিচের কমেন্ট বক্সে তাদের যাবতীয় তথ্য দিলে আমরা আপনাদের মুভমেন্ট পাস আবেদন করে দিবো একদম বিনামুল্যে।
  • মেয়ে পটানোর মেসেজ / এস এম এস

    মেয়ে পটানোর মেসেজ
    মেয়ে পটানোর মেসেজ

    মেয়ে পটানোর মেসেজ / এস এম এস পোষ্টে আপনাদের স্বাগতম। আপনি নিশ্চই কোন মেয়েকে পছন্দ করেন এবং তাকে কিভাবে ইমপ্রেস করে ভালোবাসার কথা বলা যায় সেটা ভাবছেন? এখন ফেসবুক এর যোগে মেসেজ বা এসএমএস এর মাধ্যমে মেয়ে পটানো একদম সহজ ব্যপার। এই পোষ্টে আমরা এমন কিছু মেয়ে পটানোর মেসেজ শেয়ার করবো যেগুলো পড়লে যেকোন মেয়ে পটে যাবে।  
    জীবনে ভালো একজন সঙ্গী পেতে কে না চায়? অনেক মানুষ আছে শুধু সাহসের অভাবে পছন্দের মানুষটাকে ভালোবাসার কথা বলতে পারে না। আবার অনেকে হয়তো ভালোবাসার কথা জানিয়েও ব্যর্থ হয়ে পড়েছে। ভালোবাসার কথা যদি মুখে বলতে না পাড়েন তাহলে এস এম এস বা মেসেজ করে বলতে পারেন। 
    আপনার পছন্দের মানুষটাকে ইমপ্রেস করতে মেয়ে পটানোর এস এম এস, মেসেজ, রোমান্টিক স্ট্যাটাস একটি কার্যকরি মাধ্যম।
    মেয়ে পটানোর রোমান্টিক মেসেজ এবং মেয়ে পটানোর এস এম এস নিয়ে আজকের পোষ্টটি সাজানো হয়েছে। আশা করি, মেয়ে পটানোর মেসেজ গুলো আপনাদের ভালো লাগবে। 

    মেয়ে পটানোর মেসেজ

    মিষ্টি হেসে কথা বলে,,,,,, পাগল করে দিলে। 
     তোমায় নিয়ে হারিয়ে যাবো ঐ আকাশের নীলে।
     তোমার জন্য আমার মনে অফুরন্ত আশা,
     সারা জীবন পেতে চাই তোমার ভালোবাসা ।
    ******** মেয়ে পটানোর মেসেজ ১  ********
    ভালোবাসা মানে তার কাছ থেকে কিছু আশা করা নয়
    বরং ভালবাসা মানে,,,,,,যেকোন মূল্যে তাকেই সবকিছু দেওয়া। 
    ভালবাসা মানে একজনে প্রতি অন্যজনের আকর্ষণ
    যাকে সে নিজের সুখে-দুঃখে পাশে রাখতে চায়। 
    ******** মেয়ে পটানোর মেসেজ ২ ********
    খুজে দেখ হ্রদয় মাঝে.,.,.,.,., আছি আমি স্বপ্নের সাঁজে। 
     তোমার ওই চোখের তারায়,….,.,.,..,., হাজার স্বপ্ন এসে দাঁড়ায়।
     সুখের সে স্বপ্নের মাঝে সবসময় পাবে তুমি আমায় ।
    ******** মেয়ে পটানোর মেসেজ ৩ ********
    ভালোবাসা মানে হলো একজনের সব দোষগুলো জেনে যাওয়া 
    সেগুলোর জন্যে তাকে আরো বেশী করে ভালবাসা।।।।
    ****** আই লাভ ইউ******
    ******** মেয়ে পটানোর মেসেজ ৪ ********
    চুপি চুপি বলি তোমায়,…,,,,,..,,,. আমায় ছেড়ে যেন দুরে যেওনা। 
    আছো তুমি আমার হৃদয়ের একদম গহীন বনে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
    তোমায় ছাড়া আমি বাচতে পারবনা এই ভুবনে।।।।
    আরও পড়ুন – ভালোবাসার এস এম এস
    ******** মেয়ে পটানোর মেসেজ ৫ ********
    ভালোবাসা চাদেঁর মতো সত্য
    শিশির ভেজা ফুলের মত পবিত্র।
    কিন্তু,,সময়ের কাছে পরাজিত
    বাস্তবতার কাছে অবহেলিত।।।।
    ******** মেয়ে পটানোর মেসেজ ৬ ********
    সুন্দর সে তো Sopno চাইনা মলিন হবে ।
     জীবন সে তো গল্প লিখিনা নষ্ট হবে ।
     মন সে তো মন্দির ভেঙ্গনা পাপ হবে ।
     Valobasa সে তো সত্য ভুল বুঝোনা হারিয়ে যাবে ।
    ******** মেয়ে পটানোর মেসেজ ৭ ********
    Prem – তুমি বড়ই কঠিন,,,,,,,,,, Prem এ না পড়লে কখনও বুঝা যায় না ।
    Prem বড়ই কঠিন,,,,,,,,,,,
    Prem এ না পড়লে জীবনকে অনুভব করা যায় না।।।।
    ******** মেয়ে পটানোর মেসেজ ৮ ********
    সত্যিকারের Valobasa জীবনে ১বার হয়।
    কোন সময়…,,,, কোন জায়গায়…….,,,কার সাথে
    কিভাবে হয় তা কখনও কেউ বলতে পরে না।
    হয়তো,,, আমিও তোমাকে ভালোবেসে ফেললাম।।
    ******** মেয়ে পটানোর রোমান্টিক মেসেজ ********

