Blog

  • ৫ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট pdf – ‍ajkerfact

    ৫ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট pdf
    ৫ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট pdf

    ৫ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট: আস্সালামু আলাইকুম। ৫ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট pdf পোষ্টে আপনাদের স্বাগত্বম। আপন কি ৫ম assignment ডাউনলোড করতে এখানে এসেছেন? তাহলে আপনি ঠিক জায়গাতেই এসেছেন। এখন আমারা আপনাদের সাথে ৫ম সপ্তাহের assignment শেয়ার করব।

    অ্যাসাইনমেন্ট। assignment

    অ্যাসাইনমেন্ট কি: assignment বোঝাতে ছাত্রছাত্রীদের একটি কাজ বা কাজের অংশ, যা দেওয়া হয় মূলত লেখাপড়ার অংশ হিসেবে। এসাইনমেন্টে সাথে ব্যবহারিক কাজ ও লিখিত কাজ জড়িত। এক কথায়, অ্যাসাইনমেন্ট হলো ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার একটি অংশ যা দেওয়া হয় ঘরে বসে কম্পিট করার জন্য।

    ৫ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট pdf

    করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষিত রাখতে সকল বিদ্যালয় এবং কলেজ বন্ধ করে হয়ে যাওয়ায় পরীক্ষা হবে না বলে ঘোষনা করা হয়। কিন্তু উপরের শ্রেণিতে উঠানোর জন্য ৩০ দিনের মধ্যে শেষ করা যায় এরকম একটি সিলেবাস তৈরি করা হয়। এই সিলেবাসের প্রেক্ষিতে ছাত্রছা্ত্রীদের অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হচ্ছে। ৬ সপ্তাহে ৬ টি অ্যাসাইনমেন্ট করে জমা দিতে হবে। 
    ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের ৫ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়েছে। ১ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ডউনলোড করুন। বাকি অ্যাসাইনমেন্টগুলোও আমাদের ওয়েপসাইটে প্রকাশিত করা হবে। বাকি এসাইনমেন্টগুলো পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটিকে বুকমার্ক করে রাখুন। 

    ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের assignment pdf

    নিচে ৫ম অস্যাইনমেন্টের pdf  ফাইলের ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলো। pdf ফাইলে  বাংলা, ইংরেজি, গনিত, বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ইসলাম শিক্ষা  সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের pdf ফাইর রয়েছে। এখনই ডাউনলোড করুন। 
    সার্চ: অ্যাসাইনমেন্ট pdf, ৫ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট pdf, অ্যাসাইনমেন্ট pdf, এসাইনমেন্ট, ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট, বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট, ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট, গনিত অ্যাসাইনমেন্ট, অষ্টম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট, নবম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট, assignment, assinment, রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট, পদার্থ অ্যাসাইনমেন্ট, দ্বিতীয় সপ্তাহের অসাইনমেন্ট, মাউশি অ্যাসাইনমেন্ট ৫ম সপ্তাহ।
  • একটি ভালোবাসার গল্প । valobasar golpo

    ভালোবাসার গল্প

    একটি ভালোবাসার গল্প
    একটি ভালোবাসার গল্প
    একটি মেয়ের নাম তানিয়া। জ্ঞান গরিমায় অনন্য, জরুরী রুপসী কন্যা উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, ডাগর ডাগর চোখ বিশিষ্ট তানিয়ার ঘন কালো কেশদাম মাজা ছাড়িয়ে হাঁটু ছুঁইছুঁই করে। হালকা-পাতলা দেহো দেখলে মনে হয় যেন ডানা কাটা পরি। তার রূপ লাবণ্য শুধু ছেলেদেরকেই আকর্ষণ করে না বরং মেয়েরাও তার দিকে চাইয়া থাকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে। অমায়িক ব্যবহার ও ভদ্র আচার-আচরণ তার দৈহিক সৌন্দর্যকে আরো ফুটিয়ে তোলে। মোটকথা শুধু রূপেরই নয় গুণেরও সে অন্যদের চেয়ে অনেক দূরে এগিয়ে,পড়াশোনা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ওর নাম থাকে সবার শীর্ষে। তাই অনেক মেয়েরাই ঈর্শা করে আফসোসের স্বরে বলে, আহা যদি তানিয়ার মত হতে পারতাম।
    তানিয়া
    তানিয়া ধার্মিক পরিবারের মেয়ে। কলেজে আসা যাওয়া করে বোরকা পরিধান করে। সেই সাথে সবসময় চেষ্টা করে শরীয়তের বিধি-বিধান মেনে চলার। যার ফলে রূপে গুনে অনন্য হওয়া সত্বেও, প্রেম নামক পাতানো ফাঁদে কখনো সে পা দেয়নি। অবশ্য এ পর্যন্ত ওর কাছে প্রেমপ্রস্তাব যে আসেনি তা নয়, তবে যখনই তার কাছে কোনো ছেলে কোনো ভাবে প্রেমের পস্তাব দিয়েছে তখনি সে ঘৃণাকরে বলে দিয়েছে, বিবাহের পূর্বে কারো সাথে আমি প্রেম করবো না, কাউকে ভালবাসবো না এটা আমার প্রতিজ্ঞা।
    কেননা শরীয়তে তা জায়েয নেই। তবে বিয়ের পরে আমি আমার স্বামীর সাথে প্রেম করবো। তাকে ভালোবাসবো হৃদয়-মন উজার করে, তাকেই বিলিয়ে দেব আমার আপন সত্ত্বা। ফলে তখন তার প্রেমেই হবে আমার প্রেম, সে সময়ের ভালোবাসায় হবে আমার পবিত্র ভালোবাসা।এতে সুখ-শান্তি ও আনন্দে ভরে উঠবে আমাদের দাম্পত্য জীবন। 
    তানিয়ার ছিল একটি নিজস্ব ছোট মোবাইল। কে জানে যে, এই মোবাইলটি তার জীবনে ধ্বংস ডেকে আনবে। 
    একদিন তার মোবাইলে হঠাৎ রিং বেজে ওঠে!! ফলে খানিক বিরক্ত হলেও অবশেষে ফোনটি রিসিভ করে। সঙ্গে সঙ্গে অপর প্রান্ত থেকে ছেলেকন্ঠে শোনা যায়, আমি সৌরভ। সময় থাকলে আপনার সাথে কিছু কথা বলতে চাই ? 
    তানিয়া : আপনার সাথে আমার কি কথা থাকতে পারে, আপনি তো অপরিচিত।
    সৌরভ: বারবার রিকুয়েষ্ট করাতে ভদ্রতার খাতিরে তাকে একটু সময় দেওয়া হলো। অনুমতি পেয়ে সৌরভ খুব খুশি হলো, সে বেশ কিছুক্ষণ প্রাণ ভরে কথা বলে তানিয়ার সাথে। কথাবার্তার একপর্যায়ে তানিয়ার রূপলাবণ্য আর দৈহিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করে সৌরৈভ মধুমাখা সাহিত্যের নিপুন ছোঁয়া ওর নানাবিধ গুনের প্রশংসা করতেও ভুলে যায়নি সে। 
    তানিয়ার প্রশংসা মানুষ  ছোটবেলা থেকেই করে আসছে, কিন্তু সৌরভ এর মত এত সুন্দর করে তার প্রশংসা আর কেউ করতে পারেনি। সৌরভ মিষ্টি কন্ঠ  দিয়ে তানিয়াকে কাবু করে ফেলল।
    আর তানিয়ার ভাবতে লাগল ছেলেদের কন্ঠ কি এতো সুন্দর হয়? আগে তো জানতাম যে, আমার কন্ঠ অনেক সুন্দর। এখন বুঝতে পারলাম  আমার থেকেও আরো অনেক সুন্দর কন্ঠ সৌরভের।
    এভাবে কথা বলতে বলতে তানিয়ার ইসলামের  বিধি-বিধানের কথা ভুলে সৌরভের সাথে বন্ধুত্ব করে ফেলল। কয়েক মাস কথা বলতে বলতে ওরা দুজন প্রেম নগরের বাসিন্দা হয়ে গেলো। 
    প্রেম নগরের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার পর হঠাৎ একদিন তানিয়ারর হুশ ফিরে আসে।ফিরে আসে তার চেতনা তার মনে আবার জাগ্রত হয় বিবাহের পূর্বে প্রেম-ভালোবাসা ইসলাম নিষেধ করেছে। ইসলাম বলেছে বিনা প্রয়োজনে কোনো গায়রে মাহরাম পুরুষের সাথে কথা বলা গল্প করা অবৈধ অন্যায় কাজ।
    তানিয়া
    তানিয়া

    অনেক চিন্তায় চিন্তিত হয়ে ভাবলো এখন আমি কি করবো, সৌরভকে কি করবো? সৌরভকে কি ভুলে যাবো? কিন্তু আমিতো তাকে কিছুতেই ভুলতে পারবো না,কারন সে ত এখন কেড়ে নিয়েছে আমার হৃদয়। সৌরভকে ছাড়া তো আমার জীবন অর্থহীন। তাকে ছাড়া আমি এক মুহূর্তও বাঁচতে পারবোনা। তাহলে এখন আমার উপায় কি? আর আমি কি করবো? এ নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায করতেছিল তানিয়া, কিন্তু তাকে বেশিক্ষণ চিন্তা করতে হয়নি,
    চিরশত্রু শয়তান তাকে গুনাহের ধারা অব্যাহত রাখার সুন্দর একটি যুক্তি শিখিয়ে দেয়,শয়তান তাকে শিখিয়ে দিলো যে,,,,,,,,,,,,,,,,
    বিয়ে আগে কথা বলতে সমস্যা হয়, বিয়ের পূর্বে সৌরভের সাথে কথা বলতে যদি এতই তোমার ভয় হয়,  তাহলে তার সাথে বিয়ের ব্যাপারটা সেরে নিলেই ত হয়। তবেই তো হারাম অবৈধ নাজায়েজ ইত্যাদি কোনো প্রশ্ন আসবে না তোমার মনে।
    দুঃখের বিষয় এই যে তানিয়া শয়তানের ফাঁদে  আটকে পরে। ফলে সৌরভকে না দেখে না চিনে তার সাথে ফোনের মাধ্যমে বিবাহর কথা পাকা করে ফেলল এবং সৌরভ তাকে বলল আমরা এখন ফোনের মাধ্যমে বিবাহ করেনেই, তানিয়া সৌরভকে ভালোবাসতো যে, তার এই প্রস্তাবে সে রাজি হয়ে গেল।
    প্রথমে অনেক কষ্ট করে তানিয়া তার ভাবিকে রাজি করালো, তারপর তানিয়া ও তার ভাবি দুইজনে মিলে তার আব্বু আম্মুকেও রাজি করিয়ে নিল। 
    তানিয়ার পরিবার যখন সৌরভ পরিচয় জানতে চাইল  তখন সৌরভ একটি ভুল ঠিকানা দিল,তার পিতা-মাতা যখন সৌরভের খোঁজ নেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হতে চাচ্ছিল তখন সৌরভের নানা ধরনের অজুহাত দেখালো, তানিয়া সৌরভকে অনেক ভালোবাসতো তাই তার সকল অজুহাত মেনে নিল 2/3 দিনের মাঝেই তাদের বিবাহ  মোবাইল ফোনে সম্পন্ন হল।
    এখন তারা স্বামী-স্ত্রী প্রত্যেকদিন প্রায় থেকে ১০ বার ফোনের মাধ্যমে তাদের কথাবার্তা হয়। তানিয়া এখন সৌরভকে জান বলে সম্বোধন করে এবং সৌরভ তাকে জান বলে ডাকে।  কিন্তু তা শুধু অভিনয়ের জন্য,  সৌরভের এই অভিনয় কখনো তানিয়া বুঝতে পারেনি। মোবাইলে টাকা না থাকলে এবং সৌরভের ফোন আসতে বিলম্ব হলে অস্থির হয়ে তানিয়া নিজের রুমে গিয়ে কান্না শুরু করে দেয় হাউমাউ করে। প্রতিদিন সকালে সৌরভের  কন্ঠে তার ঘুম ভাঙ্গে, যেহেতু সে এখন সত্তিকারের স্বামী হিসেবে সৌরভ কে জানে। তাই তানিয়া কোথায় কোন কাজ করার আগে সৌরভের নিকট ফোনে অনুমতি নিয়ে নেয়। তানিয়ার এসব কান্ড দেখে তানিয়ার বান্ধবীরা  বলে তানিয়া কতইনা স্বামীর ভক্ত।
    এই জামানায় এমন স্ত্রী লাখে একটাও মিলে না আসলেই স্ত্রী হলে এমন হওয়াই উচিত।
    সৌরভেরর সাথে কথা বলে তাকে নিয়ে কল্পনা করে বেশ সুখেই কাটছিল তানিয়ার দিনকাল। সৌরভকে নিয়ে এত বেশী ভাবতো যে, কোন দিন কত মিনিট তার সাথে কথা বলেছে, তার নিজস্ব ডায়েরিতে লিখে রাখত। শুধু তাই নয় সৌরভের যেসব কথা বেশী ভালো লাগতো তা বাসর রাতে উপহার দেওয়ার জন্য সুন্দর করে লিপিবদ্ধ করে রাখত।
    একদিন সকালবেলা সৌরভকে নিয়ে ভাবছে তানিয়া,,,,,,,,,,,,
    ঠিক এমন সময় সৌরভের ফোন থেকে কল আসে তানিয়ার ফোনে। তানিয়া বেশ খুশি মনে মোবাইল রিসিভ করে, কিন্তু একি এজে সৌরভ নয়।।।।।।।।।।
    এই যে মেয়ের কন্ঠ ,ক্ষনিকের জন্য তানিয়া কিছুটা নৈরাশ হয়ে যায়। পরে স্বাভাবিক হয়ে জিজ্ঞাসা করল কে?  আওয়াজ এলো আমি লিজা। আমি হলাম সৌরভের একমাত্র প্রিয় মানুষ। সৌরভের কাছে আর কখনো ফোন করবে না। আর হ্যাঁ একটা কথা ভালো করে জেনে রাখো সৌরভ এতদিন তোমার সাথে প্রেমের মিথ্যা অভিনয় করেছে, তোমাকে সে অনেক কষ্ট দিয়েছে। যাইহোক বোন চিরদিনের জন্য সৌরভকে ভুলে যাও। না হলে তোমার সারাটি জীবনে কষ্ট করতে হবে। সৌরভকে তুমি কখনো পাবে না। কেননা সে তো তোমাকে মোটেও ভালোবাসে না, আর সে যাকে ভালো  ভালোবাসে তা হলাম আমি। সৌরভের হৃদয় একমাত্র আমি ছাড়া আর কে জয় করতে পারেনি,,,,, পারবেও না। আমরা দুজন দুজনকে ভালোবাসি। আমাদের এই ভালোবাসা একদিন দুই দিনের নয়, সেই ছোটকাল থেকে। তানিয়া তোমার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে সৌরভের সাথে আমার দৈহিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। আমার এসব কথা তোমার হয়তো বিশ্বাস হবেনা আর বিশ্বাস না হলেও করার কিছুই নাই। তাই বোন, আমি জানি আমি যা বলছি সত্যি বলছি একটু মিথ্যা বলেনি, সৌরভ আর আমি একই গ্রামের বাসিন্দা। আমার চেয়ে তুমি সৌরভকে ত আর বেশি চিনবেনা। তাই এখনও বলছি তুমি সৌরভ কে ভুলে যাও, অন্যথায় অনেক কষ্ট পাবে।
    তানিয়া জবাবে বলল কিভাবে ভুলে যাব বোন বল?? আমি যে সৌরভকে মনেপ্রাণে ভালোবেসে ফেলেছি ভুলতে পারব না। তুমি আমার সাথে মিথ্যা বলছো, সৌরভ কখনো  অন্য কারো হতে পারে না। সৌরভ আমার শুধুই আমার সে অন্য কারো হওয়ার প্রশ্নই উঠে না। এ বলেই ফোনটা তানিয়া কেটে দিল, এসব কথা শুনে তানিয়ার খুব পানি তৃষ্ণা পেল,মাথা ঘুরিয়ে বিছানায় পড়ে গেল। 
    তানিয়ার জ্ঞান ফিরে এলো  সৌরভকে ফোন দিয়ে সমস্ত বিষয়ে অবগত করলো, সৌরভ এসব কথা শুনে উত্তর দিলো, আমি তোমার আছি তোমারি থাকবো। তুমি অন্যের কথায় কোন কান দিও না। এরপর থেকে সৌরভ এক মাস পর্যন্ত তানিয়ার কাছে একবারের জন্যও ফোন দেয়নি।।।  তানিয়া যাতে করে ফোন না দিতে পারে,তাই সে তার ফোন থেকে সিম খুলে রেখে দিল। 
    এরপর থেকে তানিয়া দুঃখ-কষ্ট ও পেরেশানিতে পাগলের মতো হয়ে গেছে এবং খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে শুধু চিন্তা করে কবে তার বুকে ফিরে আসবে  সৌরভ। 
    বিদায় নিয়েছে তানিয়ার রাতের ঘুম, আস্তে আস্তে তানিয়ার শরীর শুকিয়ে হালকা হয়ে যাচ্ছে চিন্তা করে, তানিয়া তার গুম খাওয়া নষ্ট করে সৌরভের কথা ভাবতে থাকে।।।।।
    কষ্টের ভালোবাসা
    কষ্টের ভালোবাসা

    এক মাস পরে সৌরভ আবার তানিয়ার এর কাছে যখন ফোন করে—————-
    *****************
     চলবে কি…….?
    আরও পড়ুন –
    আশা করি, ভালোবাসার গল্পটি আপনাদের ভালো লেগেছে। যদি আপনারা  মত দেন, তাহলে বাকি ভালোবাসার গল্পটুকু লিখব ইনশাল্লাহ********
  • প্রেমের চিঠি । ভালোবাসার চিঠি । প্রেম পত্র । লাভ লেটার

    প্রেমের চিঠি । ভালোবাসার চিঠি । প্রেম পত্র । লাভ লেটার পোষ্টে আপনাদের স্বাগতম। আপনি যদি কাউকে ভালোবাসেন এবং তার কাছে সকল অনুভূতি প্রকাশ করতে চান তাহলে আপনি একটি প্রেম পত্র বা লাভ লেটার লিখে দিতে পারেন। এই পোষ্টে কিছু প্রেমের চিঠি বা ভালোবাসার চিঠি শেয়ার করবো। 
    প্রেমের চিঠি
    প্রেমের চিঠি
    আপনি যদি কোন মেয়েকে পচন্দ করেন এবং তাকে প্রপোজ করার জন্য একটি রোমান্টিক চিঠি খোজে থাকেন তাহলে এখানে দেওয়া চিঠিগুলো আপনাকে সাহায্য করবে। 
    আরও পড়ুন –

    প্রেমের চিঠি

    বাংলা ভালোবাসার চিঠি, প্রেমের চিঠি,  লাভ লেটার, প্রেম পত্র নিয়ে এই পোস্ট টি সাজানো হয়েছে। আশা করি, প্রেমের চিঠিগুলো ভালো লাগবে।

    প্রথম প্রেমের চিঠি

    প্রিয়তমা,
    কেনো জানি খুব কান্না পাচ্ছে। শুন্যতা, পূর্ণতা, নির্ভরতা নাকি নিঃসঙ্গতার জন্য, জানি না। শুধু অনুভব করতে পারছি বুকের ভিতর কোথায় জেনো একদল লোকিয়ে থাকা অভিমান পচন্ড কান্না হয়ে দুচোখ ফেটে বেরুতে চাচ্ছে। তুমি কাছে নেই বলে শুন্যতা তার নিষ্টুরতার খেলা ইচ্ছেমতো দেখাচ্ছে। আমিতো তোমার হ্রদয়ে মুখ লোকালেই বাচি এখন। কিন্তু তুমি যে কতো দুরে!!! বলোতো??
    আজ শেষ বিকেলের পাহাড় ছুয়ে ছুটে আসা দমকা হাওয়ার জড়িয়ে দেওয়া মেঘের মতো ছোট্ট একটি ঘটনা আমার সকল দ্বিধাকে উড়িয়ে নিয়ে গেলো। বুঝলাম, মহাকাল যে হাস্যকর ক্ষুদ্র সময়কে “জীবন” বলে আমাকে দান করেছে। সেই জীবনে তুমিই আমার একমাত্র মানুষটি, যার ৫ টি আঙ্গুলের শরনার্থী আমার ৫টি আঙ্গুল। যার বুকের পাঁজরে লেগে থাকা গামের গন্ধ আমার গ্রানশক্তির একমাত্র গন্তব্য। যার এলোমেলো চুলে আমি হারিয়ে যাবো। আর আমি হারিয়ে যাবো ভালোবাসতে বাসতে।।।।
    ইতি 
    তোমার মন পাওয়ার জন্য সেই মানুষটি।

    প্রেমের শেষ চিঠি

    প্রিয়,
    রাত দুটো চোখে ঘুম নেই। কিছুই ভালো লাগছে না। বারবার শুধু তোমার কথা মনে পড়ছে। তবোও তোমায় নিয়ে লিখতে বসলাল আমার ভালোবাসার শেষ চিঠি। 
    আমি জানিনা, কিভাবে ভালোবাসতে হয় আর কিভাবে ভালোবাসলে ছেড়ে যায় না। তবে তোমাকে অনেক ভালোবাসি সেটা বুঝতে পারি। আর সেটা ভালোভাবেই জানি। তুমি হয়তো জানো না, এখনো তোমাকে খুব কাছে পেতে ইচ্ছো করে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তোমার প্রকাশ ভঙ্গি অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। তোমাকে হয়তো কখনও বোঝাতে পারবো না আর বোঝাতেও পারিনি “কতোটা ভালোবাসি তোমাকে”। কিন্তু প্রমিস করছি, তোমার জায়গাটা অন্য কাউকে দিবো না। তোমার জায়গা তোমারি থাকবো!! যদি কখনও আমার কথা একটি বার মনে পড়ে তাহলে ফিরে আসো। আজও আমি তোমার অপেক্ষায় আছি। 
    ইতি 
    ———