    মেয়ে পটানোর এস এম এস

    মেয়ে পটানোর এস এম এস
    মেয়ে পটানোর এস এম এস

    কিছু কিছু কথা থাকে……,,,,, যা মুখে বলা যায় না
    তা চোখে দিয়ে বুঝে নিতে হয়।ৎ
    আর,,,, তা যদি হয় 1st প্রেম অার 1st দেখা।
    সে চোখের ভাষা বুজতে হবে।।।।।।।।
    ****** মেয়ে পটানোর এস এম এস ১ ******
    Jibon কারো জন্যে থেমে থাকে না
    কিন্তু মনটা মাঝে মাঝেই থেমে যায়
    প্রিয় মানুষটার জন্যে ********
    ****** মেয়ে পটানোর এস এম এস ২******
    আমিতো হাত বাড়িয়ে দাড়িয়ে আছি,,,,,,,
    তোমার ভালোবাসা নিব বলে,
    দাও তুমি কত ভালোবাসা দিবে আমায় ।
    বিনিময়ে একটি হৃদয় তোমাকে দিবো
    যা কখনো ফিরিয়ে নেবার নয়।।।।।
    ****** মেয়ে পটানোর এস এম এস ৩ ******
    কাউকে আবেগের ভালোবাসা দিওনা
    মনের ভালোবাসা দিও,,,,,,,,,,,,,,,
    কারণ আবেগের ভালবাসা…..,.,,.,,.
    ১দিন বিবেকের কাছে হেরে যাবে
    আর মনের ভালোবাসা চিরদিন থেকে যাবে
    ****** মেয়ে পটানোর এস এম এস ৪ ******
    খু জে দেখো হ্রদয় মাঝে……,, আমি আছি স্বপ্নের সাঁজে।।।।
    তোমার ৈঐ ৈচোখের তারায়……,,, হাজারও স্বপ্ন এসে দাঁড়ায়,
    সুখের সেই স্বপ্নের মাঝে….,,.,,,,,, পাবে সারাজীবন তুমি আমায় !
    ****** মেয়ে পটানোর রোমান্টিক এস এম এস ******
     
    চেহারা দেখে যদি মানুষ চেনা যেতো,,,,,, তাহলে –
    ভুল মানুষের প্রেমে পরে এতো কাঁদতে হতো না
    ******** মেয়ে পটানোর এসএমএস ******
    তুমি সেই কবিতা,,,,,,,,,,,,!
    যা প্রতিদিন ভাবি,,,,,,, কিন্তু লিখতে পারি না।
    তুমি সেই ছবি,,,,,,,,,,,,,,,!
    যা কল্পনা করি,,,,,,,, কিন্তু আঁকতে পারি না ।
    তুমি সেই ভালোবাসা,,,..,,,,,,,!
    যা প্রতিদিন চাই,,,,,,,,,, কিন্তু কখনোই পাই না ।
    ******* মেয়ে পটানোর কবিতা ******
    চাঁদ তুমি যেমন রাতকে ভালোবাসো
    আমিও ঠিক তেমনি করে……..,,,,,
    একজনকে ভালোবাসি ……,,, ।
    তোমার ভালোবাসা যেমন করে কেউ বুঝে না।
    ঠিক তেমনই করে,,,,,,,,,,
    সে আমার ভালোবাসা বুঝে না ।
     