    ভালোবাসার রোমান্টিক চিঠি

    প্রিয় তানিয়া,
    শুরুতেই জানাই গোলাপ ফুলের শুভেচ্ছা। ভালোবাসা কাকে বলে হয়ত আমি বুঝি না। তবুও তোমায় আমি ভালোবেসে ফেলেছি। কেন তোমাকে এত ভালোবাসি সেটা বুঝতে পারি না। হয়তো কষ্টের ঝর্ণাটাকে পুর্ণ করতে তোমাকে আমি ভালোবেসেছি । 
    তোমাকে প্রথম দেখাতেই আমার অনেক ভালো লাগে। হয়তো তখনিই তোমার প্রেমে পড়ে গেছিলাম। এখন তোমার কথা না ভেবে থাকতে পারি না। এই চোখে সাগর দেখেছি নীল রাঙা ঢেউ , জানি শুধু জানবে না কেউ । তোমার মিষ্টি হাসি আমার অনেক ভাল লাগে। তোমার জানালার পাশে লুকোচুরি আমার অনেক ভাল লাগে ।
    আমি ভুলে যাই নিজেকে তবুও ভুলতে পারি না তোমাকে । আমার অস্তিত্বে কেন যে মিশে ‍ গেছ তুমি। প্রশ্ন করে ও পাই না কোন উত্তর আমার অন্তর আ্ত্তার কাছে। ঠিক যেমনটা  তুমিও কখনো জানতে পারবে তোমার অন্তর আত্তার কাছে এর উত্তর ।
    তবুও ক্ষমা করে দিও এই অদৃশ্যকে যদি কোন অপরাধ করে থাকি । আর পারবো না কোনদিন তোমাকে ভুলতে ‘তোমাকে ভালবাসি ’  এই কথাটি বলতে তোমাকে ।
    ইতি,
    তোমার পাগল। 

    হাসির প্রেমের পত্র + গল্প

    ম্যাডাম ক্লাসে ঢুকেই বলল,  “সাব্বির তুই নাকি তানিয়াকে প্রেমপত্র দিছিস? তানিয়া তোর প্রেমপত্র পড়ে
    অজ্ঞান হয়ে গেছে।
    Madam এর কথা শুনে সাব্বির ভয়ে কাপতে লাগলো। ম্যাডামের ১ মাত্র মেয়ে তানিয়া। ডাইনী মায়ের ১ মাত্র আদরের সন্তান তানিয়া। Madam আবার বলল, “কিরে তুই উত্তর দিচ্ছিস না কেন”? ভয়ে সাব্বিরের পা কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গেলো। যেকোনো সময় প্যান্ট নষ্ট করে ফেলার মতন অবস্থা। জীবনে কখনো ম্যাডামের ক্লাসে পড়া দিয়েছি বলে মনে পড়ে না। Madam এমনিতেই আমাকে দেখতে পারেন না। তার উপর তার আদরের মেয়েকে প্রেমপত্র দিয়েছি!! ঐ প্রেমের চিঠি পড়ে তানিয়া অজ্ঞান। আজকে Madam আমার কি অবস্থা করবে সেটা বুঝার বাকি রইলনা। মনে মনে বিপদের দোয়া পড়ছি আর নিজের বুকে ফুঁ দিচ্ছি। হে আল্লাহ আমাকে এবারের মতন বাঁচাও আজকেরপর হতে তানিয়াকে নিজের বোনের চোখে দেখবো।
    Madam আস্তে আস্তে আমার দিকে এগিয়ে আসলো। ক্লাসের সবাই আমার দিকে সার্কাস দেখার অপেক্ষায় এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। Madam কাছে এসে প্রেমের চিঠি টা আমার হাতে দিয়ে বলল, “পড়ে শোনা”। Madam এর কথা শুনে এবার গলা পর্যন্ত শুকিয়ে কাঠ। লজ্জায় আমি নিচের দিকে তাকিয়ে আছি। Madam তার ডাইনী কণ্ঠে চিৎকার করে উঠে বলল, “এক্ষণ পড়ে শোনা বলছি। “প্রেম পত্রটা হাতে নিয়ে পড়া শুরু করলাম।
    **কলিজার বোঁটা তানিয়া, কেমন আছো তুমি? জানি,,,,, তুমি বেশি ভালো নাই। তোমার ডাইনী মা 35 মিনিটের ক্লাসে আমাদের যে অবস্থা করে! আল্লাহ জানে ঐ ডাইনীটা সারাদিন কতো নির্যাতন চালায়। তুমি বললে তোমার ডাইনী মায়ের বিরুদ্ধে মামলা করবো। ১ম দিন তোমাকে দেখেই আমার বুক কেঁপে উঠেছিল। সেই কাঁপুনিতে মায়েনমার এবং বাংলাদেশের কিছু অংশ কেঁপে উঠে। কিন্তু মানুষজন বলে সেটা নাকি ভূমিকম্পের কারণে। কোন মানুষকে বিশ্বাস করাতেই পারিনি ঐটা আমারি বুকের ভূমিকম্প। জানো তুমি সারাদিন শুধু আমি তোমার কথা ভাবি। এতো ভাবনা যদি আমি ম্যাথমেটিক্স এর প্রতি দিতাম তাহলে আইনস্টাইনের মতন আমারো পকেটে ২ – ৪ টা নোবেল থাকতো। কিন্তু তানিয়া দেখো আমি নোবেলের কথা চিন্তা না করে শুধু তোমার কথা চিন্তা করি। কিন্তু তোমার ডাইনী মায়ের জন্য চিন্তা ভাবনাও ভালোকরে করতে পারিনা সোনা। হঠাৎ করে আমার চিন্তার মধ্যে তোমার মা এসে আমাকে লাঠিপেটা করে আর বলে “ঐ তুই আমার মেয়েকে নিয়ে চিন্তা করিস কেন?” সেদিন স্বপ্নে দেখি তোমাকে নিয়ে চাদের দেশে হানিমুন করতে যাচ্ছি। রকেটের মধ্যে তুমি আর আমি লুকোচুরি খেলছি। এরমধ্যে কোথা হতে যেন তোমার ডাইনী মা এসে রকেটের ইঞ্জিন বন্ধ করে দিলো এবং বললো, “এবার খেলা হবে।” বিশ্বাস করো তানিয়া, তোমার কথা মনে হইলেই এই হৃয়দের মধ্যে Energy Light জ্বলে উঠে। তুমি আবার ভেবো না আমি ৩০০ টাকার এনার্জি বাল্ব ১০০ টাকায় কিনেছি শুধুমাত্র কোম্পানির প্রচারের জন্য। আমি ফিলিপ্স বাল্বের কথা বলেছি। যা দিবে তোমাকে শতভাগ আলো ও দীর্ঘদিনের গ্যারান্টি। তানিয়া বিশ্বাস করো এই মনে!,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,।।।। সেরা ভালোবাসার স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন
    হঠাৎ ধপাস করে কিছু পরে যাওয়ার শব্দ পেলাম। সামনে তাকিয়ে দেখি Madam অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে গেছে। সবাই মিলে দৌড়াদৌড়ি করে ম্যাডামকে তুলে ডাক্তার ডাকতে গেলাম। ম্যাডামের জ্ঞান ফিরলে প্রিন্সিপ্যাল Madam আমাকে ডেকে পাঠালেন। উনি বললেন, “তুমি নাকি ম্যাডামের মেয়ে তানিয়াকে চিঠি দিয়েছ। কি ছিল সেই চিঠিতে দেখি চিঠিটা আমাকে দেও।” আমি ভয়ে ভয়ে প্রিন্সিপ্যাল Madam কে বললাম “আগে এখানে ডাক্তারকে ডাক দেন ম্যাডাম।
    প্রেমের চিঠি । ভালোবাসার চিঠি । প্রেম পত্র । লাভ লেটার পোষ্টটি আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। এই পোষ্ট থেকে প্রথম প্রেমের চিঠি, শেষ প্রেমের চিঠি সংগ্রহ করতে পেরেছেন। 
  • মা বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস । উক্তি । এস এম এস

    মা বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস । উক্তি । এস এম এস (ma baba niye ‍status ukti sms) পোষ্টে আপনাদের স্বাগত্বম। যাদের বাবা-মা বেঁচে আছেন তারা হলেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ও ধনী ব্যক্তি। বাবা মা হলো অমূল্য সম্পদ। প্রতিটি সন্তানই চায় তার মা বাবাকে খুশি করতে। তবে মা-বাবাকে খুশি করার জন্য দামি গিফট্ এর প্রয়োজনর হয় না। এই পোস্টে, আমরা আপনার সাথে কিছু মা বাবা নিয়ে স্ট্যাটাস, মা বাবাকে নিয়ে এস এম এস এবং মা বাবাকে নিয়ে উক্তি শেযার করবো, যা থেকে আপনি ফেসবুকে বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিতে পারবেন অথবা আপনার পিতামাতার মোবাইলে এসএমএস করে বাবা মাকে খুশি করতে পারবেন।
    আজকের পোষ্টটি মা বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস, মা বাবাকে নিয়ে উক্তি, মাকে নিয়ে এস এম এস, মাকে নিয়ে ইসলামিক উক্তি, বাবাকে নিয়ে এস এম এস, মা বাবাকে নিয়ে এস এম এস, ভালোবাসা দিবসে মা বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস, বাবা মা নিয়ে উক্তি, মা বাবাকে নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস এবং এসএমএস নিয়ে সাজানো হয়েছে। 
    মা বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস
    মা বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস

    মা বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস

    মাতা – পিতা বা মা – বাবা যেটাই বলি এটা আমাদের জন্য আল্লাহ তায়ালার একটি বড় নেয়ামত। মা বাবা ছাড়া আমরা প্রথিবী দেখতে পারিনা। প্রত্যেক মানুষকেই মা বাবা দুনিয়ার আলো দেখিয়ে থাকে। আমরা জন্ম নেওয়ার পর কিছুই করতে পারি না, তখন মাবাবা আমাদের হাটতে শিখান, খাওয়াতে শিখান পড়াশুনা হতে সব কিছুই শিখিয়ে থাকেন। মা বাবাকে নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস, মাকে নিয়ে স্ট্যাটাস, বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস । ma baba niye status:

    দুনিয়াতে সব থেকে সুখ কি জান? মা-বাবার আদর। সব চেয়ে কষ্ট কি জান? বাবা-মার চোখের পানি। আর সব চাইতে অমুল্য রতন কি জান? **বাবা মার ভালোবাসা**

    মা জননী চোখের মনি..,,…., অসিম তোমার দান,,,,,,,,,, খোদার পরে তোমার আসন আসমানের সমান,,,,,,,, ত্রিভুবনে তোমার মত হয় না কারো মান,,,,,,।

    দুনিয়াতে সবাই তোমাকে ভালোবাসবে,,,, সেই ভালোবাসার মাঝে যে কোনো প্রয়োজন লুকিয়ে থাকে। কিন্তু ১জন ব্যক্তি কোনো প্রয়োজন ছাড়াই তোমাকে ভালোবাসবে সে হলো মা।।।

    যতই আসুক তোফান ঝড়,,,,,,,,,,, মা কখনও হয়না পর। 

    তুমি আমার হাত ধরে আমাকে বিশ্ব চিনিয়েছ..,,,,,, তোমার সাথেই আমি ১ম বুঝতে শিখেছি রাস্তাঘাট ,,,,হ্যাপি  ফাদার্স ডে

    আমি চিরকাল তোমার হাতে হাত দিয়েই নিজেকে সবচাইতে নিরাপদ মনের করেছি বাবা,,,,, ধন্যবাদ বাবা,,,,, সবসময় আমার পাসে থাকার জন্যে **হ্যাপি  ফাদার্স ডে**

    মা,,,, মাগো মা,,,,,, আমি এলাম তোমার কোলে…….. তোমার ছায়ায় তোমার মায়ায়‪ মানুষ ‬হবো বলে।

    আমি তোমার ভালো ছেলে হয়ে উঠতে পেরেছি কিনা জানি না,,,,,, কিন্তু তুমি আমার কাছে সবসময় আমার আদর্শ…….লাভ ইউ  বাবা।।।

     বাবা,,,,,,,,,,,, সৃষ্টিকর্তার আমাকে দেওয়া সেরা উপহার তুমি।।। **হ্যাপি ফাদার্স ডে**

    বাবা…….. আমি নিজেই জানিনা আমি তোমায় ঠিক কতটা ভালোবাসি। ***হ্যাপি ফাদার্স ডে***

    আমি খুব ভাগ্যবান যে,,,,,, আমি তোমার মত ১ জন বাবা পেয়েছি। যে আমায় সবসময় সহযোগীতা করে সব কাজে।।।  লাভ ইউ বাবা। 

    মা কখনো হয়না পর যতই আসুক তুফান ঝড়,,,,,,, ‘অন্যের ভালোবাসা হতে পারে ছলনা, কিন্তু মা এর ভালোবাসা পৃথিবীর কোন কিছুর সাথে হয়না তুলনা। *** মা  ****

    দুনিয়াটা খুব কঠিন,,,,,, সবাই সবাইকে ছেড়ে যায়,,,,,, সবাই সবাই কে ভুলে যায়,,,,, শুধু ১ জন যে ছেড়ে যায় না ভুলেও যায়না। আর সারা জিবন থাকবে। সে মানুষ টি হচ্ছে….,,,,.আমার মা।্।

    কিছু জিনিস যেমন আছে তেমন ভাবেই সবচেয়ে ভালো লাগে,,,,,,, যেমন তুমি,,,,,,,,,,,,,**বাবা**

    মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত.,,,,, মাকে যারা কষ্ট দিবে তার কখনও জান্নাতে যেতে পারবে না। তাই সকলের কাছে আমার অনুরোধ তোমরা কখনও মাকে কষ্ট দিও না।

    মা বাবাকে নিয়ে উক্তি

    মা বাবাকে নিয়ে অনেক বিখ্যাত উক্তি রয়েছে। মা বাবার রিন কনোদিন শোধ করা যাবে না। তবে মা বাবাকে নিয়ে বিখ্যাত ব্যাক্তিদের উক্তিগুলো যদি শেয়ার করি তাহলে মাতা পিতা দুজনেই খুশি হবে। মা বাবাকে নিয়ে ইসলামিক উক্তি। মাকে নিয়ে উক্তি । বাবাকে নিয়ে উক্তি । মা বাবাকে নিয়ে মনিষীদের উক্তি। ma baba niye ukti:

    হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন,,,,,, তোমাদের জন্য মায়ের পায়ের নিচেই রয়েছে তোমাদের জান্নাত।।

    পৃথিবীতে সবচেয়ে পবিত্র জিনিস হচ্ছে আল কোরআন,,,, সবচেয়ে নিস্পাপ জিনিস হচ্ছে ফুল,,,, সবচেয়ে সুন্দর জীব হচ্ছে মানুষ …*সবচেয়ে মধুর নাম হচ্ছে মা

    আমি দেখতে কুৎসিত হতে পারি,,,, খুব খারাপ ছাত্র হতে পারি,,,, আমি বোকা হতে পারি, কিন্তু আমার মায়ের কাছে আমিই শ্রেষ্ঠ সন্তান।।।

    যাদের মা আছে সে কখনই গরীব নয়। —- আব্রাহাম লিংকন।

    আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা হলেন আমার মা। মায়ের কাছে আমি চিরঋণী। আমার জীবনের সমস্ত অর্জন তারই কাছ হতে পাওয়া বুদ্ধিমত্তা, নৈতিকতা আর শারিরীক শিক্ষার ফল।—- জর্জ ওয়াশিংটন।।

    মা দিয়ে মাসজিদ। মা দিয়ে মাদিনা। মা দিয়ে মাদ্রাসা। মা দিয়ে মাক্কা। সো মা কে কেউ কষ্ট দিয় না। 

    সন্তানেরা ধারালো চাকুর মত। তারা না চাইলেও মায়েদের কষ্ট দেয়। আর মায়েরা তাদের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত সন্তানদের সাথে লেগে থাকে। —— জোয়ান হেরিস।

    মা মমতার মহল,,,,,,, মা পিপাসার জল,,,,, মা ভালোবাসার সিন্ধু,,,,, মা উত্তম বন্ধু,,,, মা ব্যাথার ঔষুধ,,,,, মা কষ্টের মাঝে সুখ,,,,,, মা চাঁদের ঝিলিক,,,,, মা স্বর্গের মালিক।।

    আমার বসার ঘরের দেয়ালে আমার মায়ের ছবি টাঙানো আছে। কারণ তিনিই আমার কাছে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। —- এলেন ডে জেনেরিস

    মায়ের গায়ে ১ টা গন্ধ থাকে। ঘামে ভেজা হোক কিংবা কোন সুগন্ধীর হোক, সুনির্দিষ্ট ১ টা ঘ্রাণ। শুধু সন্তানরাই সে গন্ধ পায়। —- হুমায়ূন আহমেদ। 

    কোন ১টা বিষয় মায়েদেরকে দুইবার ভাবতে হয়- ১ বার তার সন্তানের জন্য আরেকবার নিজের জন্য। — সোফিয়া লরেন।।

    আমাদের পরিবারে মায়ের ভালোবাসা সবসময় সবচেয়ে টেকসই শক্তি। আর তার একাগ্রতা, মমতা আর বুদ্ধিমত্তা আমাদের মধ্যে দেখে আনন্দিত হই। —-মিশেল ওবামা।

    মা বাবাকে নিয়ে এস এম এস

    মা-বাবাকে কতটা ভালোবাসি তা পরিমাপ করা যাবে না। কিন্তু বিশেষ কয়েকটা দিন যেমন- মা দিবস, বাবা দিবসে না বলা কথা গুলো বলতে পারি। ছোট ছোট কথা এস এম এস (SMS) এর মাধ্যমে এটা সম্ভব। মা বাবাকে নিয়ে এমএসএম । বাবা মা নিয়ে ছন্দ । মাকে নিয়ে এস এম এস । বাবাকে নিয়ে এস এম এস । মা বাবাকে নিয়ে এস এম এস । ma baba niye sms:

    মা,,,,,,, মাগো মা……. আমি এলাম তোমার কোলে তোমার ছায়ায় তোমার মায়ায়‪ মানুষ ‬হব বলে। আই লাভ ইউ আম্মা। 

    মা মানে মমতা,,,,,, মা মানে ক্ষমতা,,,,,,, মা মানে নিরাপত্তা,,,,,,,, মা মানে নিশ্চয়তা,….. মা মানে আশ্রয়দাতা,,,,,,, মা মানে সকল আশা,,,,,,, মা মানে ১ সাগর ভালোবাসা।

    ভালোবাস তাকে যার কারনে পৃথিবী দেখেছো,,,,,,, ভালোবাস তাকে যে তোমাকে ১০ মাস ১০ দিন গর্ভে রেখেছে,,,,,,, ভালোবাস তাকে যার পা এর নিচে তোমার বেহেস্ত আছে,,,, তিনি হলেন আমার মা।

    প্রথম স্পর্শ মা,,,,, প্রথম পাওয়া মা,,,,, প্রথম শব্দ মা,,,,,,, প্রথম দেখা মা,,,,, আমার জান্নাত তুমি মা।

    মা—— কথাটি ছোট্ট অতি,,, কিন্তু জেনো ভাই ইহার চেয়ে নাম যে মধুর দুনিয়াতে নাই।

    তোমার বাবা থাকলেই তুমি বুঝতে পারবে যে প্রকৃত ও নিস্বার্থ ভালোবাসা কাকে বলে।।

    মা জননী চোখের মনি,,,,,,, অসিম তোমার দান। খোদার পরে তোমার আসন আসমানের সমান।।। ত্রিভুবনে তোমার মত হয়না কারো মান,,,,,,,,,। ** হ্যাপি মাদার্স ডে**

    মায়ের কথা পড়লে মনে আকুল হয়ে কাঁদি,,,,,,,,,, মা যে আমার আশীর্বাদের দিব্য প্রদীপ ভাতী। ***HAPPY Mothers DAY***

    মাকে তুই কষ্ট দিয়ে করিস নারে ভুল,,,,,,,,, মা হারালে হারাবি তুই আল্লাহ রাসুল। তুই যতই পারস মার যত্ন সেবা কর,,,,,,,, মা তখন হবে আপন যখন সবাই হবে পর।।

    সকাল দুপুর রাত্রী বেলা পাইছি সবার অবহেলা । সকল দুঃখ যেতাম ভুলে মায়ের কোলে মাথা তুলে।। মা যে আমার শেষ্ট বন্ধু মায়ের কোলে সুখের সিন্দু ।

     দুনিয়াতে সবচেয়ে পবিত্র জিনিস হচ্ছে আল কোরআন। সবচেয়ে নিস্পাপ জিনিস হচ্ছে ফুল। সবচেয়ে সুন্দর জীব হচ্ছে মানুষ …।। সবচেয়ে মধুর নাম হচ্ছে  **মা**

    তুমি আমাদের কাছে আমাদের আদর্শ হয়ে ছিলে,,,,,,, চেষ্টা করলেও তোমার স্মৃতি আমরা আমাদের মন হতে মুছে ফেলতে পারব না। আমরা আজও তোমায় ভীষণ মিস করি বাবা।

    মায়ের কোল যে কত বড় জিনিস তা ১ জন যোগ্য সন্তান ছাড়া আর কেউ জানে না । হাজারও চিন্তা আপনার মাথায় ১ বার মায়ের কোলে মাথা রাখেন দেখবেন সব চিন্তা দূঢ় হয়ে যাবে । দুনিয়ার যেখানেই যান না কেন মায়ের কোলে যে শান্তি তা কোথাও খুজে পাবেন না ।

    দুনিয়ার সব কিছুই বদলাতে পারে,,,,,,,, কিন্তু মায়ের ভালোবাসা কখনো বদলাবার নয়।

    মা জননী চোখের মনি,,,,,,, অসিম তোমার দান। খোদার পরে তোমার আসন আসমানের সমান। ত্রিভুবনে তোমার মত হয়না কারো মান।।।।।

    তুমিই আমাকে শিখিয়েছ শক্ত হতে লড়াই করে যেতে আমি তোমার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব বাবা। Happy Fathers Day

    পৃথিবীতে আসার পরে অনেক উপহার পেয়েছি জীবনে। কিন্তু জন্মের আগে আল্লাহ তায়ালা আমাকে সবসেরা যে উপহারটা দিয়ে রেখেছেন সেটা হল আমার বাবা।

    পৃথিবীতে সবাই তোমাকে ভালোবাসবে!! সেই ভালোবাসার মাঝে যে কোনো প্রয়োজন লুকিয়ে থাকে। কিন্তু ১ জন ব্যক্তি কোনো প্রয়োজন ছাড়াই তোমাকে ভালোবাসবে সে হলো *****মা

    আশা করি, মা বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস । উক্তি । এস এম এস পোষ্টে মাকে এবং বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস, এস এম এস এবং উক্তি গুলো ভালো লেগেছে। মা বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস । মা বাবাকে নিয়ে উক্তি । মা বাবাকে নিয়ে এস এম এস । মাকে নিয়ে এবং বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস, এসএমএস, ছন্দ, উক্তি।
  • TikTok থেকে টাকা ইনকাম করার ৫ টি উপায় – ajkerfact.com

    TikTok থেকে টাকা ইনকাম করার ৫ টি উপায়

    TikTok থেকে টাকা ইনকাম করার ৫ টি উপায়
    Tiktok থেকে টাকা ইনকাম

    টিকটক থেকে আয়: আপনি অবশ্যই টিকটক ভিডিও দেখেছেন, তবে আজ আমরা TikTok থেকে টাকা ইনকাম করার ৫ টি উপায় সর্পকে জানব? আপনি নিশ্চই টিকটক থেকে আয় করার উপায় জানতে এখানে এসেছেন।  ইউটিউবের মতো টিকটকে উপার্জনের কোনও বিজ্ঞাপন শো নেই, তবে এখান থেকে অর্থ উপার্জনের উপায় কী?