    ******* মেয়ে পটানোর ছন্দ ******
    SMS হয়ে থাকবো…,,,,,,
    আমি তোমার হৃদয় জুড়ে…..।
    Ring Ton হয়ে বাজব আমি,,, মিষ্টি মধুর সুরে।
    কখনো ভেবোনা আমি.,,,,,, তোমার থেকে দুরে।
    বন্ধু হয়ে আছি,,,,, আমি তোমার নয়ন জুড়ে ।
    ******* মেয়ে পটানোর SMS ******
    মন দেখে ভালোবাসো……,,,,, ধন দেখে নয়।
    গুন দেখে প্রেম করো.,,,,,,,, রুপ দেখে নয়।
    রাতের বেলায় সপ্ন দেখো.,,,,,,,,,দিনের বেলায় নয়।
    একজনকে ভালোবাসো…….,,,,,,,,দশ জনকে নয়।।
    *******মেয়ে পটানোর স্ট্যাটাস ******
    আরও পড়ুন –
    আশা করি, মেয়ে পটানোর মেসেজ / এস এম এস / কবিতা / ডাইলগ / স্ট্যাটাস গুলো ভালো লেগেছে।মেয়ে পটানোর মেসেজ (maya potanor sms) গুলো থেকে একটি আপনার পছন্দের মানুষটাকে পাঠিয়ে তাকে ইমপ্রেস করে নিন। 
  • ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং রেজাল্ট দেখার নিয়ম

    ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং রেজাল্ট দেখার নিয়ম
    ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং রেজাল্ট দেখার নিয়ম

    পলিটেকনিক রেজাল্টঃ আস্সালামু আলাইকুম। ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং রেজাল্ট দেখার নিয়ম পোষ্টে আপনাদের স্বাগতম। আপনি নিশ্চই কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং রেজাল্ট দেখার নিয়ম জানতে এখানে এসেছেন? এই পোষ্টে কারিগরি রেজাল্ট (ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং) রেজাল্ট দেখার নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। 
    ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এর যাবতীয় কার্যক্রম বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর উপর ন্যাস্ত। পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং রেজাল্ট BTEB এর ওয়েবসাইট www.bteb.gov.bd এ প্রকাশিত করার হয়। 
    আমাদের দেশে প্রত্যেক বছর সরকারি এবং বেসরকারি পলিটেকনিক ইস্টিটিউট থেকে হাজার হাজার বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী সেমষ্টার ফাইনাল পরীক্ষা দেয়। এইসব পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষা কার্য়ক্রম কারিগরি শিক্ষা বোর্ড দ্বারা পরিচালিত হয়। 
    BTEB তাদের ওয়েপসাইট www.bteb.gov.bd এ কারিগরি শিক্ষার যাবতীয় নোটিশ ও ফলাফল PDF প্রকাশ করে। রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার দিন সকল শিক্ষার্থী ঐ ওয়েপসাইটে ভিজিট করার কারনে ঐ ওয়েপসাইট লোড হতে সময় লাগে। ঐ সমস্যা এড়াতে আমাদের দেওয়া লিংক থেকে খুব সহজে ফলাফল বের করতে পারবেন। 

    ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং রেজাল্ট

    আজকের পোষ্টে পলিটেকনিক (polytechnic) বা ডিপ্লোমা রেজাল্ট (Diploma result) দেখার নিয়ম নিয়ে আলোচনা করবো।

    ডিপ্লোমা রেজাল্ট কবে প্রকাশিত হবে?

    ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ফলাফল কখন প্রকাশিত হবে তা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের উপার নির্ভর করে। প্রতিবছর পলিটেকনিকের রেজাল্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার দেড় মাস পড়েই ফলাফল প্রকাশিত করা হয়। যেহেতু এবছর সকল সেমিস্টারের ফাইনাল ও রেফার্ড পরীক্ষা করোনা ভাইরাস এর কারনে অনেক দেরিতে শুরু হয়েছে, তাই কিছুদিন অপেক্ষা করার পরই আপনার কাঙ্কিত রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।

    ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষার তথ্য
    পরীক্ষার নাম – পর্ব সমাপনী পরীক্ষা
    পরীক্ষার বছর
    পরীক্ষা শুরু
    পরীক্ষা শেষ
    ফলাফল প্রকাশের তারিখ

    ডিপ্লোমা রেজাল্ট দেখার নিয়ম:

    কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পলিটেকনিক রেজাল্ট কিভাবে দেখবো? এ ডিপ্লোমা শিক্ষার্থদের মনে একটাই প্রশ্ন। ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং রেজাল্ট দেখাতে প্রথমে আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপটির সাথে ইন্টারনেট কানেকশন যুক্ত করুন। তারপর নিচের ধাপগুলো ফলো করুন-
    ধাপ – ১: আপনার ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এর ঠিকানা www.bteb.gov.bd লিখে Go অথবা Enter বাটনে ক্লিক করুন।
    ধাপ – ২: কিছু সময়ের মধ্যেই আপনি পৌছে যাবেন  শিক্ষা বোর্ডের হোমপেজে। এবার ম্যানু থেকে রেজাল্ট তারপর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এ ক্লিক করুন । নিচের চিত্রের মতো একটি পাতা চলে আসবে। 
    ডিপ্লোমা রেজাল্ট দেখার নিয়ম
    ডিপ্লোমা রেজাল্ট দেখার নিয়ম

    ধাপ – ৩: এবার নিচের নিয়ম অনুসারে পরীক্ষার্থীর তথ্য দিতে হবে –
    1. Select Exam Type: ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং সিলেক্ট করুন।
    2. Select Exam Year: পরীক্ষার বছর নির্বাচন করুন।
    3. Type Roll No: আপনার বোর্ড রোল লিখুন।
    4. Type Reg No (Optional): রেজিস্টেশন নম্বর লিখুন। (যেহেতু অবশনাল তাই না লিখলেও চলবে)
    ধাপ – ৪: View Result এ ক্লিক করার পর আপনার রেজাল্ট বের হয়ে যাবে। 
    আশা করি, ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং রেজাল্ট দেখার নিয়ম পড়ার পর আপনার রেজাল্ট নিজেই মোবাইল দিয়ে দেখতে পারবেন। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ৩য় পর্ব, ৪র্থ পর্ব, ৫ম পর্ব, ৬ষ্ঠ পর্ব, ৭ম এবং ৮ম পর্বের রেজাল্ট  এই পদ্ধতিতে বের করতে পারবেন। 
  • কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট MS Word

    MS word কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট
    কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট

    কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট MS Word পোষ্টে আপনাদের স্বাগত্বম। আপনি নিশ্চই মাইক্রোসফট ওয়ার্ড কীবোর্ড শর্টকাট গুলো জানতে বা এম এস শর্টকাট pdf ডাউনলোড করতে এখানে এসেছেন। আপনি তবে ঠিক সাইটেই ব্লগ সাইটেই এসছেন। আজকের পোষ্ট থেকে আপনি এম এস ওয়ার্ড কীবোর্ড শর্টকাট pdf (MS word Keyboard shortcut) জানতে পারবেন।
    Computer shortcut keys এক বা একাধিক কীগুলির একটি গ্রূফ যা একটি নির্দিষ্ট কমান্ড কার্যকর করতে সহায়তা করে। বাংলাতে সাধারনত বিজয় ৫২ বা অভ্র কীবোর্ড সবচেয়ে বেশি ব্যবহ্রত হয়। কীবোর্ড শর্টকাটগুলো সাধারণত Alt, Ctrl, Shift, Windows key ইত্যাদি ব্যবহার করে কীছু অন্যান্য কী ব্যবহার করে চালিত হয়।
    কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাটগুলি কম্পিউটার সফ্টওয়্যারটিতে কমান্ড এবং কার্যকর করার একটি সহজ এবং দ্রুত উপায়। যদি কোনও কারণে আপনার মাউস কাজ বন্ধ করে দেয় তবে আপনি এই shortcut keys গুলির সাহায্যে কম্পিউটার চালাতে পারেন।
    আজকের পোষ্টে কীবোর্ড শর্টকাট মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এম এস ওয়ার্ড কীবোর্ড শর্টকাট (MS word keyboard shortcut) আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। 