    এখনই Tiktok Video গুলি ট্রেন্ডিং চলছে এবং প্রচুর লোক বিশেষত তরুণ প্রজন্ম এটি ব্যবহার করছে। এই এপটির জনপ্রিয়তা এটির দ্বারা অনুমান করা যায় যে প্লেস্টোর থেকে এখন পর্যন্ত 200 মিলিয়নেরও বেশি ডাউনলোড হয়েছে।

    আপনি কি জানেন যে, টিকটক থেকে আপনি প্রচুর অর্থোপার্জন করতে পারবেন? না জানলে আপনি আমার পুরো পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়েন। টিকটক একটি ভালোটাকা আয় করার apps। তবে প্রথমে আপনাকে এটির বেসিক টিকটক কী হায় এবং কীভাবে টিকটকে ভিডিও বানাবেন তা বুঝতে হবে।

    TikTok এপটি ডাউনলোড করলে পাবেন ২৫০ টাকা বোনাস। নিচের নিয়ম অনুসরন করুন –

    • টিকটক এপটি ডাউনলোড করুন – https://vm.xzcs3zlph.com/ZGJUdEeUb/
    • আপনার ফোনে Install করার পর মোবাইল নাম্বার অথবা ইমেইল দিয়ে সাইনআপ করুন। 
    টিকটক রেফার করে ইনকাম
    টিকটক রেফার করে ইনকাম
    BD931662571
    • এবার BD931662571 এই রেফার কোডটি বসিয়ে Confirm এ ক্লিক করুন। দেখতে পাবেন আপনার একাাউন্ট ব্যালেঞ্চ এ ১০০০০ পয়েন্ট যুক্ত হয়েছে। 

    টিকটক থেকে আয়

    TikTok (Musical.ly) কি?

    TikTok একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও তৈরির অ্যাপ্লিকেশন, যেখানে আপনি র্সট মিউজিক ভিডিও, ডায়লগ, কমেডি ভিডিও তৈরি করে অন্যকে বিনোদন দিতে পারেন। এই এপ এর মাধ্যমে আপনি 3 থেকে 15 সেকেন্ডের ছোট ভিডিও তৈরি করতে এবং আপলোড করতে পারেন।

    TikTok এর আগের নাম ছিল Musical.ly এবং সম্প্রতি এর নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে একটি চীনা সংস্থা “ডুইন” Musical.ly কিনেছে এবং এটির সাথে এটি একীভূত করেছে এবং নাম দিয়েছে টিকটক ইংরেজিতে TikTok।এই অ্যাপ্লিকেশনটির মধ্যে আপনি অনেক গান এবং সংলাপ পাবেন, যার মাধ্যমে আপনি মোবাইল থেকে ভাল ভিডিও বানাতে পারবেন এবং সেখানে সম্পাদনার বিকল্পও রয়েছে।

    এর ভিডিওগুলি বেশ সংক্ষিপ্ত এবং বিনোদনমূলক, তাই এই এপটি খুব দ্রুত বিশ্বের খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ইউটিউবের মতো, আপনি টিক টকে ভাল মজার ভিডিওগুলি আপলোড করে আরও অনুসারী তৈরি করতে পারেন এবং এখান থেকে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

    উদাহরণ: বাংলাদেশের কিছু জনপ্রিয় সেলিব্রেটি পৃর্ণিমা, রিয়াজ, আরিশফা আরফান নিশু মতো জনপ্রিয় সেলিব্রিটি, যাদের অনুসারী প্রায় ১ মিলিয়ন এবং তারা এ থেকে ভাল আয় করেন।

    TikTok app কীভাবে ইনস্টল করবেন?

    টিকটক থেকে আয় করতে হলে আপনাকে এটটি উউনলোড করে ইন্সটল করতে হবে। আমরা এ পোষ্টে সবকিছু স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করব। আশা করি পুরু পোষ্ট মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

    1. আপনার মোবাইলে টিকটক (TikTok) অ্যাপটি ইনস্টল করতে এই লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।
    2. এখানে সবুজ রঙের ইনস্টল বোতামে ক্লিক করুন।
    3. TikTok অ্যাপটি ডাউনলোড ও ইনস্টল হওয়ার সাথে সাথে আপনি ওপেন বোতামে ক্লিক করে এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

    TikTok এ অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন কিভাবে?

    TikTok এ অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন কিভাবে

    টিকটকে আপনার প্রোফাইল তৈরি করতে প্রথমে এ্যাপটি খুলুন এবং নীচে আপনি যে আমার দেখতে পাবেন তার অপশনে ক্লিক করুন এবং আপনি নিজের জিমেইল, ফোন নম্বর বা ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম আইডি থেকে সাইন আপ করতে পারেন। ।

    TikTok এ কিভাবে ভিডিও করবেন?

    টিকটক
    টিকটক

    আপনি যদি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী হন তবে আপনি প্লে স্টোর এবং অ্যাপ স্টোর থেকে আইওএস ব্যবহারকারীদের এপস্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।

    টিকটকে ভিডিও তৈরি করা বেশ সহজ। আপনাকে কেবল এখান থেকে গান বা মিউজিক নির্বাচন করতে হবে এবং ভাল ভিডিও বানাতে হবে যেন মানুষের বিনোদন দেওয়া যায়।

    ১- TikTok app খোলার পরে, আপনি নীচে যে + বাটনটি পেয়ে যাচ্ছেন তার উপর Clik করুন।

    ২- পরবর্তী স্ক্রিনে, আপনি উপরে যে শব্দটি বেছে নিয়েছেন তার উপর ক্লিক করুন।

    ৩- আপনি যেমন Skinshoot দেখতে পাচ্ছেন, সংগীতের প্লেলিস্টটি আপনার সামনে উন্মুক্ত হবে, এখান থেকে আপনি আপনার পছন্দসই গান, ডায়লগ নির্বাচন করতে পারেন বা মাই সাউন্ডে Click করে আপনি আপনার মোবাইল থেকে গান নির্বাচন করতে পারেন।

    ৪- এর পরে আপনার পর্দার ডানদিকে দেখতে অনেকগুলি বিকল্প রয়েছে যাতে মোশন (এখান থেকে আপনি আপনার ভিডিওটি ধীর এবং দ্রুত করতে পারেন), ফিল্টারস, কাউন্টডাউন, বিউটি মোড, প্রভাবগুলি। এগুলি ছাড়াও আপনি নিজের অডিওটিও ছাঁটাতে পারেন।

    ৫- এখন ভিডিও রেকর্ড করার সময় এসেছে, আপনি এখানে ভিডিও বোতামে ক্লিক করে 3 থেকে 15 সেকেন্ডের  Video Make করতে পারেন।

    ৬- Tik Tok ভিডিও রেকর্ড করার পরে, আপনি এটিতে গানটি ছাঁটাই করতে পারেন, বিশেষ প্রভাব যুক্ত করতে পারেন এবং তারপরে শিরোনাম এবং Hah Tag যুক্ত করে প্রকাশ করতে পারেন।

    আপনার Tik Tok ভিডিও প্রকাশের পরে, তার সাথে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করুন যাতে আপনার Video আরও বেশি লোকের কাছে পৌঁছতে পারে।

    আরও জানুন: রিং আইডি এপ থেকে টাকা ইনকামের উপায়

    TikTok থেকে টাকা ইনকাম করার ৫ টি উপায়

    TikTok একটি টাকা আয় apps। যার সাহায্যে আপনি মূলত 5 উপায়ে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন যেমন ব্র্যান্ডের অংশীদারিত্ব থেকে, ব্র্যান্ডের অংশীদারিত্ব থেকে, পণ্যদ্রব্য বিক্রয়, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে, স্পনসরিত ইভেন্টে অংশ নেওয়া ইত্যাদি। আপনি শুনে বিশ্বাস করতে পারবেন না, একটি জনপ্রিয় টিকটোক তারকা সহজেই 2 থেকে 3 লক্ষ টাকা আয় করেন।

    টিকটক একটি টাকা আয় করার apps, টিকটক আপনাকে কেবল 15 সেকেন্ডের Video করতে হবে। এর জন্য আপনি কমপক্ষে আধ ঘন্টা সময় নিতে পারবেন এবং যদি আপনি অল্প সময়ের মধ্যে TikTok Video তৈরি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন তবে তা আপনার পক্ষে মিষ্টি। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক কী কী পদ্ধতি রয়েছে যাতে আপনি এই টিকটক অ্যাপ থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

    TikTok থেকে টাকা ইনকাম

    লাইভ স্ট্রিমিং:

    লাইভ স্ট্রিমিং টিক টকের প্রাথমিক উপার্জন পদ্ধতিটি হ’ল, আপনি ইমোজিগুলি অর্জন করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। টিক টকে একটি লাইভ স্ট্রিম বিকল্প রয়েছে যা আপনি 1000 ফলোয়ার থাকার পরে পেতে পারেন। আপনার লাইভ হিসাবে আপনার ফলোয়ার বা ভক্তরা আপনাকে ইমোজি পাঠায়। প্রতিটি ইমোজিগুলির জন্য আপনি কিছু কয়েন পাবেন যা থেকে আপনি টাকা ইনকাম বা অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

    কনটেস্ট:

    প্রচুর প্রতিযোগী চলছে, আপনি যদি এই কনটেস্টে অংশ নিয়ে থাকেন এবং আপনার ভিডিওটি ট্রেন্ডিংয়ে চলে যায় বা নির্বাচিত হয়ে যায়, আপনি এখানে 100 ডলার, $ 1000 কুপন, আইফোন এবং এর মতো পুরস্কার জিততে পারবেন প্রচুর আনুষাঙ্গিক।

    গিফট:

    আপনার যদি ব্যাপক ফলোয়ার থাকে বা অনুসারী থাকে তবে সংস্থাটি আপনাকে প্রচুর উপহার প্রেরণ করে। এটি আপনার উপার্জনের মাধ্যমও হতে পারে। টিক টক এপ থেকে টাকা ইনকামরে এটি ভালো উপায় হতে পারে।

    স্পনসারশিপ:

    ইউটিউবের মতো টিকটকেও, আপনি অনেক বেশি অনুরাগীর সাথে সাথে Sponsorship থেকে অর্থ উপার্জন টাকা আয় করতে পারেন, এইভাবে ব্র্যান্ড এবং সংস্থাগুলি স্পনসরশিপের জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করবে এবং তাদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে আপনি প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

    প্রমোশন:

    আপনার Follower যেমন টিকটকে বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি জনপ্রিয় হবেন, তেমনিভাবে লোকেরা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মতো ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে আপনাকে অনুসরণ করবে। এতে অনেকগুলি ব্র্যান্ড রয়েছে, এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছেন যারা আপনাকে তাদের প্রতিষ্টান বা নিজেকে সবার মাঝে প্রচার করতে বা শাউট আউট দিয়ে প্রচার করতে অনুরোধ করবেন এবং আপনি এটি থেকে অর্থ উপার্জনও করতে পারবেন।

    ➤জানুন – মোবাইল ফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার উপায়

    টিকটক সর্ম্পকে আরও জানুন

    টিকটক থেকে কত টাকা ইনকাম করা যায়?

    মূলত যারা TikTok Videoকরেন তারা বেশিরভাগই তাদের আয়ের স্পনসর বা ব্র্যান্ড ডিল করেন। আপনার যত বেশি অনুগামী রয়েছে ততক্ষণে আপনি স্পনসরশিপের জন্য আরও বেশি টাকা নিতে পারবেন। আপনার যদি প্রায় 100,000 অনুসরণকারী থাকে তবে আপনি প্রায় 10 থেকে 30 হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

    টিকটকে সবচেয়ে বেশি ফলোয়ার কার?

    টিকিটকের সর্বাধিক অনুসরণকারী ব্যবহারকারী লরেন গ্রে, যার 39.9 মিলিয়নেরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে।

    টিকটক ভিডিও তৈরি করে কী লাভ হয়?

    টিকটোক একটি জনপ্রিয় ভিডিও প্ল্যাটফর্ম। এখানে ভিডিও তৈরি করে আপনি নাম, খ্যাতির সাথে অর্থ পাবেন। এখন টিকটকে ভিডিও করে কিছু লোক সেলিব্রিটি হয়ে উঠেছে। আপনিও চেষ্টা করলে সেলিব্রেটি হয়ে যেতে পারবেন।

    শেষ কথা (টিকটক থেকে আয়)

    মোবাইল বা এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে আয় করার সবথেকে ভালো প্লটফর্ম হলো TikTok। টিকটক আসল খুব বেশি সময় হয় নাই, তবে এখনও এই প্ল্যাটফর্মটি ভিডিওর কারণে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এটি আপনার ইন্টারটেইনমেন্টের জন্য খুব পপোলার মাধ্যম, তবে আপনি যদি এ থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তবে প্রথমে আপনাকে এখানে জনপ্রিয় হতে হবে। সরার মাঝে আপানাকে তুলে ধরতে হবে।

    অন্যান্য প্লেটফর্মের মতো টিক টকে পপোলার হয়ে উঠতে আপনাকে ভাল মানের এবং ইন্টারটেইনমেন্ট ভিডিও করতে হবে এবং এতেও ধারাবাহিকভাবে থাকতে হবে, তবেই আপনি এ থেকে টাকা আয় কারার কথা ভাবতে পারেন।

    রিলেটেড টপিক – ইমেইল মার্কেটিং করে টাকা আয়

    TikTok থেকে টাকা ইনকাম করার ৫ টি উপায় সর্ম্পকে জেনে যদি আপনার ভালো লাগে তবে পোস্টটি সর্বাধিক শেয়ার করুন।

  • টিকটক রেফার করে আয় 2024

    টিকটক রেফার করে আয় 2024
    টিকটক রেফার করে আয় 2024

    টিকটক রেফার করে আয় 2024 (TikTok Refer income) পোষ্টে আপনাদের স্বাগতম। “টিকটক রেফার করে আয়” বর্তমান সময়ে TikTok অনেক জনপ্রিয় একটি এপ। এখানে সর্ট ভিডিও আপলোড করে খুব সহজেই নিজেকে সবার সামনে প্রচার করা যায়। আপনি হয়তো ভাবছেন টিকটক এ যারা ভিডিও তৈরি করে তারা ফালতু সময় নষ্ট করে। কিন্তু, তা নয়। তারা নিজেকে প্রচার করার সাথে সাথে অনেক টাকাও ইনকাম করে থাকছে । আজকের পোষ্টে টিকটক থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
    টিকটক এপে অনেক মজার মজার ও বিনোদনমূলক সর্ট ভিডিও থাকে। তাই খুব কম সময়ে এই এপটি অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের অনেক জনপ্রিয় সেলিব্রেটিও এই টিকটক এপটি ব্যবহার করে থাকে। 
    ২০২৪ সালে টিকটক নতুন একটি অফার যুক্ত করেছে। টিকটক এপটি বন্ধুদের সাথে রেফার করে যেকেউ অনেক টাকা আয় করতে পারবে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক কিভাবে টিকটক রেফার করে আয় করা যায় –

    TikTok রেফার করে আয়

    টিকটক থেকে টাকা ইনকাম করতে চাইলে প্রথমে অবশ্যই আপনাকে কারো রেফার নিয়ে একটি একাউন্ট খুলতে হবে। টিকটক একাউন্ট খোলার নিয়ম এবং কিভাবে টাকা আয় করবেন তা বিস্তারিত বলা হবে। সঠিক নিয়মে নিচের ধাপগুলো অনুসরন করে একাউন্ট করলে অবশ্যই আপনারা tiktok থেকে আয় করতে পারবেন। 
    প্রথমে আপনার মোবাইলে ইন্টারনেট কানেকশান দিন এবং নিচে দেওয়া লিংকটিতে ক্লিক করুন। 
    টিকটক – https://vm.xzcs3zlph.com/ZGJUdEeUb/
    ধাপ – ১ঃ উপরের লিংকটিতে ক্লিক করলে নিচের চিত্রের মতো একটি পেইজ ওপেন হবে।
    টিকটক থেকে আয়
    ধাপ – ২ঃ Download and join TikTok লেখাটিতে ক্লিক করে প্লে স্টোরে নিয়ে যাবে, সেখান থেকে টিকটক এপটি আপনার মোবাইলে ইন্সটল করে নিবেন। 
    টিকটক রেফার ইনকাম

    ধাপ – ৩ঃ উপরের চিত্রে দেখানো ১ নম্বর, ২ নম্বর এবং ৩ নম্বর স্টেপগুলোর মতো আপনিও পুরন করুন।
    টিকটক রেফার করে আয়

    ধাপ – ৪ঃ অপানার মোবাইল নাম্বার দিয়ে send code এ ক্লিক করবেন। আপনার মোবাইল নাম্বারে একটা কোড আসবে, সেই কোড সাবমিট করুন। 
    ধাপ – ৫ঃ এবার গোল্ড আইকনটিতে ক্লিক করুন। নিচের স্কিনশোটটিতে মার্ক করে দেখানো হয়েছে। 
    টিক টক
    ধাপ – ৬ঃ নিচের চিত্রের ডান পাশে BD931662571 এই কোডটি বসিয়ে Conferm এ ক্লিক করতে হবে। (কোড কপি করুন)
    কোড – BD931662571

    টিকটক রেফার করে ইনকাম

    বিঃ দ্রঃ টিকটক কোড BD931662571 বসিয়ে কনফার্ম করলে ১০ হাজার পয়েন্ট পাবেন এবং তা সাথে সাথে উইথড্র দিতে পারবেন।
    গোল্ড আইকন এ ক্লিক করে আপনার বন্ধুদের সেই ইনভাইট লিংকটি শেয়ার করে আপনি টিকটক থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ৫ দিনে ১০০০ হাজার টাকা ইনকাম করার সুযোগ।
    আরও পড়ুন – বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম ও রেফার করে আয়।
    আশা করি, টিকটক রেফার করে আয় 2024 পোষ্ট টি আপনাদের ভালো লেগেছে। টিকটক থেকে টাকা ইনকাম।
  • প্রেমিকার রাগ ভাঙ্গানোর স্ট্যাটাস

    প্রেমিকার রাগ ভাঙ্গানোর স্ট্যাটাস পোষ্টে আপনাদের স্বাগত্বম। রাগ ভাঙ্গানোর স্ট্যাটাস । আপনার প্রেমিকা আপনার সাথে রাগ করেছে? আপনার সাথে কথাই বলছে না? আজকের পোষ্টে আপনার প্রেমিকার জন্য রাগ ভাঙ্গানোর Status শেয়ার করবো। 
    রাগ ভাঙ্গানোর স্ট্যাটাস
    রাগ ভাঙ্গানোর স্ট্যাটাস
    রাগ ও অভিমান প্রায়ই আমাদের প্রিয় মানুষের কাছ থেকে আমাদের দুরে ঠেলে দেয়। প্রেমিকা রাগ করলে রাগ ভাঙ্গানোর উপায় আছে। রাগ ভাঙ্গানোর জন্য প্রয়োজন হবে কিছু সুন্দর সুন্দর স্ট্যাটাস, ছন্দ ও কথার। এই পোষ্টে আমরা রাগ ভাঙ্গানোর স্ট্যাটাস শেয়ার করবো। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
    অনেক সময় প্রেমিকা রাগ করলে ফেসবুকের স্টরিতে স্ট্যাটাস শেয়ার করেও প্রেমিকার রাগ ভাঙ্গানো যায়। তাই কিছু রাগ বা অভিমান ভাঙ্গানোর স্ট্যাটাস আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। rag vanganor status

    বাংলা রাগ ভাঙ্গানোর স্ট্যাটাস

    রাগ তোমার নয় শুধু – আমারো আছে!! তুমি দেখাতে পারো- আর আমি সইতে !!

    পাগলি আমার রাগ করেনা,,,,,, একটু কাছে এসো। তোমার জন্য কান ধরেছি।। একটু ভালোবাসো। আই লাভ ইউ।।

    তুমি রাগ,,,, তুমিই রঙ,,,, শিরার কোনে শিহরন । ছুঁয়ে দিলে তোমার ঐ ঠোঁটে,,,,,,স্পন্দন খোঁজে বিদ্ধ আমার এই মন ।

    কেউ রাগ করলে সেই রাগ ভাঙ্গানোর উপায় বের করার জন্য সারা রাত জেগে থাকার নামই ভালবাসা ।

    কখনও কখনও তুমি অভিমান না করলে,,,,,,, আমি সেই ভালো লাগা থেকে,,,,, বঞ্চিত হয়ে যাই ,,,,,,,।

    রাগ,,,,,,,,,,, তার ওপরেই করা যায়,, যাকে অনেক ভালোবাসা যায় ।

    যখন তুমি তোমার রাগ নিয়ন্ত্রন করতে পারবে,,,, বুঝে নিও জীবনটাও কন্ট্রোল করতে শিখে গেছো ।

    তুমি রাগ করলে আমি মানবো,,,,,, তুমি কষ্ট পেলে আমি মুছে দেব,,,,, তুমি থাকতে চাইলে আগলে নেব।

    তোমার অভিমানের জন্য হয়তো তোমাকে কেউ শাস্তি দেবে না,,,,, কিন্তু তোমার অভিমানই তোমাকে অনেক শাস্তি দেবে।

    তুমি যেতে চাইলে উড়িয়ে দেব। সব করতে পারি তবে জোর খাটাতে না ।——— এটাই আমি ।

    তুমি রাগ করলে,,,,,,,,, আমার ভুবন কালো । তুমি হাসলে দেখি,,,,,,, অমাবস্যায় আলো । আলো আঁধারের হাজার সুতো,,,,, মায়ায় ঢাকে জীবন ক্ষত। এমনি করেই আগলে রাখা,,,, বড্ড লাগে ভালো ।

    রাগ আসেনা মোর,.,,,,, এটাতো কেবল ভিতরেই তোলে ঝড়,,,,, প্রত্যাশারাও আজ অবসরে,,,,,, তাই বারা বারি ছাড়াই ঘোরেফেরে ।।

    আমার তুমি ভীষণ দামী,,,,,,,,,,,, অভিমান করলে অভিমান ভাঙ্গাতে জানি,,,,,,, শাসন করলে তা মানতে রাজি ,,,, বকলে পরে কাঁদতে পারি,,,,,,,,,,, ঝগড়া করলে আদরের আবদার রাখি ।

    রাগারাগি ছাড়া,,,,,,, ভালোবাসা শোভা পায় না!!! রাগের মাঝেই না বলা, ভালোবাসা খুজে পাওয়া যায় ।

    Oii পাগলি,,,,,,,, আমি ভুল করলে আমার সাথে ইচ্ছেমতো ঝগড়া করে নিও!!! কখনো, রাগ করে আমার সাথে কথাটা বন্ধ করিওনা প্লিজ ।

    যার সাথে আপনি রাগ করে বেশিক্ষন থাকতে পারবেন না…… দেখবেন,, তার সাথেই বেশি রাগারাগি হয় ।

    যে ধৈর্য  ধরতে যানে,,,,,, তার কাছে একদিন সব কিছুই ফিরে আসে.,,, হারানো সময়, সম্মান, বিশ্বাস, আর ভালোবাসা ।

    যদি তোর উপর কখনও অনেক বেশি রাগ হই ,,,, আর আমার রাগ ভাঙ্গানোর জন্য তোর একটা sms ই যথেষ্ট ।

    মেয়েরা কথায় কথায় রাগ করে । তাই বলে তারা সবার  উপর রাগ করে না!!! তারা শুধু তার উপরই রাগ করে, যাকে সে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে ।

    আমি রাগ করি না! কারন আমি জানি আমার রাগের মূল্য কারো কাছে নেই !