    এম এস ওয়ার্ড বাংলা কীবোর্ড শর্টকাট

    কীবোর্ড শর্টকাট pdf: Microsoft Windows এর প্রতিটি সংস্করণের জন্য নীচে সাধারণভাবে ব্যবহৃত MS Word Keyboard শটকার্ট গুলির একটি তালিকা রয়েছে।
    MS word কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট এর তালিকা:
    কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট
    এম এস ওয়ার্ড কীবোর্ড শর্টকাট শর্টকাট (keyboard shortcut)
    Ctrl + A সিলেক্ট অল। (All Select)
    Ctrl + B টেক্সট বোল্ড। (Bold)
    Ctrl + C কোন কিছু copy করা। (Copy)
    Ctrl + D ফন্ট চেঞ্জ করার ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা।
    Ctrl + E সেন্টার এলাইনমেন্ট করা।
    Ctrl + F কোন Word খোঁজা বা replace করা। (Find World)
    Ctrl + G গো টু কমান্ড।
    Ctrl + H রিপ্লেস কমান্ড। (Replace)
    Ctrl + I টেক্সট ইটালিক। (Italic)
    Ctrl + J টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা। (Justify)
    Ctrl + K হাইপারলিংক তৈরী করা। (Hyperlink)
    Ctrl + L লেখা Left Alignment করা।
    Ctrl + M ইনভেন্ট দেয়ার জন্য।
    Ctrl + N কোন নতুন Document ওপেনের জন্য (New File)।
    Ctrl + O সেভ করে রাখা কোন ফাইল ওপেন করার জন্য (File Open)।
    Ctrl + P ডকুমেন্ট প্রিন্ট (Print)। 
    Ctrl + Q প্যারাগ্রাফের মাঝে স্পেসিং করার জন্য।
    Ctrl + R লেখা গুলোকে রাইট এলাইনমেন্ট (Right Align) করা । 
    Ctrl + S সেভ ফাইল বা ডকুমেন্ট। (Save)
    Ctrl + T ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য।
    Ctrl + U টেক্সট আন্ডারলাইন।(Underline)
    Ctrl + V টেক্সট পেষ্ট করার জন্য।(Paste)
    Ctrl + W ফাইল বন্ধ করার জন্য। (Close File)
    Ctrl + X ডকুমেন্ট থেকে কিছু cut করার জন্য। (Cut)
    Ctrl + Y রিপিট করার জন্য। (Redo)
    Ctrl + Z আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা (Undo)। 
    Ctrl+Alt+Delete কম্পিউটার Restart করতে

    এম এস ওয়ার্ড (MS word) আরও কিছু কীবোর্ড শর্টকাট:
    • F1 = সাহায্য (Help)।
    • F2 = নির্বাচিত File রিনেইম করা।
    • F3 = ফাইল খোঁজা।
    • F4 = অন্য কোনো Foleder ফাইল মুভ করা।
    • F5 = বর্তমান উইন্ডো রিফ্রেশ করা।
    • F7 = ওয়ার্ড/ এক্সেল ডকুমেন্ট স্পেলিং ডায়লগ open করা।
    • F10 = মেনু বার চালু করা।
    কিবোর্ড শর্টকাট pdf ডাউনলোড করার জন্য আপনার ইমেইল লিখে কমেন্ট করুন। আমরা আপনার মেইলে পাঠিয়ে দিবো। 
    আশা করি,কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট MS Word পোষ্ট টি ভালো লাগেছে। এই পোস্ট থেকে এম এস ওয়ার্ড কীবোর্ড শর্টকাট গুলো জানতে পারেছেন। আমাদের ব্লগ সাইট টি আপনার ভালো লাগলে বুকমার্ক করে রাখবেন।