    অনেক ভালবাসি তোমায়,,,,, মন চাই আর ও ভালবাসি।। আর বার বার বলি আর ও বেশি ভালবাসতে চাই তেমাকেই।।

    রাগ করে থেকো না  গো,,,,,, তুমি রাগ করে থাকলে আমার কিছুই ভালো লাগে না ।

    যতই রাগ, অভিমান করোনা কেনো , হাজার অভিমানের পরও আমায় sms দিতে বাধ্য, যদি সত্যি ভালোবেসে থাকো  ।

    প্রচন্ড রাগ,,,,, মেসেজ না করার শপথ তার পরও বার বার ইনবক্স চেক করা এই ভেবে এই বুঝি তার মেসেজ এলো এটাই ভালোবাসা ।

    জানিস,,,,,, রাগের মাথায় যখন তোকে কথা শোনাই তুই ভাবিস, খুব সহজেই বলে , তোর থেকে বেশী কষ্ট হয় আমার হয় ।

    অভিমান সবার উপর করা যায় না! অভিমান করতে অধিকার লাগে,,,,, যাকে বেশি আপন ভাবা হয় যার উপর বেশি অধিকার কেবল তার উপরই অভিমান করা যায় ।

    যার রাগ বেশি,,,, সে নিরবে অনেক ভালবাসতে জানে। যে নিরবে ভালবাসতে জানে,,,,, তার ভালবাসার গভীরতা বেশি। আর যার ভালবাসার গভীরতা বেশি তার কষ্ট অনেক বেশি। 

    প্রেমিক: রাগ করে কি লাভ বলো? একদিন তো মরেই যাব । প্রেমাকি: একদিন যখন মরতেই হবে, তবে দেরি কনে এখনই মর ।

    মনের রাগ পুষে রাখলে সম্পর্ক নষ্ট হয় । অভিমানে দুরত্বের সৃষ্টি হয়। কিন্তু সব ভুলে ক্ষমা করে দিলে প্রত্যেকটি সম্পর্কই  স্থায়ী হয় !

    আরও পড়ুন –
    আশা করি, প্রেমিকার রাগ ভাঙ্গানোর স্ট্যাটাস গুলো আপনাদের ভালো লেগেছে। প্রেমিকার অভিমান ভাঙ্গানোর স্ট্যাটাস । রাগ ভাঙ্গানোর Status ।
  • র (R) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নামের তালিকা – AjkerFact

    র দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নামের তালিকা
    র দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নামের তালিকা

    র দিয়ে ইসলামিক নামঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। র (R) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নামের তালিকা পোষ্টে আপনাদের স্বাগত্বাম। আপনি নিশ্চই আপনার মেয়ে শিশুর জন্য সুন্দর ও আধুনিক একটি ইসলামিক নাম নির্বাচন করতে আমাদের ওয়েপসাইটে এসেছেন?
    আজকের পোষ্টে আপনাদের সাথে র দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম অর্থসহ (R diye islamic name girl bangla) শেয়ার করব। মুসলমান শিশু জন্মলাভ নেওয়ার পরই মাতা-পিতার নামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে একটি সুন্দর ইসলামিক নাম রাখা খুবই প্রয়োজনীয় ব্যাপার।
    মেয়ে শিশুর জন্য র দিয়ে কিছু ইসলামিক নাম নিয়ে এ পোষ্টটি সাজানো হয়েছে। সবগুলো নামের প্রথম অক্ষার হলো “র” R।

    র দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম অর্থসহ তালিকা

    আপনি যদি ১টি বাচ্চা মেয়ে শিশু জন্ম দিয়ে থাকেন এবং তার জন্য র ‍দিয়ে ইসলামিক নাম সন্ধান করতেছেন? তাহলে আপনার মেয়ে শিশুর জন্য নিচের তালিকা হতে ১ টি আধুনিক ইসলামিক নামপছন্দ করতে পারেন।
    R – র দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নামের তালিকা অর্থ সহ নিচে দেওয়া হলো:

    র দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম সমূহ র দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নামের অর্থ
    রওশন উজ্জল
    রাইদা নেত্রী, অগ্রদূত
    রিফা উত্তম
    রহীমা দয়ালু
    রামিছা  নিরাপদ
    রীমা সাদা হরিণ
    রাবেয়া নিঃস্বার্থ
    রুকাইয়া উচ্ছতর
    রুম্মন ডালিম
    রুমালী কবুতর
    রোশনী আলো
    রশীদা বিদূষী
    রাওনাফ সৌন্দর্য
    রিফাহ ভাল
    রায়হানা সুগন্ধি ফুল
    রোমিসা সৌন্দর্য, স্বর্গ
    রিমশা ফুল
    রামিসা গওহর নিরাপদ মুক্তা
    রামিশা আনজুম নিরাপদ তারা
    রামিসা মালিহা নিরাপদ সুন্দরী
    রামিসা ফারিহা নিরাপদ সুখী
    রামিসা বিলকিস নিরাপদ রানী
    রামিস আতিয়া নিরাপদ উপহার
    রামিস আনজুম নিরাপদ তারা
    রামিস আনান নিরাপদ মেঘ
    রুহী আত্মিক, আধ্যাত্মিকতা
    রুহিয়া আত্মিকত, আধ্যাত্মিকতা
    রুম্মানা ডালিম, আনার
    রুশদা সুপথপ্রান্ত, অধিকতর সৎ
    রুহাইমা অনুগ্রহশীলা, দায়াময়ী
    রুমা পালক লাগানোর আটা
    রুবাব সাদা মেঘ, স্বপ্নিল
    রুবিনা মুখ দর্শনকারী
    রুনা সুর, সুন্দর স্বর, গান
    রুতায়বা টাটকা রসালো ফল
    রুতবা  মর্যাদা, সম্মান, গুন
    রুজবা ঠেকনা, খুটি, লাঠি
    রুখশানা উজ্জল, দীপ্তিমান, প্রখর
    রিফাহ তাসনিয়া ভাল প্রসংসা
    রিফাহ সানজীদাহ ভাল বিশুদ্ধকারী
    রিফাহ তামান্না ভাল ইচ্ছা
    রিফাহ সাজিদা ভাল ধার্মিক
    রিফাহ রাফিয়া ভাল উন্নত
    রানা লামিসা সুন্দর অনুভূতি
    রানা নওয়ার সুন্দর ফুল
    রানা রুমালী সুন্দর কবুতর
    রানা সাইদা  সুন্দর নদী
    রানা সালমা সুন্দর প্রশান্ত
    রানা শামা সুন্দর প্রদীপ
    রোশনী  আলো
    রিজানা এক সুখানুভব মহিলাকে বুঝানো হয়েছে
    রিয়াযা বাগান
    রিকবাহা মৌলবী ইসহাক এর একমাত্র পত্নী এর নাম
    রিমশা একগুচ্ছ ফুলকে বোঝানো হয়েছে
    রামজিলা জান্নাতের ফুল
    রাবিতা সমাবেত হওয়া
    রিমহা এক সাদা গজিলা হরিণকে বোঝানো হয়েছে
    যদি আপনার মেয়েটির জন্য র দিয়ে ইসলামিক নাম রাখতে চান তাহলে এই তালিকা হতে আপনার শিশুর জন্য ১ টি র (R) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম  পছন্দ করতে পারেন। 
    বিঃ দ্রঃ আশা করি, আপনাদের র দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নামের তালিকা (R diye islamic name girl bangla) পোষ্টটি পছন্দ হয়েছে। ঐ মেয়েদের ইসলামিক নামগুলো বিভিন্ন জায়গা হতে কালেক্ট করেছি। R দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম ।
  • ফ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ

    ফ (F) দিয়ে ইসলামিক নামঃ আস্সালামু আলাইকুম। ফ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ পোষ্টে আপনাদের স্বাগতম।
    শিশু জন্মলাভের পর পিতামাতার নামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নাম রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। আপনি যদি প্রথম অক্ষর ফ বা F দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম খুজে থাকেন তাহলে আপনি একদম ঠিক জায়গায় এসেছেন। 
    ফ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ
    ফ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ
    আজকের পোষ্টে ফ দিয়ে ছেলেদের আধুনিক ইসলামিক নাম অর্থসহ (F diye Islamic name Boy bangla) আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। সবগুলো নামের ১ম অক্ষর হবে ফ (F) ।

    ফ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থ সহ তালিকা

    যদি আপনার ছেলে শিশুর জন্য ফ অক্ষর দিয়ে শুরু হয় এমন আধুনিক ও সুন্দর ইসলামিক অর্থপূর্ণ নাম নির্বাচন করতে চান তাহলে নিচের তালিকা হতে একটি নাম পছন্দ করতে পারেন। ফ দিয়ে ইসলামিক নাম ছেলেদের অর্থসহ ।
    ফ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ তালিকা নিচে দেওয়া হলো –
    ফ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম সমূহ ফ দিয়েে ছেলেদের ইসলামিক নামের অর্থ
    ফরিদ আলাদা
    ফাহিম বদ্ধিমান
    ফালাহ্ সাফল্য
    ফারুক মিথ্যা হতে সত্যকে আলাদাকারী
    ফুয়াদ অন্তর
    ফয়সাল মজবুত
    ফায়জান শাসক
    ফারহান প্রফুল্ল
    ফায়েক উত্তম
    ফায়সাল বিচারক
    ফাতিন সুন্দর, উৎসর্গ
    ফাকীদ অতুলনীয়
    ফাইয়াজ দাতাদয়ালু
    ফাইয়ায অনুগ্রহকারি
    ফহেত বিজয়ী 
    ফসীহ বিশুদ্ধভাষী
    ফরিদ অনুপম, আদালা
    ফয়েজ  সম্পদস্বাধীনতা
    ফয়সাল মজবুত
    ফজল অনুগ্রহ
    ফকিহ জ্ঞানী
    ফাতীন আনজুম সুন্দর তারা
    ফাহীম আনীস খুব চালাক বন্ধু
    ফারহান সাদিক প্রফুল্ল তারা
    ফাহীম শাকীল বুদ্ধিমান সুপুরুষ
    ফয়জুল কবীর অনেক সম্পদ
    ফুয়াদ হাসান সুন্দর মন
    ফাতিন মাহতাব সুন্দর চাঁদ
    ফাতিন মেসবাহ সুন্দর প্রদীপ
    ফাতিন নিহাল সুন্দর চারাগাছ
    ফাতিন আলমাস সুন্দর হীরা
    ফাতিন নূর সুন্দর আলো
    ফাতিন নেসার সুন্দর সাহায্য
    ফাতিন শাদাব সুন্দর সবুজ
    ফাতিন ওয়াহাব সুন্দর দান
    ফারহান আবসার প্রফুল্ল তারা
    ফাহিম ফয়সাল বুদ্ধিমান বিচারক
    ফাহিম হাবিব বুদ্ধিমান বন্ধু
    ফাহিম মাহতাব বুদ্ধিমান  চাঁদ
    ফাহিম মুরশেদ বুদ্ধিমান সংস্কারক
    ফাহিম মোসলেহ বুদ্ধিমান সংস্কারক 
    ফাহিম শাকিল বুদ্ধিমান সুপুরুষ
    ফাহিম শাহরিয়ার বুদ্ধিমান রাজা
    ফুরকানুল হক সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্ণায়ক
    ফারহাদ উল্লাহ আল্লাহর আশেক
    ফখরুজ্জামান যুগের গৌরব
    ফয়জুল্লাহ আল্লাহার দান বা প্রেরণা
    ফয়েজ আহমদ অতিপ্রশংসিত করুণাময়ের দান
    ফয়েজুর রহমান  করুণাময়ের দয়া
    ফারুক হোসাইন পার্থক্যকারী সুন্দর
    ফুরকানুল হক সঠিক পথে পরিচালিত ধর্ম যোদ্ধা
    ফাহাদ সিংহ
    ফাখের গর্ব্বোধকারী, উন্নতমানের
    ফরহাতুল হাসান সুন্দর উৎস
    ফারহান তানভীর প্রফু্ল্ল আলোকিত
    ফারহান তাজওয়া প্রফুল্ল রাজা
    ফারহান সাদিক প্রফুল্ল সত্যবান
    ফারহান নাদিম প্রফুল্ল সঙ্গী
    ফারহান মুহিব প্রফুল্ল প্রেমিক
    ফারহান মাসুদ প্রফুল্ল সৌবাগ্যবান
    ফিল হাতি
    ফারহাত আনন্দ
    ফখর গর্ব
    ফুরাদ অতুলনীয়
    আরও পড়ুন –
    আশা করি, ফ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ পোষ্ট থেকে আপনার ছেলে শিশুর জন্য একটি  ‍সুন্দর আধুনিক ইসলামিক নাম নির্বাচন করতে সক্ষম হয়েছেন। F দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ তালিকা ।
  • Google AI কি এবং গুগল এআই কীভাবে ব্যবহার করবেন?

    গুগল এ আইGoogle AI কি এবং গুগল এআই কীভাবে ব্যবহার করবেন পোষ্টে আপনাদের স্বাগতম। আপনাকে অবশ্যই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) সম্পর্কে জানতে হবে। কম্পিউটার বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কখনও কখনও মেশিন ইন্টেলিজেন্স বলা হয়। এটি বুদ্ধি, যা মানুষ এবং প্রাণী দ্বারা প্রদর্শিত প্রাকৃতিক বুদ্ধির বিপরীতে। এই পোস্টে আপনি গুগল এআই (Google AI) সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পাবেন। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক গুগল এআই কি এবং কিভাবে এটি ব্যবহার করতে হয়?
    Google AI কি এবং গুগল এআই কীভাবে ব্যবহার করবেন?
    Google AI কি এবং গুগল এআই কীভাবে ব্যবহার করবেন?
    গুগল এখন AI for social good নামে একটি নতুন প্রোগ্রামে মেশিন লার্নিং প্রচেষ্টাকে একত্রিত করছে, এমন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অগ্রগতি সম্পর্কে এবং এটি যে কেউ ব্যবহার করতে পারবে।
    যদিও আমরা এটি প্রতিদিন ব্যবহার করি, কিন্তু খুব কম লোকই জানে গুগল এ আই কি এবং এর ব্যবহার কি, তাই আসুন আজ জেনে নেওয়া যাক Google AI Ki এবং গুগল এআই কীভাবে ব্যবহার করবেন?

    গুগল এআই কি?

    Google AI কি: গুগল এ আই হলো গুগলের একটি বিভাগ যা সম্পূর্ণরূপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য নিবেদিত। এটি গুগলের CEO “সুন্দর পিচাই” 2017 সালে ঘোষণা করেছিলেন। এটি ফোনে বাস্তব বিশ্বের কাজ সম্পন্ন করার জন্য একটি এআই সিস্টেম। AI মানে হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
    Google এর উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের সকল তথ্য সংগঠিত করা এবং এটি সর্বজনীনভাবে অ্যাক্সেসযোগ্য ও উপযোগী করা হয়। Google AI আমাদেরকে উত্তেজনাপূর্ণ নতুন উপায়ে কাজ করতে সাহায্য করে এবং ইন্টারনেট গ্রাহক এবং বিশ্বের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে।
    গুগল এআই মানুষের জন্য প্রতিদিন কাজ করা সহজ করে দিচ্ছে। যেমন – গুগলে কারও ছবি খোজা বা প্রিয়জনের ছবি খোঁজা, গুগল ট্রান্সলেটে ভাষায় ভুল সংশোধন করা, ই-মেইল টাইপ করা বা গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের সাথে কাজ করা। তাছাড়াও Google AI এ বিদ্যমান স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য নতুন পন্থা অবলম্বন করা।
    মানুষের কাজের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য, যাতে তারা আরও বেশি কিছু করতে পারে এবং তাদের সৃজনশীল প্রচেষ্টায় আরও বেশি সময় ব্যয় করতে পারে সেজন্য Google AI সাহায্য করে।
    এটি সব জায়গায় মানুষকে বড় এবং ছোট সমস্যা সমাধানে সাহায্য করা। এটি সামাজিকভাবে উপকারী, ন্যায্য, জবাবদিহি এবং সকলের জন্য কাজ করে। 

    কিভাবে Google AI ব্যবহার করবেন?

    গুগল এআই ব্যবহার করতে, আপনি তার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট google.ai এ যান। এতে আপনি অনেক ক্যাটাগরি পাবেন। প্রতিটি বিভাগে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাবে যেমন শিক্ষা বিভাগে আপনি গুগল বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে কোডিং শিখতে পারেন।
    গুগল এআই দিয়ে আপনি আপনার দক্ষতা বিকাশ এবং আপনার প্রকল্পগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তথ্য, কৌশল এবং অনুশীলন করা শিখতে পারবেন।
    এআই একটি সুদূরপ্রসারী সায়েন্স ফিকশন ধারণার মত মনে হয়। আপনি সম্ভবত এটি সম্পর্কে প্রথমবার শুনেছেন কিন্তু এটি আসলে আপনার দৈনন্দিন জীবনে আপনি যা করতে পারেন তার সাথে অনেককিছু যুক্ত, যার মধ্যে কয়েকটি হল:
    আমরা আমাদের জীবনে Google AI কে নিম্নলিখিত উপায়ে ব্যবহার করছি।

    ১। অনুসন্ধান করতেঃ

    গুগল ফটো লাইব্রেরিতে আপনার প্রিয় বন্ধু এবং অন্যদের ছবি খুঁজে পেতে এটি ব্যবহার করে খুব সহজেই কাঙ্কিত ছবিটি বের করতে পারবেন। আমাদের অনুলিপি করা ছবিগুলি অনুসন্ধান করতেও গুগল এআই সহায়তা করে থাকে।

    ২। সঠিক সঙ্গীত বাজানোঃ

    গুগল প্লে মিউজিক ব্যক্তিগতকৃত গবেষণায় বিতরণ করে যে কোনো মুহূর্তের জন্য সঠিক সঙ্গীত খুঁজে পেতে, দিনের সময় বা আবহাওয়ার মতো বিষয়গুলি বিবেচনা করে। প্লে মিউজিক রাতের খাবার রান্না বা সূর্যাস্ত দেখার জন্য সঠিক সঙ্গীত প্রস্তাব করতে পারে

    ৩। ছবি blur করার জন্যঃ

    যখন পিক্সেল টু প্রোটেক্ট মোডে একটি ছবি তোলা হয়, তখন এটি ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড পুরোপুরি blur করে দেয়। ছবি blur করতে গুগল এআই সাহায্য করে থাকে।

    ৪। Machine Learning এর জন্যঃ

    মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম দ্বারা চালিত ক্যাপশন সহ এক বিলিয়ন ইউটিউব ভিডিও দেখতে পারেন 100 টি ভাষায় । 

    ৫। জিমেইলে স্বয়ংক্রিয় উত্তরের জন্যঃ

    আপনি Gmail এ স্মার্ট রিপ্লাই দিয়ে দ্রুত ইমেলের উত্তর দিতে পারেন। স্মার্ট রিপ্লাই আপনার প্রাপ্ত ইমেইলের উপর ভিত্তি করে দিনের সাড়া দেওয়ার জন্য গুগল AI ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তর দিয়ে আপনার সময় বাঁচাতে পারবেন।

    ৬। পুরনো বার্তার উত্তর দিতেঃ

    জিমেইল এআই ব্যবহার করে আপনাকে উত্তর দিতে দুই বা তিন দিনের পুরনো বার্তা অনুসরণ করে।

    ৭। গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপ পর্যালোচনা করতেঃ

    প্রতিদিন গুগল প্লে স্টোরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৫০ মিলিয়নেরও বেশি অ্যাপ এবং এমনকি ডিভাইস গুগল এ আই পর্যালোচনা করে এবং সন্দেহজনক কিছু হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা নেয়।

    ৮। গুগল ট্রান্সলেট এর জন্যঃ

    গুগল ট্রান্সলেট শব্দ সনাক্ত করার জন্য অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন এবং একটি অনুবাদ পদ্ধতি ব্যবহার করে যা লক্ষ লক্ষ উদাহরণে অনুমান করার জন্য তাদের প্রশিক্ষিত করা হয়।

    ৯। একাধিক ভাষায় কথা বলাঃ

    আপনি আপনার গুগল সহকারীর সাথে এক ডজনেরও বেশি ভাষায় যোগাযোগ করতে পারেন। প্রতি বছর এর সাথে আরো অনেক ভাষা যুক্ত হয়। এতেও গুগল এআই ব্যবহার করা হয়।

    ১০। গুগল ম্যাপে কাছাকাছি জিনিস খুঁজে পেতেঃ

    এআই গুগল ম্যাপে তার রাস্তার দৃশ্যের ছবি এবং রাস্তার নাম সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি আপনার আশেপাশের স্থান, বই, শিল্পকর্ম বা এমনকি আপনার প্রতিবেশীর কুকুরও সনাক্ত করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

    ১১। পরিকল্পনা এবং সময়সূচীঃ 

    গুগল টিপসের একটি স্মার্ট অ্যালগরিদম আপনাকে আপনার পরবর্তী ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে সাহায্য করতে পারে। এটি আধুনিক পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
     
    তাই বলা যায়, আমরা প্রতিদিন পরোক্ষ ভাবে হলেও এটি ব্যবহার করি। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রতিটি ব্যক্তি গুগল এআই ব্যবহার করে।
    শেষকথাঃ আশা করি, Google AI কি এবং গুগল এআই কীভাবে ব্যবহার করবেন পোষ্টটি আপনারদের ভালো লেগেছে। পুরু লেখাটি মনোযোগ সহকারে পড়লে গুগল এ আই সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।